বিবিধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিবিধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৯ মে, ২০১৬

ঢাকা-শিলং-ঢাকা বাসের টিকেট কিনলে ভিসা করিয়ে দেবে শ্যামলী পরিবহন

1
শ্যামলী ও বিআরটিসি’র যৌথ উদ্যেগে ঢাকা থেকে ভারতের মেঘালয়ের রাজধানী শিলং পর্যন্ত বাস সার্ভিস রয়েছে। এই সার্ভিসের মাধ্যমে আপনি ৪৫০০ টাকায় ঢাকা-শিলং-ঢাকা বাসের টিকেট কিনলে সেই সাথে শুধু ভারতীয় ভিসা ফি দিলে ভারতীয় ভিসা করিয়ে দিবে তারাই। ভিসা সেন্টারে আপনাকে যেতে হবে না। পাসপোর্ট, টাকা ও অন্যন্য কাগজপত্র তাদের নিকট জমা দিতে হবে।
যাত্রার সময়কাল

ঢাকা থেকে বৃহস্পতিবার রাতে রওনা দিবে, শিলং থেকে সোমবার ভোরে রওনা দিবে। এই ডেটেই আপনাকে যেতে-আসতে হবে।
বিঃদ্রঃ শুক্রবার হাফ ডে, শনি ও রবিবার ফুল ডে সময় পাবেন সেখানে।
ভিসা তথ্য
সাধারন ভিসার মতোই ৬ মাসের ভিসা দিবে। এন্ট্রি পোর্ট হবে “ডাইকি” (ভারতের ইমিগ্রেশন ‘ডাউকি’ আমাদের ইমিগ্রেশন ‘তামাবিল’)। আপনি ৬ মাসের মধ্যে যতবার খুশি ততবার যেতে আসতে পারবেন এবং ভারতে বাংলাদেশীদের যেতে বাধা নেই এমন সকল স্থানে যেতে পারবেন।
খরচ
ভিসা, ও বাসের টিকেট বাবদ ৫১০০ টাকা নিবে। (বাসের টিকেট ৪৫০০+ভিসা ৬০০) ট্রাভেল ট্যাক্স বাবদ অতিরিক্ত ৫০০ টাকা লাগবে (চাইলে ঢাকা থেকেও ট্রাভেল ট্যাক্স পরিশোধ করে যেতে পারে তাহলে সেখানে জামেলা কম হয়)
যোগাযোগ
রিয়াজ ভাই – ০১৭৩৩৫২৪৩৮৬ (দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা : ঢাকা-শিলং বাস সার্ভিস) অফিস : ০২ ৯৩৫৩৮৮২ কমলাপুর শ্যামলী-বি.আর.টি.সি. কাউন্টার।
যে যে কাগজপত্র লাগবে
* অরিজিনাল পাসপোর্ট * আপনার পাসপোর্টের ফটোকপি * জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি (যদি না থাকে তাহলে জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি এবং চেয়ারম্যান বা কমিশনার কতৃক নাগরিকত্ব সনদ) * একটি বিদ্যুৎ/পানি/টেলিফোন বিলের ফটোকপি (নিকটস্ত মাসের এবং বিল দেওয়া হয়েছে) * নূন্যতম ৬ মাসের ব্যাংক ষ্ট্যাটমেন্ট অথবা কোন ব্যাংক কতৃক নুন্যতম ১৫০ ডলার এনড্রোসমেন্ট স্লিপ ও পাসপোর্ট সিল সহ।
ছাড়া কর্মক্ষেত্রের প্রমান স্বরূপ আপনি :
# ছাত্র হলে :
* ছাত্র পরিচয়পত্রের ফটোকপি
# ব্যাবসাযী হলে :
* চলতি ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি (অবশ্যই আপনার নামে)
* ভিজিটিং কার্ড
# চাকুরীজীবি হলে :
* চাকুরির পরিচয়পত্রের ফটোকপি
* অফিসিয়াল প্যাডে অফিস কতৃক ছুটির মঞ্জুরীপত্র
* ভিজিটিং কার্ড

শনিবার, ১ আগস্ট, ২০১৫

ছোট কিন্তু সুন্দর দেশ

ঋতু রাণী শরতের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। এর সঙ্গে ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে গরম। গরমের দিন অনেকেই বেশ অস্বস্তিতে থাকেন। কেউ কেউ এসি ছেড়ে ঘরের মধ্যে বসে থাকেন। তাই গরম চলে যাওয়ার পর কোথাও বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা করুন। আজকের এ অনুষ্ঠানে আমরা বিশ্বের বেশ কয়েকটি ছোট ছোট, কিন্তু সুন্দর দেশে বেড়াতে নিয়ে যাবো আপনাদেরকে, কেমন? তাহলে আসুন শুরু করা যাক আজকের অনুষ্ঠান।
সারা বিশ্বে অনেকগুলো ছোট ছোট দেশ আছে। সে দেশগুলোর সবগুলোই যে আলাদা এবং অখণ্ড ভৌগোলিক সীমায় অবস্থিত তা কিন্তু নয়। কিছু ছোট দেশ আছে যে দেশগুলোর অবস্থান বড় দেশের ভৌগলিক সীমার মধ্যে। দেশ ছোট হলেও এ সব দেশে রয়েছে মনমাতানো আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পদ।
সান মারিনো
প্রথমেই চলুন, আমরা সান মারিনো দেশটিতে বেড়াতে যাই। সান মারিনো ১৫৯৯ সালে স্বাধীন হয়েছে। পুরো দেশটির অবস্থান ইতালির ভৌগলিক সীমানার মধ্যে। এর আয়তন মাত্র ৬২ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ৩০০০। এ দেশে রয়েছে বহু পাহাড় এবং মধ্য শতাব্দী ও রেনেসাঁ সময়ের ক্যাসল বা দুর্গ। প্রকৃতি এবং ঐতিহ্যের এই মহামিলন সত্যিই অভূতপূর্ব অনুভূতির সৃষ্টি করে। পর্যটকরা এখানে বেড়াতে খুব পছন্দ করেন। আপনি শুনে অবাক হবেন যে, গত বছর এই ছোট্ট সুন্দর দেশটিতে ২০ লাখেরও বেশি পর্যটক ভ্রমণ করেছিলেন।

ব্রুনেই
ব্রুনেই মালয়েশিয়ার পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত। সেখানে রয়েছে সমৃদ্ধ মত্স্য এবং জাহাজ শিল্প। এছাড়া দেশটিতে রয়েছে বিপুল তেল সম্পদ। গত ৬শ' বছর ধরে ব্রুনেই একটি পরিবারের নেতৃত্বে চলে আসছে। কিন্তু বর্তমানে ব্রুনেইয়ের রাজপ্রাসাদ ও পার্লামেন্টের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। তবুও রাজ পরিবারটি ৪ লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত দেশটিতে এখনও সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী। ব্রুনেইয়ের তেল সম্পদের স্তর সমুদ্রের নিচে। সেজন্য দেশটির অনেক দ্বীপের কোনো উন্নয়ন হয়নি। প্রকৃতি, বন-জঙ্গল, রঙিন ডুবো পাহাড়, সুন্দর নদনদী, আধুনিক স্থাপত্য এবং মালয়েশিয়া ও চীনা সংস্কৃতির সম্প্রীতির সহাবস্থানে ব্রুনেই পরিণত হয়েছে এক ভিন্ন দৃশ্য ও গল্পের রাজ্যে।
লেসোথো রাজ্য
লেসোথো রাজ্যটি দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত। এটি হচ্ছে অন্য দেশের ভিতরে অবস্থানকারী বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ। দেশটির অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮০০ মিটার উপরে। সেজন্য দেশটি আকাশ রাজ্য হিসেবে খ্যাতি লাভ করে। শীতকালে দেশটি বরফের চাদর মুড়ি দিয়ে থাকে। এখানে আপনি হাইকিং, অশ্বারোহণ, স্কিইং করতে পারেন। আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে লেসোথো হচ্ছে একমাত্র অঞ্চল, যেখানে স্কিইং করা যায়। লেসোথার একটি ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস রয়েছে। গত ৬২০ শতাব্দীর ৬০-এর দশকে লেসোথো স্বাধীন হয়। লোসোথা দক্ষিণ আফ্রিকার ভৌগলিক সীমানার মধ্যে থেকেও দক্ষিণ আফ্রিকার অন্তর্গত না হতে বা তার স্বাধীন অস্তিত্ব বিলীন না করতে ব্রিটেনের কাছে সহায়তা চেয়েছিল। এর ফলে, বিগত শতাব্দী জুড়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের সর্বব্যাপী কালো থাবা লেসোথোর ওপর কোনোই প্রভাব ফেলতে পারেনি।

লিচেনস্টাইন
লিচেনস্টাইন যেটি রয়েছে অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ডের মাঝখানে। দেশটিতে জার্মান ভাষায় কথা বলা হয়। লিচেনস্টাইনও একটি সুন্দর পাহাড়ি দেশ। প্রতি বছর অনেক পর্যটক এখানে স্কিইং করতে যান। সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে দেশটির ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে। সেজন্য দেশটিতে সুইস ফ্রান্ক মুদ্রার প্রচলন রয়েছে। দেশটির রাজধানীতে অনেক সুন্দর ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য এবং নামি দামি শপিং মল রয়েছে। লিচেনস্টাইন ১০ম শতাব্দিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর জনসংখ্যা মাত্র ৩০০০০।
লুক্সেমবার্গ
লুক্সেমবার্গ ইউরোপের আরেকটি ছোট দেশ। দেশটি ফ্রান্স, জার্মানি ও বেলজিয়ামের মাঝখানে রয়েছে। যেখানে আছে সুন্দর প্রাসাদ, দুর্গ আর গ্রাম। দেশটির রাজধানী লুক্সেমবার্গ সিটি। অধিকাংশ নাগরিক উপকণ্ঠে থাকেন। সুন্দর উপত্যকা আর রূপকথার মতো ক্লাসিক এবং মার্জিত দৃষ্টিনন্দন শহরের টানে প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক ছুটে যান ছোট্ট সুন্দর দেশটিতে। সেখানকার উন্নত ব্যাংকিং, প্রযুক্তি ও ইস্পাত শিল্পের কারণে লুক্সেমবার্গ বর্তমানে ইউরোপের সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর অন্যতম। বর্তমানে দেশটির জনসংখ্যা ৫ লাখ। আয়তন ২৫৯০০বর্গকিলোমিটার।
2014-08-21
MAIN LINK

সেনজেন ভিসার বিস্তারিত!

