শনিবার, ১ আগস্ট, ২০১৫

ইলোরা-অজন্তা by আলী যাকের

বোম্বে থেকে ট্রেনে আওরঙ্গবাদে এসে যখন পেঁৗছলাম, তখন সন্ধ্যা হয়ে গেছে। কাছেপিঠেই ছিল ভারতীয় পর্যটন সংস্থার তারকা খচিত হোটেল 'আওরঙ্গবাদ'। সেখানে গিয়ে উঠলাম। সকাল সকাল উঠে প্রথমেই গেলাম আওরঙ্গবাদে অবস্থিত 'বিবিকি মাকবারা' নামে তাজমহলসদৃশ একটি ইমারত দেখতে। এটি নির্মাণ করেছিলেন বাদশা আওরঙ্গজেব সপ্তদশ শতাব্দীতে তার স্ত্রী দিলরাস বানু বেগমের কবরের ওপর। তাজমহলের সঙ্গে এর স্থাপত্যে মিল থাকার কারণে এটি দক্ষিণী তাজ হিসেবেও পরিচিত। কিন্তু আওরঙ্গজেব এই ইমারতের জন্য যে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছিলেন তা অত্যন্ত সীমিত। অতএব এটি তাজমহলের কাছাকাছিও যেতে পারেনি। বিবিকি মাকবারা দেখার পর আমরা ইলোরার পথে রওনা হলাম। পথিমধ্যে পড়ল প্রাচীন শহর দৌলতাবাদ। এ শহরটি নির্মাণ করেছিলেন ভারত সম্রাট মোহাম্মদ বিন তুঘলক। চতুর্দশ শতাব্দীতে নির্মিত মহারাষ্ট্রের এ শহরটি তুঘলক সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল। এই সেই বিখ্যাত নগর যেখানে দিলি্ল থেকে ভারতের রাজধানী প্রতিস্থাপন করতে গিয়ে অজস্র মানুষের প্রাণ যায়। আমরা ইলোরার গুহার সামনে যখন এসে পেঁৗছলাম ট্যুরিস্ট বাসে করে তখন দুপুর।
ইলোরা আওরঙ্গবাদ থেকে ২৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এখানে রয়েছে ৩৪টি গুহা এবং পাথর কেটে তৈরি এসব গুহার স্থাপত্য বিশ্বের সব পরিব্রাজকের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়। ইলোরা ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যের নিদর্শন হিসেবে চিহ্নিত। সবগুলো গুহাই পাথরের পাহাড় কেটে নির্মাণ করা হয়েছে। এই পাহাড়ের আঞ্চলিক নাম 'চরনন্দ্রী' এবং এখানে প্রতিষ্ঠিত মন্দিরগুলো হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের উপাসনালয় হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছিল। অর্থাৎ বিশ্বের তিনটি প্রধান ধর্মের সনি্নবেশ ঘটেছে এই ইলোরায়। পঞ্চম থেকে দশম খ্রিস্টাব্দের মধ্যে নির্মিত এ গুহাগুলোর ১২টি বৌদ্ধ, ১৭টি হিন্দু এবং পাঁচটিতে জৈন ধর্মের নিদর্শন রয়েছে। এতেই প্রমাণিত হয় যে, সেই পৌরাণিক কাল থেকেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের উপমহাদেশে বিদ্যমান ছিল।
ইলোরা কখনও লোকচক্ষুর আড়ালে হারিয়ে যায়নি, যেটা অজন্তায় ঘটেছিল। সেই সৃষ্টির সময় থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু মানুষ নিত্যই এখানে এসেছে। এই নিদর্শনগুলোকে কেন্দ্রে রেখে চারপাশে দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে নানা ধরনের সেবামূলক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। ইলোরা দেখা শেষ হলো আমাদের আড়াইটার দিকে। একটি ছোট রেস্তোরাঁয় ফুলকো রুটি আর নিরামিষ তরকারি খেয়ে রওনা দিলাম অজন্তার পথে। অজন্তায় পেঁৗছেই বাসটা গুহার কাছে না গিয়ে বেশ একটি উঁচু পাহাড়ের খাদের কাছে আমাদের নামিয়ে দিল। এখান থেকেই গুহাগুলো দেখা যায়। অর্ধবৃত্তাকার হয়ে দাঁড়িয়ে আছে অজন্তার গুহাগুলো ওই সুদূরে। চমৎকৃত হলাম। এই ভিউ পয়েন্ট জায়গাটি আবিষ্কৃত হয় ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দের ২৮ এপ্রিল। তৎকালীন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ২৮ ক্যাভেলরির এক অফিসার জন স্মিথ বাঘ শিকারে বেরিয়েছিলেন। তিনি একটি বাঘের পিছে পিছে ছুটতে ছুটতে পাহাড়ের এই খাদের সামনে এসে পড়েন। আর এগোনো সম্ভব ছিল না। এখান থেকে তিনি নিচে তাকিয়ে দেখলেন, নিচে সমতল ভূমিতে ঘোড়ার ক্ষুরের মতো অর্ধবৃত্তাকারে ছড়িয়ে রয়েছে কিছু গুহা, যার মুখগুলো বনের আড়ালে ঢাকা পড়ে গেছে। ক্লান্ত ক্যাপ্টেন স্মিথ অতীব কৌতূহলী হয়ে পড়লেন এবং শারীরিক ক্লান্তি ভুলে ঘোড়ায় চড়ে সমতল ভূমিতে নেমে এসে নানা গ্রাম ঘুরে ওই গুহাগুলোর কাছে চলে এলেন। ওগুলোর ভেতরে বন্যপ্রাণী কিংবা সাপখোপ থাকতে পারে, এই কারণে তিনি একা সেখানে প্রবেশ করার চেষ্টা না করে পরের দিন প্রত্নতত্ত্বে আগ্রহী এই রকম আরও কিছু ইংরেজ সেনাবাহিনীর অফিসার নিয়ে এ গুহাগুলোর জঙ্গল সরিয়ে এগুলোকে পুনরাবিষ্কার করেন।
আমরা এই ইতিহাস শুনতে শুনতে অভিভূত হয়ে পড়েছিলাম। তারপর বাসে করে যখন গুহাগুলোর কাছে এসে পেঁৗছলাম, তখন এক ধরনের শিহরণ জাগল আমাদের মাঝে। এখানে আছে ৩০টি পাথর খোদাই করে তৈরি করা গুহা এবং এর নির্মাণ ঘটেছে খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে প্রায় ছয়শ' পঞ্চাশ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে। গুহাগুলোর মধ্যে ফ্রেসকো করা নানা বর্ণের ছবি আঁকা রয়েছে। এগুলোর সামনে গিয়ে যখন দাঁড়ালাম আর আমাদের গাইড যখন মোমবাতির আলোয় এগুলো দেখাতে শুরু করল, আমরা যেন এক স্বপ্নের জগতে প্রবেশ করলাম। এত শতাব্দী পরেও এই চিত্রগুলো রয়েছে একেবারে অমলিন।
আমি যেন সেই অতীতে ফিরে গিয়েছিলাম, যখন বৌদ্ধ তীর্থিরা এ গুহাগুলোয় অভিনিবেশ সহকারে একের পর এক এমন সৃজনশীল সৃষ্টি করে চলেছেন। এই গুহাগুলোর বেশিরভাগই ছিল বৌদ্ধ দর্শনের শিক্ষার্থীদের শ্রেণীকক্ষ। কিছু গুহায় তারা বসবাসও করতেন। আবার কয়েকটি গুহা উপাসনার জন্য নির্দিষ্ট ছিল। চিত্রগুলো অবশ্য জাতকের গল্পের চিত্রকল্প হিসেবে আঁকা হয়েছিল। কী কারণে অজন্তাকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়, সেটা এখনও জানা যায়নি। অজন্তার গুহাগুলোর মধ্যে দেয়ালের গায়ে নানা ধরনের ভাস্কর্য দেখা যায়। এগুলো ভারতের প্রাচীন ভাস্কর্যের উজ্জ্বলতম নিদর্শন হিসেবে বিভিন্ন গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। সপ্তম খ্রিস্টাব্দে চীনা পরিব্রাজক পণ্ডিত জুয়ান জ্যাং লিখে গেছেন, ৫ম খ্রিস্টাব্দে বিখ্যাত বৌদ্ধ দার্শনিক দিগংগ, যিনি যুক্তিবিদ্যায় অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন, এই গুহায় বসবাস করতেন। আমরা এ গুহাগুলো দেখতে দেখতে এতটাই মগ্ন হয়ে গিয়েছিলাম যে, লক্ষ্যই করিনি ইরেশ এই পরিশ্রম আর নিতে পারছিল না। ও গুহার বাইরে একটি পাথরের খণ্ডে হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ছিল। অজন্তা দেখতে দেখতে সন্ধ্যা নেমে এলো। এখান থেকে ৭টায় বাস ছাড়বে। অজন্তা থেকে বাসে জলগাঁওয়ের দূরত্ব প্রায় ৫৭ কিলোমিটার, যখন পেঁৗছলাম তখন রাত ৯টা। এটি একটি জংশন স্টেশন। অবস্থান মহারাষ্ট্রের জলগাঁও জেলায়। এখান থেকেই আমরা রাত ৩টায় কলকাতাগামী বোম্বে মেইল ট্রেন ধরব।
শেষ রাতে হুইসেল দিয়ে ট্রেন যাত্রা শুরু করল কলকাতার পথে। ঘুমিয়ে পড়ার আগে নানা বিচিত্র চিন্তা আমায় আচ্ছন্ন করে ফেলল। এই অল্প কয়দিনে এত বিচিত্র জায়গা ভ্রমণ করেছি, এত বিচিত্র মানুষের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি সব যেন পেঁজা তুলোর মতো সরে সরে যায় মনের ভেতরে। হঠাৎ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সারা বলে উঠল, 'এটা ছিল একটা টেলিগ্র্যাফিক ট্যুর'। মনে হলো সত্যিই তো!
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব

আমস্টারডাম by মুহম্মদ জাফর ইকবাল


আমস্টারডাম শহরে প্রথম দিন ভোরবেলা বের হয়েছি, আমাদের সঙ্গে আমার ছেলে। ঝলমলে একটা শহরে হাসিখুশি সুখী মানুষের ভিড়, তার মাঝে হাঁটতে হাঁটতে আমার ছেলে আমাকে খুব মূল্যবান একটা তথ্য দিল। বলল, ‘যখন কফি খাবার ইচ্ছে করবে খবরদার কফি শপে ঢুকবে না।’ আমি এবং আমার স্ত্রী অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কেন? আমার ছেলে বলল, ‘কারণ কফি শপ হচ্ছে গাঁজা খাওয়ার দোকান। কফি খেতে হলে যাবে কাফে তে।’ আমার ছেলে তার পুরনো মডেলের বাবা-মাকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছে কিনা সেটা সঙ্গে সঙ্গেই পরীক্ষা করে দেখার সুযোগ হলো। শহরের ব্যস্ত রাস্তায় একটু পরে পরেই কফি শপ, সেই কফি শপে কেউ কফি খাচ্ছে না। ঢুলু ঢুলু চোখে গাঁজা টানছে। অতি বিচিত্র একটি দৃশ্য।
আমস্টারডামে অবিশ্য এটি মোটেও বিচিত্র নয়, এখানে গাঁজা খাওয়া আইনসম্মত ব্যাপার। যারাই দেশ-বিদেশ বিশেষ করে ইউরোপের খোঁজখবর রাখেন তারা সবাই জানেন হল্যান্ডে টিউলিপ ফুলের ছড়াছড়ি। ইউরোপের বড় বড় শিল্পীরা প্রায় সবাই উইন্ডমিলের সামনে বিশাল বিশাল টিউলিপ বাগানের ছবি এঁকেছেন। কাজেই আমস্টারডামে ফুলের বিশাল নার্সারি থাকবে এটি মোটেও অবাক হবার কিছু নয়, কিন্তু সেই অপূর্ব নার্সারির অসংখ্য ফুলের গাছ, গাছের চারা, ফুলের বীজের মাঝে বড় একটা জায়গা দখল করে আছে গাঁজার গাছ! সেখানে নানা ধরনের গাঁজার চারা বিক্রি হচ্ছে এবং মানুষজন আগ্রহ নিয়ে সেগুলো কিনছে!
আমস্টারডামের মতো এত সুন্দর একটা শহরের বর্ণনা দেয়ার সময় প্রথমেই গাঁজার গল্প দিয়ে শুরু করা মনে হয় ঠিক হলো না। কিন্তু কেউ যেন মনে না করে এই পুরো শহরটিকে অসংখ্য গাঁজাখোর মানুষ সারাক্ষণ ঢুলু ঢুলু লাল চোখে বিড়বিড় করে কথা বলতে ইতস্তত হাঁটাহাঁটি করছে। এটি খুবই আনন্দমুখর নিরাপদ একটি শহর। আমি এবং আমার স্ত্রী আমাদের ছেলেমেয়েদের নিয়ে সিনেমা দেখে গভীর রাতে নিশাচর শিল্পীর সুমধুর ট্রাম্পেট শুনতে শুনতে বাসায় ফিরে এসেছি একবারও মনে হয়নি পথে-ঘাটে কোথাও নিরাপত্তার কোনো অভাব আছে! আমস্টারডামে শুধু যে প্রকাশ্যে গাঁজা বিক্রি হয় তা নয়, গাঁজা ছাড়াও আরো নানা ধরনের নেশার জিনিসপত্র খোলা দোকানে কেনা যায়, খরিদ্দার অবিশ্য বেশিরভাগই পৃথিবীর নানা দেশ থেকে আসা ট্যুরিস্ট! আমস্টারডামের দেখাদেখি আমেরিকার অনেক শহরেও আজকাল গাঁজা বিক্রয় করা আইনসিদ্ধ করে দিয়েছে। আমি যে শহরে আমার পিএইচডি করেছি সেই সিয়াটল শহরটি এ রকম একটি শহর। তবে আমি একটি হিসেব মিলাতে পারি না। এখন আমেরিকার নানা শহরে এই মাদকগুলো আইনসিদ্ধভাবে কেনা যায়। কিন্তু আজ থেকে বিশ-পঁচিশ বছর আগে এগুলোসহ কাউকে ধরা হলে তাকে সারাজীবনের জন্য জেলে বন্দি করে রাখা হতো। নিশ্চয়ই এ রকম অসংখ্য মানুষ এখনো জেলে জীবন কাটিয়ে দিচ্ছে। রোলান্ড রিগানের আমলে মাদকমুক্ত সমাজ তৈরি করার নামে বেছে বেছে কালো মানুষদের এই আইনগুলোর আওতায় শাস্তি দেয়া হয়েছে। যারা পৃথিবীর খবর রাখেন তারা নিশ্চয়ই জানেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এখনো কী অবলীলায় পথেঘাটে কালো মানুষদের গুলি করে মেরে ফেলা হয়!
২...
বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে একেকজনের একেক ধরনের শখ থাকে—আমার সে রকম কোনো শখ এখন আর নেই। শুধু একটি শখ এখনো রয়ে গেছে, সেটি হচ্ছে আর্ট মিউজিয়াম দেখা। আমস্টারডামে এসে আবিষ্কার করলাম এখানে খুব সুন্দর সুন্দর আর্ট মিউজিয়াম আছে। ছোট বাচ্চারা যেভাবে তাদের পছন্দের চকোলেট বা আইসক্রিম বাঁচিয়ে বাঁচিয়ে একটু একটু করে খায় আমিও প্রায় সেভাবে এই মিউজিয়ামগুলো দেখেছি। প্রথমে দেখতে গিয়েছি মডার্ন আর্টের মিউজিয়াম। গিয়ে দেখি আমাদের কী সৌভাগ্য হেনরি মাতিসের একটা বিশেষ প্রদর্শন চলছে। সারা পৃথিবী থেকে হেনরি মাতিসের পেইন্টিং এনে জড়ো করা হয়েছে। হেনরি মাতিস শেষ বয়সে রঙিন কাগজ কেটে কেটে আঠা দিয়ে লাগিয়ে লাগিয়ে অনেক ছবি তৈরি করেছেন। উজ্জ্বল রঙের সেই ছবিগুলোর ছাপ অনেকবার বইপত্র ইন্টারনেটে দেখেছি। আমাদের দেশে কবিতার বইয়ের প্রচ্ছদ তৈরি করতে প্রচ্ছদ শিল্পীরা উদারভাবে সেই ছবিগুলো ব্যবহার করেন! সেই বিখ্যাত ছবিগুলোর অনেকগুলো এখানে ছিল, দেখে অন্য এক ধরনের অভিজ্ঞতা হয়েছে।