ইউরোপীয় দেশগুলোকে নিয়ে একটি একীভূত অঞ্চল তৈরি করে দেশগুলোর মধ্যে মানুষের যাতায়াত সহজ করা লক্ষ্য নিয়ে ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের সেনজেন শহরে একটি চুক্তি সাক্ষর করে কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ। বলা যায় সেই চুক্তির ধারাবাহিকতাতেই সৃষ্টি হয়েছে সেনজেন এলাকা এবং সেনজেন ভিসা। ইউরোপের অধিকাংশ এলাকা এই সেনজেন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং কেবল সেনজেন ভিসা নিয়েই ৯০ দিনের জন্য বেড়ানো বা ব্যবসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে ইউরোপ ঘুরে আসা যায়।
সেনজেন ভিসার আওতাভুক্ত দেশগুলো:
  • অস্ট্রিয়া
  • আইসল্যান্ড
  • ইতালি
  • এস্তোনিয়া
  • গ্রিস
  • চেক রিপাবলিক
  • জার্মানি
  • ডেনমার্ক
  • নেদারল্যান্ড
  • নরওয়ে
  • পোল্যান্ড
  • পর্তুগাল
  • ফ্রান্স
  • ফিনল্যান্ড
  • বেলজিয়াম
  • মাল্টা
  • লুক্সেমবার্গ
  • লাতভিয়া
  • লিথুয়ানিয়া
  • স্পেন
  • স্লোভাকিয়া
  • স্লোভেনিয়া
  • সুইজারল্যান্ড
  • সুইডেন
  • হাঙ্গেরি
এই সবগুলো দেশেই বেড়ানো বা ব্যবসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে সেনজেন ভিসা নিয়ে যেতে পারেন বাংলাদেশিরা। সেনজেন ভিসা নিয়ে সর্বোচ্চ ৯০ দিন ইউরোপে অবস্থান করা যায় এবং ভিসার মেয়াদ ছয় মাস। ভিসার মেয়াদ থাকাকালীন সময়ে একই ভিসা ব্যবহার করে বারবার সেনজেন এলাকার দেশগুলোতে প্রবেশ করা যায় তবে সব মিলিয়ে ৯০ দিনের বেশি সেখানে অবস্থান করা যাবে না।
ভিসা নেয়ার সময় গন্তব্য উল্লেখ করতে হয়। বাংলাদেশি ভ্রমণকারীরা ঢাকার যেসব কূটনৈতিক মিশন থেকে ভিসা সংগ্রহ করতে পারেন:
  • ফ্রান্স দূতাবাস: ফ্রান্সের ওভারসীজ টেরিটরি মনাকো এবং এন্ডোরা এবং বুরকিনা ফাসো, মধ্য আফ্রিকা, ডিজিবুতি, গ্যাবন, আইভরি কোস্ট, মৌরিতানিয়া, সেনেগাল, টগো এসব দেশে মূল গন্তব্য হলেও ফ্রান্স দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
  • চেক রিপাবলিক: চেক রিপাবলিকে ফ্যামিলি ও ভিজিট ভিসার জন্য দিল্লীতে চেক রিপাবলিকের হাই কমিশনে যোগাযোগ করতে হবে।
  • জার্মান দূতাবাস: জার্মানি ও এস্তোনিয়া ভ্রমণের জন্য জার্মান দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
  • ইতালি দূতাবাস: ইতালি, গ্রিস ও মাল্টা ভ্রমণের জন্য ইতালি দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
  • সুইডেন দূতাবাস: সুইডেন, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, পোল্যান্ড, লাতভিয়া, নেদারল্যান্ড এবং স্লোভেনিয়া ভ্রমণের জন্য সুইডেন দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
  • সুইজারল্যান্ড দূতাবাস: সুইজারল্যান্ড ভ্রমণের জন্য সুইজারল্যান্ড দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
  • স্পেন দূতাবাস: স্পেন ভ্রমণের জন্য স্পেন দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
ভিসা আবেদন যেভাবে করতে হবে:
ভিসা আবেদন ফরমের দু’পাশে প্রতিটি ঘর পূরণ করতে হবে। কোন ঘর ফাঁকা থাকলে বা ভুল তথ্য থাকলে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয় না। আবেদন ফরমের এক কপি জমা দিলেই চলবে আর তাতে অবশ্যই তারিখসহ সাক্ষর থাকতে হবে।
আবেদন ফরমের সাথে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
  • সাম্প্রতিক তোলা দুই কপি ছবি। সাদা পটভূমিতে ছবি তুলতে হবে, চোখে কালো চশমা বা মাথায় টুপি জাতীয় কিছু রাখা যাবে না আর ছবিতে অবশ্যই পুরো মুখমণ্ডল আসতে হবে।
  • ভ্রমণ শেষ হওয়ার পরও অন্তত ছয় মাস মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।
  • পাসপোর্টের ডাটা পেজগুলোর পরিষ্কার ফটোকপি যুক্ত করতে হবে।
  • সবগুলো সেনজেন দেশে প্রযোজ্য এবং অন্তত ৩০ হাজার ইউরো মূল্যমানের স্বাস্থ্য বীমা প্রয়োজন হবে।
  • জমা দেয়া প্রতিটি কাগজের মূলকপির সাথে একটি করে ফটোকপিও দিতে হবে।
  • কোন কাগজ বাংলায় থাকলে সেটার সাথে ইংরেজি বা জার্মান অনুবাদও যুক্ত করতে হবে।
বিজনেস ভিসার জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
  • ভ্রমণকারী যে দেশে যেতে চাইছেন সে দেশের কোম্পানির পাঠানো আমন্ত্রণপত্রের মূলকপি প্রয়োজন হবে। এই আমন্ত্রণপত্র অবশ্যই ইংরেজি বা জার্মান ভাষায় হতে হবে।
  • ভ্রমণকারী বাংলাদেশের যে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে ভ্রমণে যাচ্ছেন সে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের তরফে ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে লেখা চিঠি জমা দিতে হবে। প্রতিষ্ঠানের মালিকের জন্যও একই নিয়ম প্রযোজ্য।
  • বিগত তিন মাসে কোম্পানির ব্যাংক হিসাব বিবরণী।
  • কোম্পানির সার্টিফিকেট অফ ইনকর্পোরেশন অথবা মেমোরেন্ডাম এন্ড আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ট্রেড লাইসেন্স
  • বাংলাদেশে এবং বাইরে লেনদেনের তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
সেনজেন দেশগুলো আয়োজিত বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে আরও অতিরিক্ত কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
  • হোটেলের ঠিকানাসহ হোটেল রিজার্ভেশন এবং
  • স্টল বরাদ্দ হয়ে থাকলে এক্সিবিটর পাস।
বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সদস্যের সাথে দেখা করতে যেতে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
  • যার সাথে দেখা করতে যাওয়া হচ্ছে তার সাক্ষরিত গ্যারান্টর ফরম,
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে),
  • হোটেল বুকিং (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। হোটেল বুকিং কনফার্মেশনের ই-মেইল প্রিন্ট আউট গৃহীত হয় না।
  • অন্তত বিগত তিন মাস সময়কালে ব্যক্তিগত হিসাব বিবরণী,
  • ভ্রমণকারী যার সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন তার সাথে সম্পর্কর প্রমাণপত্র এবং
  • ফ্লাইট রিজার্ভেশন কপি।
ভ্রমণ ভিসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
  • হোটেল বুকিং (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। হোটেল বুকিং কনফার্মেশনের ই-মেইল প্রিন্ট আউট গৃহীত হয় না।
  • ভ্রমণকারী কোন কোন জায়গায় ভ্রমণ করতে চলেছেন তার বিস্তারিত।
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • অন্তত বিগত তিন মাস সময়কালে ব্যক্তিগত হিসাব বিবরণী।
শিশুদের ক্ষেত্রে:
বাবা-মা বা বৈধ অভিভাবকের অনুমতিপত্র জমা দিতে হবে। এছাড়া শিশুদের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে বাবা-মা বা অভিভাবকে অবশ্যই দূতাবাসে উপস্থিত থাকতে হবে।
এয়ারপোর্ট ট্রানজিট ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
  • সেনজেন এলাকা ছাড়ার পর ভ্রমণকারী যে দেশে যাচ্ছেন সে দেশের ভিসা,
  • ফ্লাইট রিজার্ভেশন,
  • প্রথমবার ভ্রমণের ক্ষেত্র বিজনেস ভিসা সংক্রান্ত সব ধরনের কাগজপত্র প্রয়োজন হবে,
  • ট্রানজিট ভিসার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবীমা প্রয়োজন হয় না।
প্রয়োজনীয় তথ্য
  • ভ্রমণের নির্ধারিত তারিখের চার থেকে ছয় সপ্তাহ আগে ভিসা আবেদনপত্র জমা দেয়া উচিত।
  • সাধারণত ৭ কর্মদিবসের মধ্যেই সেনজেন ভিসা ইস্যু হয়ে যায়। তবে কাগজপত্র যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত লাগতে পারে।
  • ভিসা ইস্যু হওয়ার পর পাসপোর্ট সংগ্রহের সময়ই ভিসা কিভাবে দেয়া হয়েছে সেটা দেখে নেয়া উচিত। কোন সমস্যা থাকলে সাথে সাথেই ভিসা কাউন্টারে জানাতে হবে।
  • নকল বা জালিয়াতি করা পাসপোর্ট জমা দিলে সেগুলো জব্দ করে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
  • শুধু ভিসা আবেদনের সময়ই নয়, সেনজেন এলাকার দেশগুলোতে প্রবেশের সময়ও আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দেখাতে হয়। সেনজেন ভিসাই সেনজেন এলাকায় প্রবেশের একমাত্র নিশ্চয়তা নয়।
  • প্রতিটি ভিসার জন্য ৬০ ইউরো সমপরিমাণ টাকা এডমিনিস্ট্রেশন ফি হিসেবে জমা দিতে হয়। ভিসা সাক্ষাতকারের পরপরই এই ফি দিতে হয়।
  • দূতাবাসে ভ্রমণের আমন্ত্রণপত্র না পাঠিয়ে ভিসা আবেদনকারীর কাছে আমন্ত্রণপত্র পাঠাতে হবে এবং তিনি ভিসা আবেদনের সাথে আমন্ত্রণপত্র জমা দেবেন।
উল্লেখ্য ইউরোপের সেনজেন ভিসা তথা Visa Information System কিভাবে কাজ করে? এই লেখাটি পরতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।
এবং ইউরোপের সেনজেন ভুক্ত বিভিন্ন দেশ গুলোর ডকুমেন্টস গুলো দেখতে কেমন? এই লেখাটি পরতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।
আবার যারা ইতিমধ্যে ইউরোপের সেনজেন ভিসা নিয়ে ইউরোপে প্রবেশ করে বর্তমানে অবৈধ রয়েছেন? এবং কিভাবে পর্তুগাল গিয়ে বৈধ হবেন!! তথা পর্তুগালের কাগজ পাবেন? এই লেখাটি পরতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।
এবং ইউরোপের মাইগ্রেশন থেকে শুরু করে যেকোনো বিষয়ে যেকোনো ধরনের সাহায্য ও সহযোগিতার জন্য সরাসরি আমিওপারি টিম এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমাদের সাথে যোগাযোগ করার বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
আর যারা আপনাদের ফেসবুকে আমিওপারির প্রতিটি লেখা পেতে চান তারা এখানে ক্লিক করে আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে গিয়ে লাইক দিয়ে রাখতে পারেন। তাহলে আমিওপারিতে প্রকাশিত প্রতিটি লেখা আপনার ফেসবুক নিউজ ফিডে পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ।

by Lesar on মার্চ ১৮, ২০১৫

শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০১৫

সুইডেনের ভিসা যেভাবে পাবেন

সময়নিউজ ডট নেট :
ঢাকা :
জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সুইডিশ জাতি বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। আর এ কারনে সারা বিশ্বের অসংখ্য মানুষ উন্নত জীবনের লক্ষ্যে আজ সুইডেনে পাড়ি জমাচ্ছে। কিছু সংখ্যক যাচ্ছে পড়াশুনা অথবা ব্যবসায়িক কাজে আর কিছু সংখ্যক মানুষ যাচ্ছে কেবলমাত্র প্রযুক্তির শিখরে অবস্থানকারী দেশটিকে ঘুরে দেখতে। প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লোক সুইডেনের ভিসার জন্য আবেদন করে থাকেন।

সুইডেনের ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া

ব্যবসায়িক এবং কনফারেন্সের কাজে, স্বল্পকালীন ভ্রমনে অথবা পরিবার ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্য সুইডেন যেতে আগ্রহী ব্যক্তিকে ঢাকাস্থ সুইডেন দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। সুইডেন ইউরোপের সেনজেন এলাকা ভুক্ত দেশ হওয়ায়, ৯০ দিন বা এর চেয়ে কম সময়ের জন্য সুইডেন যাওয়ার জন্য ভিসা আবেদন করতে ঢাকাস্থ সুইডেন দূতাবাসের মাধ্যমে সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
আর ভিসার মেয়াদ যদি ৯০ দিনের বেশি প্রয়োজন হয় তবে ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’র (visa for longer stays) আবেদন করতে হবে। ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’ কে ‘ডি’ টাইপ ভিসা অথবা জাতীয় ভিসা (National Visa) বলা হয়। এই ‘ডি’ টাইপ ভিসার মেয়াদ সর্বচ্চো এক বছর।