যেহেতু মিউজিয়ামটি মর্ডান আর্টের মিউজিয়াম কাজেই সেখানে অতি বিচিত্র কিছু শিল্পকর্ম ছিল যেমন একটা ছোট টেবিলে একটা অত্যন্ত ময়লা চাদর ভাঁজ করে রাখা। দেয়ালে অনেক বড় করে এই শিল্পকর্মটি ব্যাখ্যা করা আছে এটাকে দেখে তুচ্ছ একটা ময়লা চাদর মনে হলেও শিল্পী যে অসংখ্য ময়লা চাদর দেখে দেখে শেষ পর্যন্ত এটা বেছে নিয়েছেন এবং এর ভাঁজ করার মাঝেও যে অন্য এক ধরনের শিল্প লুকিয়ে আছে সেটা গুরুত্ব দিয়ে লেখা আছে। তবে আশার কথা এই ধরনের শিল্পকর্মের গ্যালারিগুলো একেবারে ফাঁকা কেউ সেগুলো দেখতে যান না! সাধারণ দর্শকদের বোকা বানানো মোটেই সহজ না। তাদের কাছে যেটা ভালো লাগে তারা সেটা ভিড় করে দেখে, মন দিয়ে দেখে! মাঝে মাঝেই আমি পরিচিতদের একটা পেইন্টিং দেখে বলতে শুনি এটা কি ছবি! কিছুই তো বুঝি না। তাদেরকে জানিয়ে রাখি যারা ছবি বোঝার চেষ্টা করে তারা ছবি উপভোগ করতে পারে না। কাজেই কেউ যেন ছবি বোঝার চেষ্টা না করে ভালো লাগলে প্রাণভরে উপভোগ করুক, ভালো না লাগলে পাশের পেইন্টিংয়ে চলে যাক! ছবিটা বোঝাই যদি গুরুত্বপূর্ণ হতো তাহলে ফটোগ্রাফি আবিষ্কার হওয়ার পর পৃথিবী থেকে ছবি আঁকার ব্যাপারটা উঠে যেত!
মর্ডান আর্টের মিউজিয়াম দেখার কয়েক দিন পরে গিয়েছি জগদ্বিখ্যাত ভ্যানগয়ের মিউজিয়াম দেখতে। ভ্যানগয়ের নামের প্রকৃত উচ্চারণ বাংলা বর্ণমালা ব্যবহার করে লেখা সম্ভব না আমি তার চেষ্টাও করছি না! যারা পৃথিবীর বড় বড় শিল্পীর কথা পড়েছে তারা সবাই ভ্যানগয়ের নাম শুনেছে। আমিও শুনেছি এবং পৃথিবীর অনেক বড় বড় মিউজিয়ামে ভ্যানগয়ের পেইন্টিংও দেখেছি। তার ছবিগুলো দেখে দেখে মোটামুটিভাবে তার ছবি আঁকার ধরনের সঙ্গে পরিচিত ছিলাম। এই মিউজিয়ামে এসে অন্য ধরনের ছবিগুলো দেখে আমার নূতন এক ধরনের অভিজ্ঞতা হলো। এই জগদ্বিখ্যাত শিল্পীর কিন্তু শিল্পী হওয়ার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। সাতাশ বছর বয়সে হঠাৎ করে ঠিক করলেন ছবি আঁকবেন। প্রথম কয়েক বছর ছবি আঁকা শিখলেন তারপর ছবি আঁকতে শুরু করলেন। বছর দশেক ছবি আঁকার পর এক ধরনের মানসিক সমস্যা হতে শুরু করল তখন একদিন গুলি করে আত্মহত্যা করে নিজের জীবনটি শেষ করে দিলেন। এখন তার একেকটা ছবি ষাট-পয়ষট্টি মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয় যখন তিনি বেঁচে ছিলেন তখন তার একটি ছবিও বিক্রি হয়েছে বলে জানা নেই। তার অর্থ কষ্টের নমুনাও এই মিউজিয়ামে আছে, নূতন ক্যানভাস কেনার পয়সা নেই বলে একই ক্যানভাসের দুই পাশে দুটি ভিন্ন ছবি এঁকে রেখেছেন। ভ্যানগয়ের মিউজিয়ামে এখন দুই পাশের দুটি ভিন্ন ছবি দর্শকদের দেখানোর জন্য অনেক রকম কায়দা-কানুন করতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, মডেলকে দেয়ার মতো টাকা-পয়সা নেই বলে বারবার নিজের ছবি এঁকেছেন। আমরা যারা ভ্যান গ সম্পর্কে একটু আধটু খোঁজ-খবর রাখি তারা সবাই জানি তিনি নিজের কান কেটে ফেলেছিলেন। কেন কেটেছিলেন সেটা আমার কাছে একটা রহস্যের মতো ছিল। কোনো একজন বান্ধবীকে সেই কাটা কান উপহার দিয়ে এসেছিলেন সে রকম শুনেছিলাম। এই মিউজিয়ামে এসে প্রকৃত ঘটনা জানতে পারলাম। পল গগাঁ নামে আরেকজন বিখ্যাত শিল্পী একবার তার সঙ্গে দেখা করতে এলেন। দুজনে চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সময় কাটানোর কথা ছিল কিন্তু কীভাবে কীভাবে জানি দুজনের ভেতর ঝগড়া লেগে গেল এবং সেই ঝগড়া এমন পর্যায়ে চলে গেল যে ভ্যান গ রেগে মেগে এক সময় তার কানের এক টুকরো কেটে ফেললেন! কান কাটার পর তার অনেকগুলো আত্ম প্রতিকৃতিতে দেখা যায় তার কাটা কান ব্যান্ডেজ করে রাখা!
ভ্যান গ বেশিরভাগ সময় খুবই সাধারণ চাষি-শ্রমিকের ছবি এঁকেছেন। তাদের জীবনটা ভ্যানগয়ের কাছে খুবই আন্তরিক এবং খাঁটি মনে হতো। আমার এবার একই সঙ্গে মাতিস আর ভ্যানগয়ের ছবি দেখার সুযোগ হয়েছে। মাতিসের জীবনটি মনে হয়েছিল ভ্যানগয়ের উল্টো। তার একজন সহকারী মেয়ে একবার ছুটিতে গ্রামে সময় কাটিয়ে এসেছে। রোদে পুড়ে গায়ের রং তামাটে হয়ে এসেছে, তাকে দেখে মাতিস খুবই বিরক্ত হলেন। তার কারণ রোদে পোড়া মেয়েটিকে তখন ‘চাষা’মেয়ের মতো লাগছে! একজন ছবি আঁকার জন্য ‘চাষা’ মেয়েদের খুঁজে বেড়িয়েছেন, অন্যজন শুধু দেখতে চাষা মেয়েদের মতো লাগছে বলেই বিরক্ত হয়ে যাচ্ছেন! দুজন শিল্পীর মানসিকতায় কত পার্থক্য। আমস্টারডামের সবচেয়ে বড় আর্ট মিউজিয়াম হচ্ছে রাইকস মিউজিয়াম এটি দেখেছি সবার শেষে। মিউজিয়ামে ছোট ছোট গ্যালারি থাকে আমার সব সময়েই মনে হয় ভুলে বুঝি কোনো একটা গ্যালারি না দেখে চলে আসব, সেই গ্যালারিতেই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ছবিটা না দেখা থেকে যাবে! সেটা যেন না হয় তার চেষ্টা করতে গিয়ে ঘুরে ঘুরে সব কিছুই বারবার দেখা হয়ে যায়। এই মিউজিয়ামের শিল্পীরা তুলনামূলকভাবে একটু আগের। আমার দুজন প্রিয় শিল্পী র‌্যামব্রান্ট এবং ভারমিয়ারের অনেক ছবি এই মিউজিয়ামে আছে। যখন আমি ঢাকা কলেজে পড়তাম তখন ক্লাস ফাঁকি দিয়ে পাবলিক লাইব্রেরিতে এসে বই পড়তাম। পাবলিক লাইব্রেরির একটা কাচে ঢাকা সেলফে র‌্যামব্রান্টের আঁকা ছবির একটা খুব সুন্দর বই ছিল। আমি পাবলিক লাইব্রেরি এলেই সেই বইটি বের করে তার আঁকা ছবিগুলো দেখতাম। ছবিগুলো আমার স্মৃতির মাঝে গাঁথা হয়ে আছে, এতদিন পর রাইকস মিউজিয়ামে সেই ছবিগুলো দেখে আমার অন্য এক ধরনের আনন্দ হয়েছে।
রাইকস মিউজিয়ামের সবচেয়ে বড় ছবিটি র‌্যামব্রান্টের আঁকা। ছবির দুই পাশে দুইজন প্রহরী সব সময় ছবিটি পাহারা দিচ্ছে। সবচেয়ে বিচিত্র ব্যাপার হচ্ছে এই ছবিটি আরো বড় ছিল, কোনো একটা দেয়ালে ফিট করার জন্য ছবির একটা বড় অংশ কেটে ফেলে দিয়ে ছবিটি ছোট করা হয়েছে! কাটা অংশটি রক্ষা করা হয়নি, কিন্তু পুরো ছবিটা দেখতে কেমন ছিল তার একটা ছোট ছবি দর্শকদের জন্য রাখা আছে। দর্শকেরা সেই ছবি দেখে এবং দীর্ঘশ্বাস ফেলে!
পৃৃথিবীর সব বড় বড় শহরের আকর্ষণ হচ্ছে তার আর্ট মিউজিয়াম। ঢাকা শহর থেকে বড় শহর পৃথিবীতে আর কটা আছে? তাহলে আমাদের ঢাকা শহরে কেন অসাধারণ একটা আর্ট মিউজিয়াম তৈরি করতে পারি না? ইউরোপিয়ান ছবির একটা ধরন আছে, আমরা সেগুলো দেখে আহা উহু করি। কিন্তু আমাদের দেশের ছবিরও যে একটা নিজস্ব ধরন আছে সেগুলো নিয়েও যে গর্ব করা যায় সেটা কেন জানি মনে রাখি না।
যাই হোক আমস্টারডামের আর্ট মিউজিয়ামে অসংখ্য ছবি উপভোগ করতে গিয়ে সম্পূর্ণ নূতন একটি বিষয় দেখে এসেছি তার বর্ণনা না দিলে মিউজিয়াম দেখার অভিজ্ঞতা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। ভ্যান গ মিউজিয়ামে ছবি দেখতে দেখতে হঠাৎ একটা খোলা জায়গায় উপস্থিত হয়েছি যেখানে অনেকগুলো কফিনের মতো বাক্স দাঁড়া করে রাখা আছে এবং মানুষজন সেখানে ঢুকে তার দরজা বন্ধ করে বসে আছে। বিষয়টা কী বোঝার জন্য বাক্সগুলোর বর্ণনা পড়ে চমৎকৃত হলাম। মিউজিয়ামে ছবি দেখতে দেখতে যদি মানুষজন ক্লান্ত হয়ে যায় তাহলে এই কফিনের মতো বাক্সে ঢুকে দরজা বন্ধ করে অন্ধকার করে কিছুক্ষণ বসে থাকে এবং তারপর ছবি দেখার ক্লান্তি থেকে মুক্ত হয়ে আবার নতুন উদ্যমে ছবি দেখা শুরু করে। মানুষজন খুবই গুরুত্ব নিয়ে এভাবে নিজেদের ছবি দেখার ক্লান্তি থেকে মুক্ত করছিল। কিন্তু আমার কাছে পুরো প্রক্রিয়াটাকে একটা কৌতুক থেকে বেশি কিছু মনে হয়নি!
৩...
আমস্টারডাম শহরটি ছবির মতো সুন্দর, পুরো শহরটি অর্ধবৃত্তাকার খাল এবং কেন্দ্রমুখী রাস্তা দিয়ে নিখুঁত পরিকল্পনা করে তৈরি। শহরে প্রাচীন ইউরোপিয়ান বিল্ডিংগুলো দেখে মুগ্ধ হয়ে যেতে হয়, মানুষগুলো দীর্ঘদেহী, সারা শহরে ফুলের ছড়াছড়ি কিন্তু আমাকে মুগ্ধ করেছে অন্য একটি বিষয়। সেটি হচ্ছে এই শহরের মানুষের যাতায়াত করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে বাইসাইকেল। ছোট বাচ্চা থেকে আশি বছরের বুড়োবুড়ি সবাই সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছে আসছে। শহরের প্রত্যেকটি রাস্তার পাশে পায়ে হাঁটার জন্য ফুটপাথ তার পাশে সাইকেলের জন্য আলাদা রাস্তা এবং সেই রাস্তা ধরে শহরের সব মানুষ সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছে! যেহেতু সবাই জন্ম থেকে সাইকেল চালায় তাই দেখে মনে হয় সবাই বুঝি সাইকেল চালানোয় এক্সপার্ট। এক হাতে নিজের সাইকেল ধরে অন্য হাতে আরেকটি সাইকেল চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, কিংবা এক হাতে নিজের সাইকেল এবং অন্য হাতে চাকা লাগানো স্যুটকেস টেনে নিয়ে যাচ্ছে কিংবা সাইকেলের হ্যান্ডেল ছেড়ে দিয়ে দুই হাতে স্মার্টফোনে ‘টেক্সটিং’ করতে করতে যাচ্ছে