ভিসার ক্যাটাগরী

ব্যবসায়িক এবং কনফারেন্স ভিসা (Business and Conference Visa)
ট্যুরিস্ট ভিসা (Tourist Visa)
আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসা (Visiting Family and Friends Visa)

ব্যবসায়িক এবং কনফারেন্স ভিসা (Business and Conference Visa)

ব্যবসায়িক কাজে সুইডেন যেতে চাইলে বিজনেস ভিসা অথবা সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এই ভিসার মেয়াদ ৩ মাস। যদি ৩ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয় তবে দূতাবাসে কারণ উল্লেখ করে নির্ধারিত ফর্মের মাধ্যমে ‘বসবাসের অনুমোদনপত্র (residence permit) অথবা ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’র (visa for longer stays) আবেদন করতে হবে। ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’ কে ‘ডি’ টাইপ ভিসা বলা হয়।

সুইডেনের বিজনেস ভিসার আবেদনের নিয়ম:
পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৩ মাসের বেশি থাকতে হবে)
সেনজেন ভিসা ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটি সুইডেন দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন অথবা সুইডেন দূতাবাসের ওয়েবসাইট থেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন।  সুইডেন ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটির ডিরেক্ট ডাউনলোড লিংকটি নিচে দেয়া হল –                                                                                               

**  সুইডেনের সেনজেন ভিসা ফর্ম

    সুইডেনে অবস্থিত যে কোম্পানির কাছে ব্যবসায়িক কাজে যেতে হবে, সেই কোম্পানির আমন্ত্রণপত্র ভিসার আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে।
    আবেদনকারীর নিজস্ব তথ্য
    সুইডেনে যাওয়ার তারিখ ও সুইডেন থেকে ফিরে আসার তারিখ
    ব্যবসায়িক কাজের ধরণ
    সুইডেনে থাকাকালীন যে ব্যক্তি আপনাকে সাহায্য করবে (ব্যবসায়িক অংশীদার অথবা সুইডেনে অবস্থানরত আক্তিয়)
    ‘ভিসা আবেদনকারীদের জন্য প্রশ্নাবলী’  (Questionnaire for visa applicants) ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করে আবেদন ফর্মটির সাথে জমা দিতে হবে। 
    পাসপোর্ট, ভ্রমণের অন্যান্য কাগজপত্র এবং এগুলোর ফটোকপি
    আবেদনকারীর ছবি:

  - সদ্য তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (৩৫ মি.মি. x ৪৫ মি.মি.)
  - ছবি অবশ্যই রঙ্গিন হতে হবে
  - ছবিতে আবেদনকারীর সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে
  - মাথায় কোন প্রকার টুপি অথবা মাথায় বাঁধার ফিতা অথবা পাগড়ি অথবা কাপড় থাকা যাবেনা। শুধু মাত্র ধর্মীয় ক্ষেত্রে রাখা যেতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে।

    ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স থাকতে হবে, যা জরুরী ডাক্তারি সেবা, অ্যাম্বুলেন্স সেবা সহ অন্যান্য সেবার খরচ বহন করতে পারবে।  ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স কমপক্ষে ৩০০০০ ইউরো (২৫,১৭,৫৬৫ টাকা) এর হতে হবে। ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্সের পরিমাণ সময় সাপেক্ষে পরিবর্তনশীল। আবেদনের সময় সুইডেন দূতাবাস থেকে জেনে নিতে পারেন। 
    সুইডেনে যাওয়ার ফ্লাইট বুকিং ডকুমেন্ট
    যে কোম্পানি থেকে যাবেন তার কভার লেটার

বিজনেস ভিসা ফী: ভিসার জন্য আবেদন প্রার্থী     ভিসা ফী
সেনজেন ভিসা     ৬৫০০ টাকা
দীর্ঘ সময়ের জাতীয় ভিসা (‘ডি’ টাইপ ভিসা)     ৬৫০০ টাকা
৬-১২ বছরের শিশু     ৩৮০০ টাকা
০-৬ বছরের শিশু (৬ বছরের চেয়ে কম বয়স)     ফ্রী

* ভিসার ফী সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে
* ভিসার ফী অফেরত যোগ্য

ট্যুরিস্ট ভিসা (Tourist Visa)

ভ্রমণের জন্য সুইডেন যেতে চাইলে ভ্রমণ বা  ট্যুরিস্ট ভিসা অথবা সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এই ভিসার মেয়াদ ৩ মাস। যদি ৩ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয় তবে দূতাবাসে কারণ উল্লেখ করে নির্ধারিত ফর্মের মাধ্যমে ‘বসবাসের অনুমোদনপত্র (residence permit) অথবা ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভ্রমণ ভিসা’র (visa for longer stays) আবেদন করতে হবে। ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’ কে ‘ডি’ টাইপ ভিসা বলা হয়।

সুইডেনের ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদনের নিয়ম:

    পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৩ মাসের বেশি থাকতে হবে)
    সেনজেন ভিসা ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
    ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটি সুইডেন দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন অথবা সুইডেন দূতাবাসের ওয়েবসাইট থেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন।  সুইডেন ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটির ডিরেক্ট ডাউনলোড লিংকটি নিচে দেয়া হল –                                                                 

 **  সুইডেনের সেনজেন ভিসা ফর্ম

    ভ্রমণকারীর পরিবারের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। এজন্য ‘পরিবার সম্পর্কীয় বিবরণ ফর্ম’ (Family Appendix for Applicants) সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
    আবেদনকারীর ছবি:

  - সদ্য তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (৩৫ মি.মি. x ৪৫ মি.মি.)
  - ছবি অবশ্যই রঙ্গিন হতে হবে
  - ছবিতে আবেদনকারীর সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে
  - মাথায় কোন প্রকার টুপি অথবা মাথায় বাঁধার ফিতা অথবা পাগড়ি অথবা কাপড় থাকা যাবেনা। শুধু মাত্র ধর্মীয় ক্ষেত্রে রাখা যেতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে।

    কি উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করতে চান তার কাগজপত্র, হোটেল বুকিং এর কাগজ অথবা কোন এজেন্সির মাধ্যমে গেলে তার কাগজপত্র
    আবেদনকারী কি কাজ করেন তার প্রমাণপত্র। যেমন – আবেদনকারী চাকরি করেন নাকি পড়াশুনা।
    ভ্রমণ করার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ আছে কিনা তার প্রমাণপত্র (ব্যাংক স্টেটমেন্ট)
    ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স থাকতে হবে, যা জরুরী ডাক্তারি সেবা, অ্যাম্বুলেন্স সেবা সহ অন্যান্য সেবার খরচ বহন করতে পারবে।  ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স কমপক্ষে ৩০০০০ ইউরো (২৫,১৭,৫৬৫ টাকা) এর হতে হবে। ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্সের পরিমাণ সময় সাপেক্ষে পরিবর্তনশীল। আবেদনের সময় সুইডেন দূতাবাস থেকে জেনে নিতে পারেন। 
    সুইডেনে যাওয়ার ফ্লাইট বুকিং ডকুমেন্ট

ট্যুরিস্ট ভিসা ফী: ভিসার জন্য আবেদন প্রার্থী     ভিসা ফী
সেনজেন ভিসা     ৬৪০০ টাকা
দীর্ঘ সময়ের জাতীয় ভিসা (‘ডি’ টাইপ ভিসা)     ৬৪০০ টাকা
৬-১২ বছরের শিশু     ৩৭৫০ টাকা
০-৬ বছরের শিশু (৬ বছরের চেয়ে কম বয়স)     ফ্রী

* ভিসার ফী সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে
* ভিসার ফী অফেরত যোগ্য

আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসা (Visiting Family and Friends Visa)

আত্মীয় বা বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্য সুইডেন যেতে চাইলে আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসা অথবা সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এই ভিসার মেয়াদ ৩ মাস। যদি ৩ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয় তবে দূতাবাসে কারণ উল্লেখ করে নির্ধারিত ফর্মের মাধ্যমে ‘বসবাসের অনুমোদনপত্র (residence permit) অথবা ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’র (visa for longer stays) আবেদন করতে হবে। ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’ কে ‘ডি’ টাইপ ভিসা বলা হয়।

সুইডেনের আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসার আবেদনের নিয়ম:

    পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৩ মাসের বেশি থাকতে হবে)
    সেনজেন ভিসা ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
    ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটি সুইডেন দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন অথবা সুইডেন দূতাবাসের ওয়েবসাইট থেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন।  সুইডেন ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটির ডিরেক্ট ডাউনলোড লিংকটি নিচে দেয়া হল –                                                                         

**  সুইডেনের সেনজেন ভিসা ফর্ম

    পাসপোর্ট ও ভ্রমণের অন্যান্য কাগজপত্র এবং তার ফটোকপি
    ভ্রমণকারীর পরিবারের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। এজন্য ‘পরিবার সম্পর্কীয় বিবরণ ফর্ম’ (Family Appendix for Applicants) সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
    আবেদনকারীর ছবি:

  - সদ্য তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (৩৫ মি.মি. x ৪৫ মি.মি.)
  - ছবি অবশ্যই রঙ্গিন হতে হবে
  - ছবিতে আবেদনকারীর সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে
  - মাথায় কোন প্রকার টুপি অথবা মাথায় বাঁধার ফিতা অথবা পাগড়ি অথবা কাপড় থাকা যাবেনা। শুধু মাত্র ধর্মীয় ক্ষেত্রে রাখা যেতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে।

    সুইডেনে বেড়াতে যাওয়ার আমন্ত্রণপত্র। কোন তারিখে বেড়াতে যেতে চান এবং কোন তারিখে সুইডেন থেকে ফিরবেন তা ‘আমন্ত্রণ ও প্রশ্নাবলী’ (Invitation and Questionnaire) ফর্মে সঠিক ভাবে উল্লেখ করতে হবে
    ভ্রমণকারীর পরিবারের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। এজন্য ‘পরিবার সম্পর্কীয় বিবরণ ফর্ম’ (Family Appendix for Applicants) সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
    ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স থাকতে হবে, যা জরুরী ডাক্তারি সেবা, অ্যাম্বুলেন্স সেবা সহ অন্যান্য সেবার খরচ বহন করতে পারবে।  ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স কমপক্ষে ৩০০০০ ইউরো (২৫,১৭,৫৬৫ টাকা) এর হতে হবে। ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্সের পরিমাণ সময় সাপেক্ষে পরিবর্তনশীল। আবেদনের সময় সুইডেন দূতাবাস থেকে জেনে নিতে পারেন। 
    সুইডেনে যাওয়ার ফ্লাইট বুকিং ডকুমেন্ট
    আবেদনকারী যে আত্মীয় বা বন্ধুর সাথে দেখা করতে যাবেন, সেই আত্মীয় বা বন্ধু যদি সুইডেনে বসবাসরত হন তবে তার সুইডেনে বসবাসের প্রমাণপত্র যেমন- স্থানীয় আয়কর অফিস (Local Tax Office) অথবা সুইডিশ ন্যাশনাল ট্যাক্স বোর্ড (Swedish National Tax Board) এর ওয়েবসাইট থেকে প্রমাণপত্র সংগ্রহ করে আবেদনকারীর ভিসা আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে
    আবেদনকারী কি কাজ করেন তার প্রমাণপত্র। যেমন – আবেদনকারী চাকরি করেন নাকি পড়াশুনা। চাকরি করলে চাকরির প্রমাণপত্র, বেতনের পরিমাণ, ব্যাংক বই এর কপি আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে
    ভ্রমণ করার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ আছে কিনা তার প্রমাণপত্র (ব্যাংক স্টেটমেন্ট)

আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসা ফী: ভিসার জন্য আবেদন প্রার্থী     ভিসা ফী
সেনজেন ভিসা     ৬৫০০ টাকা
দীর্ঘ সময়ের জাতীয় ভিসা (‘ডি’ টাইপ ভিসা)     ৬৫০০ টাকা
৬-১২ বছরের শিশু     ৩৮০০ টাকা
০-৬ বছরের শিশু (৬ বছরের চেয়ে কম বয়স)     ফ্রী

* ভিসার ফী সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে
* ভিসার ফী অফেরত যোগ্য

 সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০১৫

সোমবার, ১৮ মে, ২০১৫

কালের পরীক্ষায় টিকে যাওয়া দৃষ্টিনন্দন ১০ দুর্গ

কালের পরীক্ষায় টিকে যাওয়া দৃষ্টিনন্দন ১০ দুর্গ
জার্মান ভাষাভাষী অঞ্চলের নিরাপত্তায় এক সময় ২০ হাজারের বেশি দুর্গ গড়ে তোলা হয়েছিল। এগুলো ছিল মধ্যযুগীয় শাসকদের শক্তি ও রাজ্যের স্থিতিশীলতার প্রতীক। কালের পরীক্ষায় টিকে গেছে এমন দশটি দুর্গ নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন।
000-000-008
সাৎসফাই কাসল
নর্থ রাইন-ভেস্টফেলিয়ায় পরিখাসহ যে জার্মান দুর্গগুলো খুব ভালভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে, তার মধ্যে সাত্সফাই কাসল একটি। আনুমানিক দ্বাদশ শতকের দিকে এটি নির্মাণ করা হয়। এ দুর্গের চারপাশে রয়েছে গভীর পরিখা, শত্রুকে দূরে রাখার কৌশল হিসাবে যা খনন করা হয়েছিল।
000-000-009
আলটেনা দুর্গ
নর্থ রাইন-ভেস্টফেলিয়ায় ৮০০ বছরের পুরনো এই দুর্গেই বিশ্বের প্রথম ইয়ুথ হোস্টেলটি চালু হয় ১৯১৪ সালে। দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকার পর ওই সময়ই নতুন করে নির্মাণ করা হয় এ দুর্গ।
000-000-010
কখেম কাসল
মোজেল নদীর তীরে পার্বত্য এলাকায় নির্মিত সবচেয়ে বড় দুর্গ হলো এই কখেম কাসল। আনুমানিক একাদশ শতকে নির্মিত এই দুর্গ সপ্তদশ শতকে এসে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। পরে বার্লিনের ব্যবসায়ী লুই রাফেন ৩০০ স্বর্ণমুদ্রায় এই সম্পত্তি কিনে নেন এবং ১৮৭৭ নিও গথিক স্থাপত্যরীতিতে দুর্গটি পুনঃনির্মাণ করেন।
000-000-011
রাইনস্টাইন কাসল
ইতিহাসের পাতায় মধ্য রাইন উপত্যকায় রাইনস্টাইন দুর্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় ১৩২৩ সালে। ষোড়শ শতকে ধসে পড়ার পর স্থপতি কার্ল ফ্রিডরিশ ১৮২৩ সালে প্রুাশিয়ার প্রিন্স ফ্রিডরিশ-কে এই দুর্গের সম্পত্তি কিনে নিতে অনুরোধ করেন। রোমান্টিক যুগে রাইনের তীরে পুনঃনির্মাণ করা প্রথম দুর্গ হলো এই রাইনস্টাইন কাসল।
000-000-012
মার্কসবুর্গ কাসল
রাইনের তীরে ব্রাউবাখ শহরে মার্কসবুর্গ কাসল গড়ে তোলা হয় ১২ শ’ শতকের শুরুর দিকে। এখন পর্যন্ত এর মূল কাঠামো অটুট আছে। মধ্য রাইন উপত্যকায় পাহাড়ের ওপর নির্মিত দুর্গগুলোর মধ্যে একমাত্র্র মার্কসবুর্গই কখনো পরাভূত বা ধ্বংস হয়নি৷ রাইন উপত্যকার এ অংশে প্রতি আড়াই কিলোমিটার অন্তর অন্তর একটি করে দুর্গ ছিল এক সময়। ২০০২ সালে এ এলাকাকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে ইউনেস্কো।
000-000-013
বুর্গহাউসেন দুর্গ
আপার বাভারিয়ার বুর্গহাউসেন শহরে দাঁড়িয়ে আছে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ এই কাসল কমপ্লেক্স। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী এই দুর্গ চত্বরের দৈর্ঘ্য ১০৫১ মিটার। ১০২৫ খ্রিষ্টাব্দের দিকে নির্মিত এই দুর্গ বাভারিয়ার ভিটেলসবাখ সাম্রাজ্যের শাসকদের বাসস্থান হিসাবে ব্যবহৃত হতো।
000-000-014
এটৎস কাসল
এক সময় জার্মানির ৫০০ মার্কের নোটে এই দুর্গের ছবি আঁকা ছিল। ১২ শ’ শতকের গোড়ার দিকে নির্মিত এই স্থাপনা জার্মানির অন্যতম বিখ্যাত দুর্গ। মোজেল নদীর ধারে পাহাড়ের ওপর ৭০ মিটার দৈর্ঘ্যের একখণ্ড পাথরের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এটৎস কাসল এখন জার্মানির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র।
000-000-015
নুরেমবার্গ কাসল
মধ্যযুগে নুরেমবার্গ কাসল ছিল জার্মান সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাসাদ। রোমান সাম্রাজ্যের শাসকেরা একশ বছরেরও বেশি সময় এ প্রাসাদে বসবাস করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গুঁড়িয়ে দেয়া হলেও পরে মূল স্থাপনাটির আদলে গড়ে তোলা হয় বর্তমান দুর্গটি।
000-000-016
হোয়েনসলার্ন কাসল
হোয়েনসলার্ন বংশের শাসকরা জার্মানি শাসন করেছেন ১৮৭১ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত। তাদেরই একজন ১৮৫০ সালে পিতৃপুরুষের ভিটায় এই দুর্গ নির্মাণ করেন। বাডেন ভুর্টেমব্যার্গে পাহাড়ের ৮৫৫ ফুট ওপরে হোয়েনসলার্ন দুর্গের অবস্থান।
000-000-017
ভার্টবুর্গ কাসল
ভার্টবুর্গ কাসলকে কেউ কেউ জার্মানির ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুর্গ বলে থাকেন। মধ্য জার্মানির আইজেনাখ শহরে ১০৬৭ সালে এ দুর্গ নির্মাণ করা হয়। রোমান সম্রাটের কোপানল থেকে বাঁচতে ১৫২১ সালে এই দুর্গেই আশ্রয় নিয়েছিলেন ক্যাথলিক সাধু মার্টিন লুথার। এখানে বসেই তিনি জার্মান ভাষায় নিউ টেস্টামেন্টের অনুবাদ করেন। ১৯৯০ সালে ইউনেস্কো ভার্টবুর্গ দুর্গকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে।
সূত্র : ডয়চে ভেলে

শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০১৪

ভ্রমণ বিলাসীদের জন্য সস্তা পৃথিবীর ১০টি ভ্রমণের নগরী

তুরস্ক/তুর্কী: তুর্কী উন্নয়নশিল দেশ সমুহের অন্যতম। কিন্তু দেশটির ভিতরে খরচাপাতি এখনো পুরাতন যুগেরই রয়েগেছে। কাজেই পুরাতন খরচে নতুনের স্বাদ নিতে ভ্রমণ বিলাসীদের নিকট তুর্কী হলো ২০১৩ সালের সবচেয়ে পছন্দের দেশ। গত দশবছরে দেশটির সরকারও অতিথিদের যথেষ্ট যত্নের সাথেই আপ্যায়ন করে এর হার প্রায় ৬৭% বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। দেশের এই ট্যুরিষ্টের সংখ্যা বৃদ্ধিতে সরকার গ্লোবাল বিমান পরিবহণেরও ব্যবস্থা করেছেন।

২) আমেরিকান উপসাগরীয় উপকূল:
- ভিসার ব্যবস্থা করতে পারলে কম খরচে আমেরিকার এই সমুদ্র অন্চলটি আপনি ঘুরে আসতে পারেন। এই অন্চলটিকে গাল্ফ সাউথ/ সাউথ কোস্ট অথবা থার্ড কোস্ট বলেও নাম করন করা হয়। অন্চলটি আমেরিকার টেক্সাস, লুসিয়ানা, মিসিসিপি, আলবানা এবং ফ্লোরিডাকে একত্রিত করে। এই অন্চলটিকে গাল্ফ স্টেটও বলা হয়। সমুদ্র উপকুলীয় হওয়ায় আমেরিকানরা তাদের বিভিন্ন ছুটি কাটানোর জন্য এই অন্চলে এসে ভীর জমায়। বিভিন্ন দৃষ্টিনন্দন ট্যুরিষ্ট স্পট এবং খাওয়া-দাওয়া, থাকা ভ্রমন খরচ অনেক সস্তা হওয়ায় এই অন্চলের ট্যুরিস্টের সংখ্যাও দিন দিন বেশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

৩) ইউক্রেন:
- ২০১৩ সালকে ইউক্রেনের ভাইটাল সাল হিসেবে ধরা হয়। এই বৎসর ট্যুরিষ্টের সংখ্যা এত বৃদ্ধি পেয়েছে যে আগামী ৪/৫ বৎসরের মধ্যে হয়তো দেশটি বিশ্বের এক নম্বর ট্যুরিষ্ট ডেস্টিনেসন হতে যাচ্ছে। দেশটি ভিজিট শেষে সবাই দেশটির উন্নত কালচার, লোকাল মানুষদের সুন্দর ব্যবহার কম খরচে থাকা খাওয়ার বেশ প্রশংসা করেছেন, ফলে দেশটিতে সামনে ভ্রমণ বিলাসীদের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাবে বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। গড় হিসেবে মোটামোটি ভালভাবে চলতে সব মিলিয়ে প্রতিদিন ৩০/৩৫$ খরচ হয়।

৪) কম্বোডিয়া:
- শুধুমাত্র কম খরচের জন্য নয় বরং লোকাল জনগনের চমৎকার আতিথেয়তা, চিত্তহারী সভ্যতা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য ট্যুরিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মুখে মুখে এখন দক্ষিন এশিয়ার এই দেশটির নাম। কিন্তু সামনের কয়েকবছরে দেশটিতে খরচের পরিমান বৃদ্ধি পেতে পারে, তাই যাদের মনে এই দেশটি ভ্রমন করার সুপ্ত বাসনা আছে তাদের জন্য উত্তম হবে ২০১৪ সালেই দেশটি ভিজিট করা।

৫) দক্ষিন কোরিয়া।
- এশিয়ার এই দেশটি বিগত কয়েক বছর ধরেই ভ্রমণ বিলাসীদের নিকট প্রিয় একটি দেশ। দেশটিতে যেমন ঘুরে মজা তেমনি মজা কেনা কাটায়। ছাত্র হোস্টেলের জন্য বিখ্যাত এই দেশটিতে সস্তায় উন্নত মানের হোটেল, খাওয়া ও ট্র‌্যান্সপোর্টসেবা মেহমানদের জন্য যেন স্বর্গ। দেশটির ট্যুরিষ্ট মন্ত্রনালয় বিদেশি অতিথিদের ফ্রি ট্যুরিষ্ট গাইড, ফ্রি সিটি ট্যুর সাটাল বাস এবং ২৪ ঘন্টা ফ্রি কথা বলার মোবাইল সিমের ও ব্যবস্থা করে থাকে। তবে আর দেরি কেন, যদি ভাবছেন এশিয়ার কোন উন্নত দেশে ট্যুর করবেন দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন দক্ষিন কোরিয়ার বিষয়ে।


৬) তাজমেনিয়া (অস্ট্রলিয়া)
- যারা দেশে দেশে ঘুরে বেড়ান তারা যদি এখনো তাজমেনিয়া ভ্রমণ না করে থাকেন তবে আপনার এখনই আপনার পরবর্তী গন্তব্য এই তাসনামিয়া হওয়া উচিত। তাজমানিয়ার ‘হোবার্ট’ এবং ‘ওল্ড-মিটস-নিউ হাবোর”
দ্বীপ দুটি বিখ্যাত দুটি ট্রাভেলস অরগানাইজেশন এর ট্রাভেল লিস্টের প্রথমে রয়েছে। TripAdvisor’s Travelers’ ২০১২ সালে এবং বিখ্যাত Lonely Planet ২০১৩ সালের শ্রেষ্ঠ ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেসন হিসেবে ঘোষণা করে তাজমেনিয়ার এই দ্বীপ দুটির নাম।