কিংবা হ্যান্ডেল ছেড়ে দিয়ে দুই হাতে নাচের মুদ্রা প্র্যাকটিস করতে করতে যাচ্ছে আমস্টারডাম শহরের সাইকেল চালকদের জন্য এগুলো খুবই নিয়মিত কিছু দৃশ্য। যেহেতু এই শহরের সব কিছুই সাইকেল চালিয়ে করা হয় তাই এখানে সাইকেলের নানা ধরনের বিবর্তন ঘটেছে। সবচেয়ে সুন্দরটি হচ্ছে ছোট শিশুদের নিয়ে সাইকেল চালানোর বিষয়টি। সাইকেলের সামনে ছোট বাচ্চাদের বসার মতো একটি ওয়াগন এবং মায়েরা তাদের বাচ্চাদের সেখানে আরামে এবং নিরাপদে বসিয়ে সাইকেল চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমস্টারডামে সাইকেলের এই বিশাল যজ্ঞ দেখে আমাদেরও সাইকেল চালানোর শখ হলো, তাই একদিন সাইকেল ভাড়া করে নিয়ে আমি, আমার স্ত্রী এবং পুত্র ও কন্যা মিলে একটা পার্কে সাইকেল চালিয়ে বেড়ালাম। পুত্র ও কন্যার আলাদা সাইকেল, আমার এবং আমার স্ত্রীর জন্য একটি ট্যানডেম বাইসাইকেল! একই সাইকেলে দুইজন, একজন সামনে এবং একজন পেছনে, দুজনে মিলে সেই সাইকেল চালানো হয় ভারী মজার ব্যাপার।
আমস্টারডামে সাইকেলের এই বিশাল আয়োজন দেখে আমি মোটামুটি নিশ্চিত হয়েছি যে আমাদের দেশের ট্রাফিক জ্যাম থেকে শুরু করে যাতায়াতের সব সমস্যা এই সাইকেল দিয়ে সমাধান করে ফেলা সম্ভব। সরকার থেকে যদি ঢাকা শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার পাশে পাশে সাইকেল চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটু খানি জায়গা আলাদা করে রেখে দেয়ার একটা সিদ্ধান্ত নেয়া হয় তাহলেই দেশে একটা বিপ্লব হয়ে যাবে। আমি লক্ষ্য করেছি আমাদের তরুণেরা আজকাল অনেক বেশি সাইকেলে চড়ছে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েই ছাত্র এবং ছাত্রীরা সমানভাবে সাইকেল চালিয়ে আসছে এর থেকে সুন্দর বিষয় আর কী হতে পারে? সাইকেলকে জনপ্রিয় করার জন্য বাংলাদেশে নিশ্চয়ই অনেক সংগঠন দাঁড়িয়ে গেছে। এবার আমস্টারডাম থেকে ঘুরে যাবার পর আমি ঠিক করেছি এই সংগঠনগুলোকে খুঁজে বের করে তাদের সঙ্গে একটু কাজ করতে হবে।
৪...
আমার এই লেখাটি পড়ে সবার নিশ্চয়ই ধারণা হতে পারে ইউরোপের চমৎকার একটি শহরকে নিয়ে আমার ভেতরে বুঝি শুধু এক ধরনের মুগ্ধ বিস্ময়! এটি পুরোপুরি সত্যি নয়, আমি যখন চারিদিকে তাকাই এই ইউরোপীয় শহরের সভ্যতার ইতিহাস কিংবা ঐশ্বর্যকে দেখি তখন সব সময়েই মনে পড়ে এই দেশগুলো আমাদের দেশগুলোকে কলোনি করে কয়েকশত বছর আগে আমাদের সকল সম্পদ লুণ্ঠন করে নিজেদের সম্পদ গড়ে তুলেছে! এখন আমাদের দেশগুলোর জন্য তাদের ভেতরে এক ধরনের প্রচ্ছন্ন অবহেলা এবং তাচ্ছিল্য। আমস্টারডামে থাকা অবস্থাতেই খোঁজ পেয়েছি আমার পরিচিত একজন এখানে কোনো একটা প্রশিক্ষণে আসার চেষ্টা করেছিল শেষ পর্যন্ত ভিসা পায়নি বলে আসতে পারেনি। আমি এবং আমার স্ত্রী যেদিন আমস্টারডামে প্লেন থেকে নেমেছি তখন বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক এখানকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে একটি কোর্স পড়াতে একই প্লেনে এসেছেন। যখন ইমিগ্রেশনের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি তখন তিনি আমার পাশের কাউন্টারে দাঁড়িয়েছেন। আমার পাসপোর্টটিতে চোখ বুলিয়ে সেটি আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু আমি লক্ষ্য করলাম পাশের কাউন্টারের মানুষটি চোখে একটা ম্যাগনিফাইং গ্লাস লাগিয়ে বাংলাদেশের অধ্যাপকের পাসপার্টের ভিসাটি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পরীক্ষা করছে। এই দেশের প্রখ্যাত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে তাদের ছাত্রছাত্রীদের একটি কোর্স পড়ানোর জন্য আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপককে যদি সন্দেহ করা হয় তিনি পাসপোর্টে একটা জাল ভিসা লাগিয়ে এই দেশে ঢুকে যাবার চেষ্টা করছেন তাহলে সেই অপমান আমরা কেমন করে সহ্য করব?
আমি স্বপ্ন দেখি ভবিষ্যতে কোনো একদিন আমার দেশ পৃথিবীর বুকে মাথা তুলে দাঁড়াবে এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যখন আমাদের এই সবুজ পাসপোর্টটি হাতে নিয়ে বিদেশ যাবে তাদেরকে আমাদের মতো এই অপমান আর সহ্য করতে হবে না।
লেখক: কম্পিউটার বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, শিশু ও কথাসাহিত্যিক, সমাজ বিশ্লেষক