৭) ক্রোয়েশিয়া।
- সস্তায় ঘুরে বেরানোর জন্যে ক্রোয়েশিয়াও ভ্রমণ প্রেমিদের এক প্রিয় নাম। কিন্তু হয়ত বেশিদিন এই সুযোগ থাকবে না। সম্প্রতি তাদের ইউরোপিয় অন্চলে প্রবেশ করায় দেশটির অর্থনীতিতে হয়ত বড় পরিবর্তন নিয়ে আসবে। ফলে এই সংবাদটি ভ্রমণ বিলাসীদের জন্য খুব একটা সুখকর নয়। কাজেই কারো মনে ক্রোয়েশিয়া ভ্রমনের ইচ্ছা থেকে থাকলে তা যত দ্রুত সম্ভব পুর্ন করাই ভাল।


৮) শ্রিলন্কা:
- প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই লীলাভূমি দিন দিন আন্তর্জাতিক ভ্রমণবিলাসীদের নিকট বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে এখনো তেমনটা ভীড় হয়ে উঠে নি। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যথেষ্ট যোগাযোগের অভাব এবং নিরাপত্তার ভয় যদি না থাকত তাহলে দেশটি তার সৌন্দর্য দিয়ে আরো অনেক অতিথি টানতে পারতো। তবে কম বাজেটের দর্শকদের জন্য শ্রিলন্কা হতে পারে উত্তম ডেসটিনেসন।

৯) পানামা:
- পানামা তার খালের জন্য এতটাই বিখ্যাত যে শুধু এই খাল ভ্রমনেই প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ ট্যুরিষ্ট ছুটে আসে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। খালের কিছু অংশের খনন কাজ আগামী বছর শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এবং এটা শেষ হলে দেশটি আরো বেশি বেশি ক্রুজকে ওয়েলকাম করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। দেশটিতে লাক্সারি হোটেলের দৈনিক মুল্য মাত্র ১২০ ডলার যেখানে আমাদের দেশে লাক্সারি হোটেলের দৈনিক খরচ ৩০০/৪০০$।

১০) নিকারাগুয়া:
- সেন্ট্রাল আমেরিকার এই দেশটি তার প্রাকৃতিক সৌন্দের্যের কারনে সেন্ট্রাল আমেরিকার পরবর্তি শ্রেষ্ঠ পর্যটন অন্চল হিসেবে পরিচয় লাভ করতে যাচ্ছে। অবিশ্বাস্য প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ, ঘন জঙ্গল, চোখ ধাধাঁনো সমুদ্র সৈকত এবং অতি সস্তা থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে দিতে যাচ্ছে দেশটির অর্থনীতি। বলা হয়ে থাকে, নিউইয়র্কের একটি সস্তা মোটেলের খরচে নিকারাগুয়াতে আপনি লাক্সারিয়াস হোটেলে রাত্রিযাপন করতে পারেন। ভ্রমণ বিলাসীদের জন্য এর চেয়ে ভাল ব্যবস্থা আর কি হতে পারে।

 By on

পর্যটনে কয়েকটি সেরা শহর

পাতায়া
সমুদ্রতীরের ছিমছাম শহর পাতায়া ব্যাংকক থেকে মাত্র ২০০ কিলোমিটার দূরে। মূলত রাতের অাঁধারে জেগে ওঠা যে কয়টি শহর রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম এটি। রাতের গভীরতা যত বাড়ে, আলোর ঝলকানিও সেই সঙ্গে পাল্লা দেয়। তালে তালে চলে সংগীতের মূর্ছনা। পর্যটকের ভিড় ঠেলা দায়। নাইট ক্লাব, রেস্তোরাঁ, সমুদ্রের তীর_ সবকিছু একাকার। এককথায় অন্য এক জগৎ। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে মাত্র ২০০ কিলোমিটার দূরে পাতায়া। বাসে দু-তিন ঘণ্টায় পৌঁছে যেতে পারবেন। দেড়শ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভারের ওপর দিয়ে সোয়াশ’ কিলোমিটার গতিতে ছুটে চলবে বাস। সমুদ্রতীরের এই ছিমছাম শহরটি যেন বিনোদনের স্বর্গরাজ্য। ডিস্কো, পাব, গোগো ক্লাবগুলো সমুদ্র তীরজুড়ে সাজানো। আমাদের কঙ্বাজারের মতো বিশাল ঢেউ না থাকলেও বড় মোহনীয়। মনে হয় তীর দিয়ে শুধু হেঁটে বেড়াই। সমুদ্রের ভিতরে আছে বিশাল বিশাল নৌযান। সেগুলোর একেকটি যেন ছোট্ট শহর।
পাতায়া থেকে সমুদ্রের ভিতরে তাকালেই দেখা যায় অসংখ্য কোরাল দ্বীপ। সেগুলোও দৃষ্টিনন্দনভাবে সাজানো। সবুজের সমারোহের চারপাশে নীল জল। পাতায়া থেকে লাইট জাহাজযোগে যেতে পারেন তেমনই একটি দ্বীপ ‘কোলহার্ন’-এ। চারদিকে অসীম জলরাশির মধ্য দিয়ে ছুটে চলার রোমান্সই আলাদা। ‘কোলহার্ন’-এ কেউ কারও দিকে ফিরেও তাকায় না। কেউবা এরই মধ্যে সেরে নিচ্ছে সমুদ্রস্নান। সারাদিন ঘুরে সন্ধ্যার আগেই ফিরে আসা যায় পাতায়ায়। পাতায়ায় রয়েছে অসংখ্য হোটেল, রিসোর্ট, রেস্টহাউস। খাবার হোটেল নিয়েও ভাবতে হবে না। বেশ কয়েকটি বাংলা-ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট গড়ে উঠেছে। টাকিভর্তা থেকে শুরু করে নানা স্বাদের সামুদ্রিক মাছও পাওয়া যায়। আবাসিক হোটেলগুলোতে ভাড়া খুবই কম। পরিচ্ছন্ন ও ছিমছাম শহরে কটা দিন কিভাবে কেটে যাবে টেরই পাবেন না। এ ছাড়া ব্যাংকক থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে বিশাল এলাকা নিয়ে গড়ে উঠেছে একটি থিমপার্ক। বাঘ-সিংহ থেকে শুরু করে জিরাফ, গণ্ডার, ময়ূর, হরিণ, ভাল্লুকসহ হরেক জীবজন্তু আর পাখপাখালির যেন মেলা বসে সেখানে। ০০৭খ্যাত জেমস বন্ড সিরিজের চলচ্চিত্রের জীবন্ত প্রদর্শনী দেখা যাবে সাফারি ওয়ার্ল্ডে। সরাসরি আয়োজিত ৪৫ মিনিটের এই শো হলিউড সিনেমার নানা অ্যাকশন দৃশ্যে ভরপুর। বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের ভস্মীভূত হওয়ার দৃশ্য, আগুনে পুড়ে মানুষের কঙ্কাল হয়ে যাওয়া, সাগরের ভেতর দিয়ে দ্রুতগতিতে স্পিডবোটে হিরোইনের চলে আসা_ এ রকম অনেক আকর্ষণীয় বিষয় দিয়ে সাজানো হয়েছে সাফারি ওয়ার্ল্ড। তাই তো পাতায়াকে বলা হয় বিনোদনের স্বর্গরাজ্য।

বালি
ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম পর্যটন শহর বালি। মূলত বালি দ্বীপকে কেন্দ্র করেই এই শহরের সৃষ্টি। বালি হলো ইন্দোনেশিয়ার ৩৩তম প্রদেশ। প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অবকাশ যাপনের জন্য এই শহরে আসেন। বালির অপরূপ সৌন্দর্য মানুষকে বিমোহিত করে। তাই তো মানুষ প্রাণের টানে বারবার এখানে ফিরে আসে। এ শহর পর্যটকদের হৃদয়ের রানী বনে গেছে। আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা থাকায় পর্যটকদের ভিড় সবসময় লেগে থাকে। এ শহরের প্রধান আকর্ষণ হলো বালি দ্বীপ এবং এর সৌন্দর্য। আয়তন প্রায় ২২ হাজার বর্গমাইল আর লোকসংখ্যা প্রায় ৪০ লাখ। এ দ্বীপের পূর্ব ও পশ্চিম অংশ পাহাড় দ্বারা বেষ্টিত। এটি মূলত হিন্দুপ্রধান প্রদেশ। হিন্দুদের সংখ্যা প্রায় ৯০ ভাগ। বাকিরা মুসলিম, খ্রিস্টান ও অন্য ধর্মের।
বালিতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, পাঁচতারকা হোটেল, মোটেল, ক্যাসিনো, বারসহ সবকিছু রয়েছে। তাই যে কোনো ধরনের পর্যটক এ দ্বীপ সফর করতে পারে। এখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক ভালো। খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে বালি আবিষ্কৃত হয়। বালি মূলত ইন্ডিয়ান ও চাইনিজ কালচারে গড়ে উঠেছে। বালিকে আটটি রিজেন্সিতে ভাগ করা হয়েছে। বালিতে শহর বা সিটি আছে মাত্র একটি আর তা হলো ডেনপাসার, যা এ প্রদেশের রাজধানী। অন্য রিজেন্সি হলো জেমবারানা, টাবানা, বেডুং, জিয়ানইয়ান, কুলাংকুন, বানলি, কারানগাছেম, বুলেলেং ও ডেনপাসার। এখানকার অর্থনীতি পর্যটকের ওপর নির্ভরশীল। পর্যটক থেকেই আসে প্রায় ৮০ ভাগ বৈদেশিক মুদ্রা। বালির প্রধান পর্যটন কেন্দ্র হলো কুতা সমুদ্রসৈকত। এখানেই প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ বেড়াতে আসে।

সিঙ্গাপুর সিটি
বিশ্বের যে কয়েকটি শহর পর্যটনশিল্পের ওপর নির্ভর করে এগিয়ে যাচ্ছে তার মধ্যে সিঙ্গাপুর সিটি অন্যতম। প্রতিবছর কয়েক মিলিয়ন পর্যটক সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করেন। এখানে দেখার মতো যেসব পয়েন্ট বা স্থাপনা রয়েছে সেগুলোর মধ্যে নাইট সাফারি, মারলাওন পার্ক, সান্তোসা আইল্যান্ড অন্যতম। নাইট সাফারিতে গভীর রাতে জঙ্গলের ভিতরের নানান পশুপাখিদের মাঝ দিয়ে ট্রামে করে পর্যটকরা বিচরণ করেন। বাঘ, হরিণ, ভাল্লুক, হাতি, উট, কুমির এ সাফারির প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম। এ সাফারিতে পশুপাখিরা উন্মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ায়। মারলিন বা সিংহ-মৎস্য হচ্ছে সিঙ্গাপুরীদের গর্বের প্রতীক, বীরত্বের প্রতীক। কথিত আছে বহু আগে সিঙ্গাপুর যখন তেমাসেক বা সমুদ্রনগরী নামে পরিচিত ছিল তখন প্রচণ্ড এক সামুদ্রিক ঝড় ওঠে দ্বীপে। অধিবাসীরা যখন নিজেদের সঁপে দেয় ঈশ্বরের হাতে ঠিক তখনই সমুদ্র থেকে সিংহ-মৎস্য আকৃতির এক জন্তু এসে ঝড়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে বাঁচিয়ে দেয় অধিবাসীদের। আর সে থেকে মারলিন নামের সিংহ-মৎস্য সিঙ্গাপুরীদের গর্ব আর বীরত্বের প্রতীক। মারলিনের মূর্তি ম্যারিনা বে-এর মারলাওন পার্কে অবস্থিত। আর সান্তোসা আইল্যান্ড হলো সমুদ্রের মাঝে ছোট এক দ্বীপে গড়ে তোলা বিনোদন কেন্দ্র।

প্যারিস
শিল্প ও সাহিত্যের শহর প্যারিস। শহরের মাঝখানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে আইফেল টাওয়ার। মূলত এই টাওয়ারকে কেন্দ্র করেই পর্যটন ব্যবসা ঘুরপাক খাচ্ছে এ শহরের। এ ছাড়া দেখার মতো এই শহরে প্রাচীন সভ্যতা থেকে শুরু করে আধুনিক সভ্যতার অনেক স্থাপনা রয়েছে। বিশেষ করে মধুচন্দ্রিমা উদযাপনের জন্য নবদম্পতিদের কাছে পছন্দের তালিকায় এ শহরের অবস্থান শীর্ষে। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে গেছে আইফেল টাওয়ার। বিশ্বের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র এটি। আইফেল টাওয়ারটি স্থাপনা নির্মাণের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনাই বটে। ১৮৮৭ সালে ফ্রান্স সরকার যখন ফরাসি বিপ্লবের শতবার্ষিকী পালনের তোড়জোড় করছিল তখন সে ঘটনাটিকে স্মরণীয় এক নিদর্শনে ধরে রাখার জন্যই এই প্রতীক মিনারটি তৈরির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল তারা। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ১৮৮৯ সালের ৩১ মার্চে মাত্র দুই বছর, দুই মাস, দুই দিনে টাওয়ারটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল। এত উঁচু আর এমন আকৃতির টাওয়ার বানাতে খুবই কম শ্রম ব্যয় করা হয়েছে। টাওয়ারটিতে আছে অর্ধবৃত্তাকার চারটি তোরণ। ওঠানামার জন্য আছে কয়েকটি লিফট। সাত হাজার টন ওজনের এ স্থাপনাটিতে সিঁড়ি আছে এক হাজার ৭৯২টি।

 কাঠমান্ডু
কাঠমান্ডু শহর প্রকৃতপক্ষে তিনটি শহর নিয়ে গড়ে উঠেছে। কাঠমান্ডু, ভক্তপুর ও পাটন বা ললিতপুর। ললিতপুর হলো নেপালের প্রাচীন রাজবংশের আবাসস্থল। ১২০০ শতকের রাজপ্রাসাদ ও অভিজাতদের প্রাসাদসহ পুরো এলাকাটি পর্যটকদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। এখানে কোনো আধুনিক স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধ। কাঠমান্ডুতে দেখার মতো যে কটি মন্দির রয়েছে তার মধ্যে বুদ্ধনাথ বা বোধনাথ মন্দির অন্যতম। এটি কাঠমান্ডুর অন্যতম পবিত্র জায়গা। ধবধবে সাদা মূল মন্দিরটি ঘিরে অসংখ্য উপাসনালয় এবং দোকান রয়েছে। চারদিকে পায়রা দিয়ে ভরা। একসঙ্গে দল বেঁধে উড়ে বেড়ায় এবং দর্শনার্থীরা খাবার দিলে মারামারি করে খায়। অন্যদিকে পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্য রয়েছে বালাজি ওয়াটার গার্ডেন। রয়েছে সাউথ এশিয়ার অন্যতম বিখ্যাত বৌদ্ধমন্দির শম্ভুনাথ স্তূপাতে। এটা মাংকি টেম্পল নামেও সুপরিচিত। অন্যদিকে নগরকোটের রিসোর্টে সবাই যায় শুধু সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয় দেখতে।


স্পেনস সিয়েস
স্পেনের সিয়েস দ্বীপপুঞ্জের সমাহারকে বলা হয় লাস আইসল্যান্ড সিয়েস। বিশ্বের সেরা পর্যটনকেন্দ্রের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে এই দ্বীপপুঞ্জ বা ছোট্ট এই শহর। বিনোদন, প্রমোদ ও অবকাশের সবকিছুই রয়েছে এখানে। আনন্দ উল্লাস করতে করতে কখন যে সময় দিন পার হয়ে যাবে তা টেরই পাওয়া যাবে না। স্থানীয় ভাষায় এ দ্বীপপুঞ্জকে ‘লাস আইসল্যান্ড সিয়েস’ বলা হয়। স্পেনের উত্তর-পশ্চিমে গ্যালিসিয়ায় এ দ্বীপপুঞ্জে তিনটি দ্বীপ আছে- মন্টেগিউদো, দো ফারো ও সান মার্টিনো। মন্টেগিউদোকে শার্প মাউন্ট কিংবা উত্তর দ্বীপও বলা হয়ে থাকে। অন্যদিকে দো ফারোকে লাইটহাউস দ্বীপ ও দক্ষিণ দ্বীপ নামেও ডাকা হয়। মন্টেগিউদো সৈকতকে ‘মোস্ট বিউটিফুল বিচ অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নাম দেওয়া হয়েছিল। প্রায় ২০০ বছর আগে এসব দ্বীপে মানুষ বসবাস করত। কিন্তু কোনো একসময় দ্বীপগুলো জলদস্যুর আক্রমণে মানবশূন্য হয়ে যায়। এরপর ১৯৮০ সালে এ দ্বীপপুঞ্জ বসতিবিহীন ন্যাশনাল পার্ক নামে সংরক্ষিত প্রকৃতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সারা বছরই এখানে ঢল নামে পর্যটকের। তবে গ্রীষ্মকালে সবচেয়ে বেশি ভিড় পরিলক্ষিত হয়। ফিরোজা রঙের স্ফটিক স্বচ্ছ পানি আর ধবধবে সাদা বালুকারাশি যে কাউকে টেনে আনে এ সৈকতে। তবে ১৯৯২ সাল থেকে এ সৈকতে মাছ এবং ১৯৮৮ সাল থেকে পাখি শিকার নিষিদ্ধ করা হয়। প্রাকৃতিক এ সৈকতে প্রকৃতিগতভাবেই বেড়ে উঠেছে ঝোপঝাড়। কাঁটাওয়ালা চিরহরিৎ গুল্ম, খাড়া ডালওয়ালা গুল্মসহ বিভিন্ন লতাপাতায় ঢাকা ঝোপঝাড় এ সৈকতের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। আছে ওক, ডুমুর, পাইন ও ইউক্যালিপটাস। প্রতিবছর লাখ লাখ পর্যটক এখানে আসেন অবকাশ কাটাতে। এদের বেশির ভাগই গ্রিস, ফ্রান্স ও ইতালির। করপোরেট হাউসের বার্ষিক সভাও অনুষ্ঠিত হয় এখানে।

আগ্রা
যে কয়টি স্থাপত্যের ওপর ভারতের পর্যটনশিল্প দাঁড়িয়ে, সেগুলোর মধ্যে তাজমহল অন্যতম। আর এই তাজমহলকে ঘিরে জমজমাট হয়ে থাকে আগ্রা শহরটি। তাজমহল ছাড়া প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সভ্যতার অনেক নিদর্শন রয়েছে এই শহরে। তারপরও সবার দৃষ্টি থাকে সম্রাট শাহজাহানের তৈরি এ স্থাপত্যের দিকে। কেউ কেউ তাজমহলকে ভারতের পর্যটন শিল্পের মেরুদণ্ডও বলে থাকেন। ভারতে ঘুরতে এলে ভ্রমণপিপাসুদের কাছে প্রথম পছন্দ থাকে তাজমহল। বিশেষ করে নতুন বিবাহিতদের কাছে সৌধটির আকর্ষণ অন্যরকম। এ কারণে আগ্রার সঙ্গে দেশের সব শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি ঘটানো হয়েছে। এ ছাড়া দিল্লি থেকে সড়কপথের দূরত্ব খুব একটা বেশি না হওয়ায় বাইরের পর্যটকরা আগ্রায় ভিড় করেন বেশি। অন্যদিকে তাজমহলের কাছাকাছি এলাকায় মোগল স্থাপত্য ও দুর্গ রয়েছে। রয়েছে সম্রাট আকবরের বিলাসবহুল দুর্গ। মোগল সম্রাট শাহজাহান তার স্ত্রী আরজুমান্দ বানু বেগম যিনি মমতাজ নামে পরিচিত, তার স্মৃতির উদ্দেশে এ অপূর্ব তাজমহল নির্মাণ করেন। সৌধটি নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৬৩২ খ্রিস্টাব্দে যার কাজ সম্পন্ন হয় প্রায় ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে। তাজমহল ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। এটি তৈরি হয়েছে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী নকশার ওপর, বিশেষ করে পারস্য ও মোগল স্থাপত্য অনুসারে। তাজমহল ঘুরতে গেলে যে বিষয়টি মনে রাখা জরুরি তা হলো- দেশীয় পর্যটক ও বিদেশি পর্যটকদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্রবেশ মূল্য রাখা আছে। এ ছাড়া আগ্রার বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন স্থাপনা, যা মোগল সম্রাটদের স্থাপত্যের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।

কক্সবাজার
কক্সবাজার। এ শহর সম্পর্কে আর নতুন করে কিছু বলার নেই। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের জন্য এর পরিচিতি বিশ্বব্যাপী। কক্সবাজার নামটি এসেছে ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স নামে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির এক অফিসারের নাম থেকে। কক্সবাজারের আগের নাম ছিল পালংকি। এ শহর তার নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। প্রতিবছর দেশ-বিদেশের লাখ লাখ পর্যটক এ শহরে আসেন। দেখার মতো এই শহরে রয়েছে বৌদ্ধমন্দির, ইনানি বিচ, হিমছড়ি, সাফারি পার্ক ইত্যাদি। কক্সবাজার শহর থেকে নৈকট্যের কারণে লাবণী বিচ কক্সবাজারের প্রধান সমুদ্রসৈকত বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া হিমছড়ি কক্সবাজারের ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। ভঙ্গুর পাহাড় আর ঝরনা এখানকার প্রধান আকর্ষণ। তবে পর্যটকদের কাছে সমুদ্রসৈকতের আকর্ষণ শীর্ষে। সৈকতটি কক্সবাজার শহর থেকে বদরমোকাম পর্যন্ত একটানা বিস্তৃত। পর্যটনশিল্পকে কেন্দ্র করে এখানে গড়ে উঠেছে অনেক প্রতিষ্ঠান। বেসরকারি উদ্যোগে নির্মিত অনেক হোটেল, বাংলাদেশ পর্যটন কেন্দ্র নির্মিত মোটেল ছাড়াও সৈকতের নিকটেই রয়েছে পাঁচতারা হোটেল।

সোমবার, ১২ মে, ২০১৪

সারা পৃথিবী ভ্রমনের জন্য দরকারী ১৫ টি টিপস জানুন

নিজের দেশ হোক, মিশরের পিরামিড হোক অথবা নায়াগ্রার জলপ্রপাত হোক – যেখানেই আপনি ভ্রমণ করুন না কেন, আপনার ভ্রমণ সুন্দর, নির্মল এবং ঝামেলামুক্ত রাখতে হলে আপনাকে আগে থেকেই বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে এবং নানা তথ্য সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে। তাই আজকে আপনাদের জানাব পনেরটি ভ্রমণ বিষয়ক দরকারী টিপস।