ফিনল্যান্ড ভ্রমণ গাইড

ফিনল্যান্ড ট্রিপ জন্য উপভোগ্য, Refah Derece হয়, নিরাপদ, আধুনিক, সবুজ এবং পরিষ্কার স্ক্যান্ডিনইভিআ দেশ. বড় আমি ফিনল্যান্ড গিয়েছিলাম আমার বন্ধু আমন্ত্রণে দর্শন আস্বাদিত. ফিনল্যান্ড ভূগোল সম্পর্কে 188.000 এবং প্রার্থীদের আছে একটি হ্রদ. ঘন বন,, মিষ্টি kasabaları, পরিকল্পনা শহর, নকশা শিল্প, কাঠ নাগরিক স্থাপত্য মূল্য. অধিবাসীদের ফিনল্যান্ড, সৎ এবং নিচু মানুষের, সবুজ প্রকৃতির সঙ্গে, বিলাসিতা জীবনধারা তরা কিন্তু কল্যাণ, একটি দেশ আমি শিক্ষার মান তারিফ. এই লেখার দেশে যেতে চান তাদের জন্য ফিনল্যান্ড ভ্রমণ গাইড আমি হতে লিখছি.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
helsinki gezi
হেলসিঙ্কি, ফিনল্যান্ড ট্রিপ.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

ফিনল্যান্ড জলবায়ু এবং আবহাওয়া

ফিনল্যান্ড জলবায়ু একটি ঠান্ডা উত্তর দেশ. তাপমাত্রা -30 কখনও কখনও দক্ষিণ অন্ধকার শীতকালে সি °, উত্তর -40 ° C থেকে পড়া যাবে. গ্রীষ্মকালে দিনের ছোট ফিনল্যান্ড +20 সি এবং আদর্শ ঋতু ° 28 মধ্যে যেতে পরিবর্তিত হয়. আমি জুলাই গিয়েছিলাম হটেস্ট মাস. এপ্রিল বরফ গলে এবং স্কিইং ঋতু শুরু. ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে অপ্রীতিকর ঋতু ভিজা এবং অন্ধকার শরৎ. সূর্য সেট করে না উত্তর লিখুন, দক্ষিণ খুব দেরি হয়ে গেছে এবং অন্ধকারময় না ডুবা হবে. উত্তর শীতকালে সূর্যের জন্ম না, রাজধানী সহ দক্ষিণ একটি দিন কয়েক ঘন্টার মধ্যে প্রদর্শিত.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya gezi notları
Kaisaniemi পার্ক Parkı, হেলসিঙ্কি ট্রিপ.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

ফিনল্যান্ড মানচিত্র এবং অবস্থান

একটি স্ক্যান্ডিনইভিআ দেশ ও নরওয়ে, İsveç, রাশিয়া প্রতিবেশী. সুইডেন ও নরওয়ে এবং একটি সমতল কম দেশের ভিন্ন. উত্তর সর্বোচ্চ বিন্দু 1.328 মিটার. দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম বাল্টিক সাগর ঘেরা.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finland map
ফিনল্যান্ড মানচিত্র
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

ফিনল্যান্ড সম্পর্কে তথ্য

প্রযুক্তি বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশ এক, ফিনস দূরে থাকতে ভালোবাসেন, যদিও প্রযুক্তি থেকে উষ্ণতর মাস সহজ কাঠের গ্রীষ্ম বাড়ি যেতে. এই বাড়িতে অনেক হ্রদ প্রান্ত এবং ফিনস স্টীম বাথ আছে, সাঁতার, মাছ ধরার ও বারবিকিউ লেগেছে. ইউরোপীয় দেশ এবং ব্যাকরণ থেকে ভিন্ন যে ফিনিশ উরাল-আলটেইক ভাষা পরিবারের অন্য উত্তর তুর্কি অনুরূপ, agglutinative. ফিনস Korvatuntur বলে যে মেগাটন সান্তা এর আদি শহর. বর্ণনা ফিনল্যান্ড বেশ ব্যয়বহুল. কিন্তু দেশের “সবাই ডান” (যে কোন লোক এর ডান, প্রতিটি মানুষের অধিকার) জমি সস্তা এবং যদিও নীতি মধ্যে কিছু মৌলিক খাদ্যসামগ্রী, ব্যক্তিগত সম্পত্তি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বিনামূল্যে. আমার ভ্রমণ নোট বেশ কয়েকটি ফিনল্যান্ড সম্পর্কে ছিল.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya gezi rehber
ফিনল্যান্ড ভ্রমণ গাইড
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