১. হোটেলের টিভির ইউএসবি পোর্ট থেকে মোবাইল চার্জ করুন। সচরাচর অনেক হোটেলের টিভির সাইড অংশে ইউএসবি পোর্ট থাকে, যেখান থেকে মোবাইল চার্জ দেওয়া সম্ভব এবং একটি ভ্রমণে মোবাইল অন থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয়।
২. পাওয়ার অ্যাডাপ্টার সঙ্গে রাখুন। যে কোন জায়গাতে ব্যবহার করা যায় এমন অ্যাডাপ্টার সাথে রাখুন। এই ধরনের অ্যাডাপ্টার সচরাচর বিমানবন্দরের দোকানগুলোতে পাওয়া যায়।
৩. ওয়াই-ফাই কানেকশন থাকলে চলাফেরা-নির্দেশক স্কীনশট রাখুন। আপনি কিভাবে, কোথায় ঘুরছেন সেসবের স্কীনশট রাখা থাকলে আপনি আপনার মূল্যবান ডাটা ব্যবহার না করেই ভ্রমণের খুঁটিনাটি সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন।
৪. ওয়ালপেপার সিটি গাইড কিনে রাখুন। ওয়ালপেপার সিটি গাইডে খুব যত্ন সহকারে যেকোন শহরের দর্শনীয় স্থান, রেস্টুরেন্ট সম্পর্কে তথ্য দেওয়া থাকে। এই গাইডবুক বহনে আরামদায়ক এবং এটি দেখতেও সুন্দর।
৫. গাইড অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে রাখুন। প্রায় তিন ডলারের বিনিময়ে গাইড অ্যাপ নিতে পারেন, ফলশ্রুতিতে প্রতিনিয়ত গাইড টিপস পাবেন এই অ্যাপ থেকে।
৬. ভ্রমণ সংক্রান্ত ওয়েবসাইটেও চোখ রাখুন। unlike.net নামক সাইটটি থেকে আপনি যেকোন ভ্রমণ বিষয়ক তথ্য পেতে পারবেন। যেকোন শহর, দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে জানতে এই সাইটে সার্চ দিলেই তথ্য পেয়ে যাবেন।
৭. একাধিক শহরে ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে এয়ারলাইন্সের টিকেট অগ্রিম বুক করে রাখুন। কায়েক এবং স্কাইস্ক্যানার সার্চ ইঞ্জিন দিয়ে টিকেটের রেট সম্পর্কেও জানতে পারবেন।
৮. বড় ব্যাগ অথবা একাধিক ব্যাগ বহন পরিহার  করুন। বড় লাগেজ বিমানবন্দরে চেকিং করতে প্রচুর অর্থ খরচ হতে পারে। যেমন অতিরিক্ত প্রতি কিলোগ্রাম ওজনের জন্য ২০ ডলার খরচ হতে পারে। সুতরাং, অতিরিক্ত ওজনের ব্যাগ বহন থেকে সাবধান।
৯. ব্যাগ চেকিং এর যে খরচ তা অনলাইনে অ্যাডভান্সে পে করলে খরচ কিছুটা কমানো সম্ভব।
১০. যে দেশে ভ্রমণ করবেন সেদেশের টিপস দেওয়া বিষয়ে জ্ঞান রাখুন। রেস্টুরেন্ট, হোটেল, ট্যাক্সি এইসব ক্ষেত্রের টিপস বিভিন্ন দেশ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হয়।
১১. ইন্টারন্যাশনাল ডাটা প্ল্যান নিয়ে রাখুন। প্রিপেইড প্ল্যান ব্যতীত ডাটা রোমিং করলে প্রচুর বিল আসার সম্ভাবণা প্রবল। ১০০ মেগাবাইট ডাটা কিনে নিলেই মাঝে মাঝে মেইল চেক এবং অন্যান্য সাইটও অতি সহজেই ঘুরে নিতে পারবেন। ১২০ মেগাবাইট ৩০ ডলার অথবা ৩০০ মেগাবাইট কিনতে পারেন যা আপনার পুরো মাস কভার দিয়ে দিবে।
১২. কত ডাটা ব্যবহার করছেন সেটা খেয়াল রাখুন। ১০০ মেগাবাইট ডাটা হালকা ইউজের জন্য ভালো কিন্তু ভারী ব্যবহারের জন্য নয়। তাই অবশ্যই ভ্রমণের সময় আপনি কত ডাটা ব্যবহার করলেন, কত উদ্ধৃত থাকলো সেটা খেয়াল করুন।
১৩. কে চায় মাসে অতিরিক্ত ২৫ বা ৩০ ডলার অযথা খরচ করতে। সুতরাং বাড়িতে ফিরেই ইন্টারন্যাশনাল ডাটা প্ল্যান বন্ধ করুন তা না হলে আপনার প্রতি মাসে ডাটা প্ল্যান বাবদ অর্থ খরচ হবে।
১৪. যে কোন দেশে ভ্রমণের জন্য লোকাল কারেন্সি লাগে যেটা এয়ারপোর্ট বা হোটেল থেকে নিতে হয়। এই ব্যাপারে নিশ্চিত হোন এবং লোকাল কারেন্সি পেতে যে ফি লাগে সেটা সম্পর্কেও জ্ঞান রাখুন।
১৫. আপনি যে ব্যাংকে লেনদেন করবেন অথবা যে ক্রেডিট কার্ড ইউজ করেন, সেই ব্যাংক অথবা ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিকে আপনার ভ্রমণ বিষয়ে জানিয়ে রাখুন। ফলশ্রুতিতে তারা সন্দেহপ্রবণ হবে না, এমনকি এটিএম কার্ড বাজেয়াপ্ত করারও সম্ভাবনা থাকবে না।

কুমিল্লার ডাক ডেস্ক

ভিসা ছাড়াই বিদেশ ভ্রমনের সুযোগ !

এমন কিছু দেশ আছে যেখানে যেতে ভিসার প্রয়োজন নেই, শুধু বাংলাদেশের পাসপোর্ট থাকলেই ঘুরে আসতে পারেন অনাআসে । আর এমন কিছু দেশ আছে যেখানে ল্যান্ড করার পরে এয়ারপোর্ট থেকে (on arrival) ভিসার প্রয়োজন হয়, তবে কোন কোন দেশের ক্ষেত্রে শুধু ফি দিলেই ঘুরে আসতে পারেন আনাআসে ।

যেসব দেশে ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে

ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে-  ভুটান (যত দিন ইচ্ছা), শ্রীলংকা (৩০ দিন), আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কেনিয়া (৩ মাস), মালাউই (৯০ দিন), সেশেল (১ মাস), আমেরিকা মাহাদেশের মধ্যে ডোমিনিকা (২১ দিন), হাইতি (৩ মাস), গ্রানাডা (৩ মাস), সেন্ট কিট্‌স এ্যান্ড নেভিস (৩ মাস), সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস), টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন), মন্টসের্রাট (৩ মাস), ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন), ওশেনিয়া মাহাদেশের মধ্যে ফিজি (৬ মাস), কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন), নাউরু (৩০ দিন), পালাউ (৩০ দিন), সামোয়া (৬০ দিন), টুভালু (১ মাস), নুউ (৩০ দিন), ভানুয়াটু (৩০ দিন) এবং মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন) অন্যতম।


যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে

যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে এশিয়ার মধ্যে আজারবাইজান (৩০ দিন, ফি ১০০ ডলার), জর্জিয়া (৩ মাস), লাউস (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার), মালদ্বীপ(৩০ দিন), মাকাউ (৩০ দিন), নেপাল (৬০ দিন, ফি ৩০ ডলার), সিরিয়া (১৫ দিন), পূর্ব তিমুর (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার), আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে বুরুন্ডি, কেপ ভার্দ, কোমোরোস, জিবুতি (১ মাস, ফি ৫০০ জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক), মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ), মোজাম্বিক (৩০ দিন, ফি ২৫ ডলার), টোগো (৭ দিন, ফি ৩৫,০০০ এক্সডিএফ) এবং উগান্ডা (৩ মাস, ফি ৩০ ডলার)।

তবে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট রওনা হবার সময় কিছু  অফিসার ভিসা নেই বা আপনার সমস্যা হবে এই মর্মে হয়রানি করতে পারে । কেউ এসব দেশে বেড়াতে যেতে চাইলে টিকিট কেনার সময় আরো তথ্য জেনে নিবেন ভালোভাবে ।

মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০১৪

অপেক্ষা: সৌন্দর্যের রাজ্য

খুব যে ঘুরেছি এক জীবনে তা নয়। তবে স্বপ্ন দেখতে বাধা কোথায়? কখনো হাতে টাকা হলে এবং সামর্থ্য থাকলে কোথায় কোথায় যাবো, অনেক ভেবেছি। এ ভাবনা যেন শেষ হবার নয়! হিমালয়ের বরফের রাজ্য থেকে ইউরোপের অপরূপ মধ্যযুগীয় স্থাপত্য ঘুরে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন বা আমাজনের গভীর অরণ্য-কোন কিছুই স্বপ্ন থেকে বাদ পড়ে না। এমন কিছু জায়গার কথাই আসবে এ পোস্টে, যেখানে একবার অন্তত যেতে চাই।
গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ:

এক যে ছিল কোরাল। সেই প্রাণী, তার সমস্ত বংশধর মিলে ছয় লাখ বছর ধরে বুনে চললো এক বিশাল স্থাপনা। তারা হয়তো কোনদিন দেখলো না, কী অপরূপ সৃষ্টি গড়েছে,কিন্তু, আমার মতো মানুষেরা এর সৌন্দর্যে ছুটে যেতে চায় পৃথিবীর দূর প্রান্ত থেকে।
২৬০০ কি.মি. এই রীফের উপর নির্ভর করে বাঁচে ১০০০০ প্রজাতির জীব।
একটা প্রাণী ও তার সমস্ত বংশধরেরা লাখ বছর ধরে গড়ে চললো এই রীফ, আমি এই মহান সৃষ্টি না দেখে থাকবো, ভাবতে পারি না।
গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন:

পাথুরে প্রাচীরে শো শো করে বয়ে চলা বাতাস আর বহু নিচে বয়ে চলা কলোরাডো নদী যেন মনে করিয়ে দেবে পৃথিবীটা কত্ত পুরনো। ১৭ মিলিয়ন বছর ধরে বয়ে চলা নদী পৃথিবীর বুক চিরে বসে গেছে মাইল-খানেক গভীরে।
গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের কোটি বছর পুরনো নদী, বয়ে চলা বাতাস আর নিস্তব্ধতা যেন একাকীত্বকে করে তুলতে পারে অনেক বেশি আপন।
ভেনিস:


১১৮ টা ছোট্ট দ্বীপের মাঝে দিয়ে বয়ে চলা অসংখ্য খাল আর দ্বীপগুলোকে সংযোগ করা অসংখ্য ব্রিজ: একটাই অসাধারণ শহর, ভেনিস। আমি কল্পনায় দেখতে পাই, একটা নৌকায় করে শহরের খালগুলোতে ঘুরে বেড়ানো, গভীর রাতে ঘরের পেছনে পানিতে পা ডুবিয়ে বসে থাকা, স্রোতধারায় ভেসে যাওয়া সমগ্র ভাবনা।
বাড়তে থাকা জলরাশি শহরটাকে ডুবিয়ে দেয়ার আগেই যেতে চাই ভেনিস-এ।
মাচু পিচু:

প্রায় আড়াই হাজার মিটার পর্বতের উপরে অবস্থিত এক অপূর্ব শহর, চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্য, বিস্ময়কর স্থাপনা, কৃষিকাজের মানানসই ব্যবস্থা-প্রতিটি জিনিসে যেন ইনকা সভ্যতার বুদ্ধিমত্তার প্রগাঢ় ছাপ। ছয়শ বছর আগে এমন উঁচু স্থানে এমন অসাধারণ স্থাপনা যারা নির্মাণ করেছেন, তাদের সভ্যতা হিংসা করার মতো এগিয়ে ছিল বাকী পৃথিবী থেকে।
চারদিকে ঘুরতে থাকা ধোঁয়াটে কুয়াশার মাঝে হারিয়ে যেতে চাই হারানো সভ্যতার অপরূপ শহরের অলিগলিতে।
কাশ্মীর:


কাশ্মীর নামের সাথে সাথে চোখে ভেসে ওঠে যুদ্ধে আহত এক বিশাল এলাকার কথা। পৃথিবীর বুকে তাকে নিয়ে টানাটানি করা তিন দেশের যুদ্ধের দামামার মাঝে হারিয়ে যায় তার সৌন্দর্যের গল্পগাথা।
যতদূর চোখ যায় পাহাড়-সারি, টলটলে পানির লেক, রঙিন ফুলের বাগান, সবুজের সমারোহ, শীতের তুষারশুভ্র প্রান্তর-পৃথিবীর সব সৌন্দর্য যেন জমা হয়েছে এখানে এসে।
পৃথিবীর মাঝে “এক টুকরো স্বর্গ” কাশ্মীর দেখে চোখ জুড়ানোর বড্ড ইচ্ছে হয়।
আমি জানি না, এর মাঝে কোথাও যেতে পারবো কি না। কিন্তু, স্বপ্ন দেখে যাই, নিশ্চয়ই যাবো। মন ভরিয়ে, চোখ জুড়িয়ে উপভোগ করবো প্রকৃতির সৌন্দর্য।
ছবি: ইন্টারনেট
[পরবর্তী পর্বে আরো কিছু এমন আরো জায়গার কথা বলতে চাই, যদি পাঠক পড়তে চায়।]
এই পোস্টটি ব্লগারের ৫০তম পোস্ট। প্রত্যেক পাঠককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, যাদের কারণে ব্লগিং এর উৎসাহ পাই।
পোস্টটি টুইটার কিংবা ফেইসবুকে শেয়ার করার জন্য শর্টলিঙ্ক: http://shorob.com/?p=7582

শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

পৃথিবীর বিখ্যাত সব ভাস্কর্য

মূল লেখার লিংক
পৃথিবীর বিখ্যাত সব ভাস্কর্য
ভাস্কর্য কারুশিল্পের একটি অনন্য শাখা। সাধারণত কাদামাটি, সিরামিক, বিভিন্ন রকম ধাতু, কাঠ, পাথর খোদাইয়ের মাধ্যমে ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়। তবে আধুনিক ভাস্কর্যগুলো তৈরিতে নতুন নতুন উপকরণ ও পদ্ধতি সংযোজন হচ্ছে। বর্তমানে ওয়েল্ডিং ও ঢালাইয়ের পদ্ধতিও ব্যবহার করা হচ্ছে।
প্রাচীন সংস্কৃতিতে ভাস্কর্য নির্মাণে কাদামাটির তুলনায় কাঠ ও পাথরের ব্যবহার ছিল বেশি।
অনেক ধর্মে ভাস্কর্যকে উপাসনার একটি উপকরণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়াও ভাস্কর্য ভিন্ন ভিন্ন দেশের সংস্কৃতির প্রতিফলন হিসেবে কাজ করে। প্রাচীন ভূ-মধ্যসাগরীয় এলাকার সাংস্কৃতিক উপাদান হিসেবে ভাস্কর্যকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হতো। তাছাড়া ইন্ডিয়া, চীন, আফ্রিকা ও সাউথ আমেরিকায়ও ভাস্কর্যের বেশ কদর রয়েছে।
পাশ্চাত্যে ভাস্কর্য তৈরির ধারণা মূলত প্রাচীন গ্রিস থেকে এসেছে। তবে মধ্যবর্তী সময়ে প্রদর্শিত ভাস্কর্যগুলোতে প্রধানত খ্রিস্ট ধর্মীয় বিশ্বাস ও অনুভূতি তুলে ধরা হয়েছে এসব ভাস্কর্যে।
আধুনিক ভাস্কর্য নির্মাণে আগের তুলনায় আকৃতি ও বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তন এসেছে। উপকরণ ব্যবহারেও এসেছে বৈচিত্র্য।
ভাস্কর্যের রকমসকম
ভাস্কর্য বিভিন্ন রকমের হয়। এগুলোর মধ্যে একটি হলো মূর্তি। এর গঠন স্বতন্ত্র। ভাস্কর্য নির্মাণের একটি পদ্ধতি হচ্ছে রিলিফ। এর রয়েছে বিভিন্ন ধাপ। যেমন, বেজ রিলিফ, হাই রিলিফ এবং মিড রিলিফ।

এখানে একটি সমতল ভিত্তির ওপর কোনো দৃশ্য সম্বলিত ঘটনাকে তুলে ধরা হয়। তা হতে পারে কোনো প্রতিমূর্তি, প্রাকৃতিক দৃশ্য, জ্যামিতিক নকশা বা ধর্মীয় নিদর্শন। এই দৃশ্যেও প্রতিটি চরিত্র ও উপাদানকে বিভিন্ন উপকরণ- যেমন, কাদামাটি, ধাতুজাত দ্রব্য প্রভৃতি দিয়ে তৈরি করে সমান প্রস্তরের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।
বিশ্ববিখ্যাত ভাস্কর্য
মোয়াই
মোয়াই পৃথিবীর বিখ্যাত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে অন্যতম। মোয়াই শক্তিশালী জীবসত্তার প্রতিমূর্তি। এই ভাস্কর্যগুলো পৃথিবীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ইস্টারে রয়েছে। এগুলো পলেনেশীয় কোলোনাইজাররা ১২৫০ থেকে ১৫০০ খ্রিস্টব্দের মধ্যে তৈরি করেছেন।
সবচেয়ে উঁচু মোয়াইকে ‘পেরো’ বলা হয় । এটি ৩৩ ফুট লম্বা। ওজন ৭৫ টন। ইউরোপিয়ানরা এ অঞ্চলে আসার পরও ভাস্কর্যগুলো ছিল।  কিন্তু ক্ল্যানদের সঙ্গে বিরোধ হওয়ার পর সেগুলোর বেশির ভাগই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৫০টি মোয়াই বিভিন্ন জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার
খ্রিস্টান ধর্মের নিদর্শন হিসেবে ক্রাইস্ট দ্য রিডিমারের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। যিশু খ্রিস্টের ভাস্কর্য ‘ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার’ ব্রাজিলের জেনেরিওতে  করকোভাডো পর্বতের চূড়ার ৭০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।

এটি উত্তর উপসাগরের অভ্যন্তরীণ গুয়ানাবারা অঞ্চল থেকে দৃশ্যমান। ৯.৫ মিটার (৩১ ফুট) স্তম্ভমূলসহ এ ভাস্কর্যটির দৈর্ঘ্য ৩৯.৬ মিটার অর্থাৎ ১৩০ ফুট। এটি ৩০ মিটার অর্থাৎ ৯৮ ফুট প্রশস্ত। ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার বিশ্বের উঁচু ভাস্কর্যগুলোর মধ্যেও একটি।  তবে বলিভিয়ার ‘ক্রিস্টো ডি লা কনকর্ডিয়া’ এর চেয়েও কিছুটা উঁচু।
স্ট্যাচু অব লিবার্টি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার একশ’ বছর পূর্তিতে ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্রকে উপহারস্বরূপ ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ নামক ভাস্কর্যটি দেয়। বিশ্বমানের খ্যাতনামা এ ভাস্কর্য লিবার্টি আইল্যান্ডে স্বগর্বে দাঁড়িয়ে আছে। এটি আলোক বিচ্ছুরিত মুকুট পরা একটি নারী প্রতিমা। সমস্ত শৃঙ্খলকে পদদলিত করে ডান হাতে মশাল উত্তোলন করে আছে। ফ্রান্সে এই ভাস্কর্যের নির্মাণ কাজ ১৮৮৪ সালের জুলাই মাসে শেষ হয়। সে বছরই তা নিউইয়র্কে পাঠানো হয়। ১৮৮৬ সাল থেকে জেট এজ পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ প্রবাসীদের কাছে প্রথম আকর্ষণ ছিল এই স্ট্যাচু অব লিবার্টি।
গ্রেট স্ফিংস
স্ফিংস বিশ্বের বৃহৎ ও প্রাচীনতম ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে একটি। এটি মিশরের কায়রোর গিজা মালভূমিতে অবস্থিত। তবে এ ভাস্কর্যেও প্রতিমূর্তিটি কার, কবে নির্মাণ করা হয়েছে, কারা তৈরি করেছে-  তা নিয়ে মতপার্থক্য  রয়েছে।

এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় একপ্রস্তর বিশিষ্ট স্তম্ভ। তবে বহু বছরের সাক্ষ্যপ্রমাণ ও পর্যালোচনার ওপর ভিত্তি করে আধুনিক ইজিপটোলজিস্টরা ধারণা করেন, সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ অব্দে ফারাও খাফরি এটি নির্মাণ করেন।
নেমরুত পর্বত
দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কের আদিয়ামান শহরে নেমরুত নামে একটি পাহাড় রয়েছে। এর উচ্চতা ২১৩৪ মিটার অর্থাৎ ৭০০১ ফুট। খ্রিস্টপূর্ব ৬২ অব্দে রাজা অ্যন্টিওসাস ও থিওস এই পাহাড়ের চূড়ায় উপাসনালয় এবং সমাধি নির্মাণ করেন। সেখানে তিনি বিপুল সংখ্যক মূর্তি নির্মাণ করেন।
এগুলোর উচ্চতা ২৬ থেকে ৩০ ফুট। এ ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে তার নিজের প্রতিমূর্তিসহ রয়েছে দুটো সিংহ, দুটো ঈগল এবং অনেক গ্রিক ও ফরাসি দেব-দেবীর মূর্তি। এসব মূর্তি নির্মাণের পর থেকেই এদের মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আশেপাশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। নেমরুত পাহাড়ের মূল আকর্ষণ এর পূর্ব দিক থেকে সূর্য ওঠার দৃশ্য দেখা। যখন ভাস্কর্যগুলোর শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন মাথাগুলোর ওপর কমলা রঙের আলো পড়ে তখন সমস্ত জায়গাটাকে অদ্ভুত রহস্যময় মনে হয়।
ওলমেক হেডস
ওলমেক প্রাক কলোম্বিয়ান সভ্যতার অধিবাসী। তারা দক্ষিণ মধ্য মেক্সিকোর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় নিচু ভূমিতে বসবাস করে। খ্রিস্টপূর্ব ১৪০০ থেকে ৪০০ অব্দে ওলমেক সভ্যতা বিস্তৃতি লাভ করে। তারা সবসময় মাথায় ভারী হেলমেট পরতো। তারা মাথাকে শাসকের প্রতিকৃতি বলে মনে করতো।
তাদের এই শিরণাস্ত্রর আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য ছিল। এগুলো নানা ধরনের উপকরণ দিয়ে অলংকৃত করা হতো। এ ধরনের ১৭টি প্রকাণ্ড শিরণাস্ত্র পরিহিত মাথা পাওয়া গেছে। এগুলোর সাইজ ৩.৪ মিটার থেকে শুরু করে ১.৪৭ মিটার পর্যন্ত।
লায়নস অব ডেলোস
গ্রিসের ডেলোস দ্বীপ উল্লেখযোগ্য পৌরাণিক, ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে খ্যাত। গ্রিক পুরাণ অনুসারে এটি গ্রিক দেবতা অ্যাপোলো ও আর্টিমিসের জন্মস্থান। এখানকার সিংহের ভাস্কর্যগুলো  খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে নির্মিত। নেক্সাসের মানুষ এগুলোকে অ্যাপোলোর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছে।
এখানে মার্বেলের তৈরি ৯ থেকে ১২টি সিংহ প্রধান পথের অভিমুখে রাখা ছিল। এগুলোর মধ্যে ৫টি এখনো সুরক্ষিত। তিনটির ভগ্নাংশ পড়ে আছে। এছাড়া আবহাওয়ার কারণে ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া ভাস্কর্যগুলো ১৯৯৯ সালে ডেলোসের প্রত্নতাত্ত্বিক  জাদুঘরে সংরক্ষিত হয়।
লিটল মারমেইড
ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে রয়েছে ‘দ্য স্ট্যাচু অব লিটল মারমেইড’। এটি আকারে  অন্য ভাস্কর্যের চেয়ে  অপেক্ষাকৃত ছোট। তাই ই ভাস্কর্য দেখে প্রথমদিকে অনেক পর্যটকই স্তম্ভিত হতেন। এর উচ্চতা মাত্র ১.২৫ মিটার। ওজন ১৭৫ কেজি। এ ভাস্কর্যটির ডিজাইনার এডভার্ড এরিকসেন। পানিতে উচ্ছ্বসিত মৎসকন্যার কথা মনে রাখার জন্য ১৯১৩ সালে ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়।