ইস্তানবুল হেলসিংকি এ যাওয়ার উড়ান

আজ, তুর্কি এয়ারলাইন্স এবং পরিবহন সংস্থা ইস্তানবুল-হেলসিংকি থেকে সরাসরি ফ্লাইট আছে এবং তিনটি এবং একটি অর্ধ ঘন্টা সময় লাগে. 200 ইউরো টিকেট পাওয়া যাবে. পুনে একটি কল সরাসরি ফ্লাইট তৈরি, কিন্তু না এখন ছিল. আমি হেলসিংকি সংযোগ আমস্টারডাম গিয়েছিলাম. শেষ মুহূর্তে আতাতুর্ক বিমানবন্দরে বিমান বর্হিবাস প্রবেশন থেকে একটি মানুষ ত্বরা এসেছিলেন, হাত ভরা ব্যাগে পূর্ণ ছিল বেকন-সসেজ গন্ধ পাচ্ছি. আমি প্লেনে নিতে না চিন্তা ছিল মানুষ তাদের দেখানোর জন্য কূটনৈতিক পাসপোর্ট প্রবেশ.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না আমস্টারডাম পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণ মাধ্যমে ক্ষণস্থায়ী পুলিশ আমাকে থানায় নিয়ে. তিনি দরজার সামনে একটি চেয়ারে বসতে অপেক্ষা করুন আমাকে জিজ্ঞাসা, আমি ফ্লাইট ছিল তাকে বলেন যে. থানায় আমার পাসপোর্ট মেঝে মধ্যে পণ্য বিনিময় জন্য ব্যবহার করা কাচ fronted অদ্ভুত যন্ত্র মধ্যে রাখা হয়, “plooop” তিনি একটি ভয়েস এসেছিলেন, আমি পাসপোর্ট সিঁড়ি বেয়ে নিচে যান. 15 সবিনয়ে অপেক্ষা পরে আসা মিনিট সামনের সারিতে আমাকে গ্রহণ. আমি আমার পাসপোর্ট স্বাক্ষর নিতে ভুলে গেছি, সুতরাং তারা পরীক্ষা ছিল.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
আমি আমার আমস্টারডাম থেকে বিমান যাত্রায় উপর একই মানুষ জুড়ে আসা ছিল, কিন্তু এটা তিনি হেলসিঙ্কি চালু ছিল হল্যান্ড আমাকে চাই না. তোমার আছে নরডিক দেশে তুরস্ক সামরিক অ্যাটাশে. ডটকমের; ফিনল্যান্ড জীবন, টাস্ক, আমি কি ফিনল্যান্ড ভ্রমণ আমরা স্বপ্ন. যে সকল TC আমন্ত্রণ জানানো ফিনিশ দূতাবাসে আমার এবং আমার বন্ধু ধন্যবাদ.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
দেশ সাজানো সমতল ওয়ান্ডারফুল সবুজ. আধুনিক এবং আমার বন্ধুদের শান্ত এয়ারপোর্ট, Mikko এবং Satun এ সম্পর্কে স্বাগত. আমরা গাড়ির সঙ্গে যেতে হবে না, একটি জায়গা যেখানে আপনি এটি ছেড়ে দিন, আমি আমার নতুন বন্ধু জিজ্ঞাসা, তারা আমার অনুরোধ গ্রহণ করা, কিন্তু না আমাদের চার আমাদের পথে এবং আমরা পেয়েছিলাম গাড়ী, আমরা দূতাবাস অ্যাটাশে যাব আলোচনা বাম.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya kentleri
হেলসিঙ্কি এবং ফিনল্যান্ড শহর

ফিনল্যান্ড বর্ণনা

ফিনল্যাণ্ড ব্যয়বহুল দেশ. সৌভাগ্যবশত আমি থাকার জায়গা আছে. প্রসঙ্গ হোটেল 50 ইউরো শুরু হয়, মাঝারি হোটেল 100 ইউরো প্রায়. 15-25 ইউরো ছাত্রাবাস মধ্যে থাকা হতে পারে, উপযুক্ত ঋতু 10-20 আপনি শিবির গুটাইয় ফেলা ইউরোর ভাড়া নিতে পারেন. দলের মধ্যে ভ্রমণ যদি হ্রদ দ্বারা কুটির মাথাপিছু ভাড়া 15 আপনি ইউরো করতে পারেন. অবশ্যই আমি আমার খুব ব্যবহার, হোম বিনামূল্যে নেটওয়ার্ক থাকা CouchSurfing বিকল্প আছে.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya fiyatlar
মূল্য এবং ফিনল্যান্ড মধ্যে বিনিময়.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
জাদুঘর এবং পর্যটন কেন্দ্র থেকে অনুপ্রবেশ ফি 5-25 ইউরো মধ্যে বিন্যাস. দিন শহুরে পরিবহন প্রতি কয়েক ইউরো পালন. বাজার 1 লিটার দুধ 1 ইউরো. ফিনস উপরে উল্লিখিত দুধ অনেক রয়েছে, এবং আমি “সবাই ডান” একটি পণ্য অধীনে. বর্ণনা রুটি উদাহরণস্বরূপ, একটি অর্ধ-আধা কেজি ডেলা 2 ইউরো, স্থানীয় চিজ ওজন 8 ইউরো, 1মুরগির মাংস কেজি 10 ইউরো, টমেটো 3 ইউরো, 1.5 তার লিটার 2 ইউরো কাছাকাছি. উদাহরণস্বরূপ, যদি আমরা ইস্তানবুল থেকে ইস্তানবুল ভোক্তা মূল্য দাম হেলসিঙ্কি হেলসিঙ্কি তুলনা %100, অন্তর্ভুক্ত করা %180, রেস্টুরেন্ট %160, সাধারণত, %120 আরো ব্যয়বহুল. একটি সস্তা রেস্টুরেন্ট ইন 10 ইউরো, একটি রেস্টুরেন্ট মাঝারি 60-70 আপনি ডিনার ইউরো খেতে পারেন. ভাগ্যক্রমে যদিও রাস্তায় খাবার বিভিন্ন আছে.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya gezilecek yerler
আকর্ষণ ন্যাশনাল আর্কাইভস ভবন অন্তর্ভুক্ত

ফিনল্যান্ড পরিবহন ও বর্ণনা

প্রধান শহর বাস ও ট্রেন ভ্রমণ মধ্যে 20-100 ইউরো মধ্যে বিন্যাস. যদি আপনি চান উদাহরণস্বরূপ, এটি হেলসিঙ্কি এবং Tampere 180km দূরত্ব Tra যেতে পরিবহন নিম্নরূপ মূল্য এবং যাত্রা বার.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
Pendolino (এস) ট্রেন, hızlısı মধ্যে: 32 ইউরো, 1:26 সময়
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
আন্তঃনগর (আইসি) এবং ıntercity2 (IC2) দ্রুত চামড়া: 26 ইউরো, 1:46
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
সাধারন দ্রুতগামী (প্রকাশ করা, পি), ধীর রাতে ট্রেন: 24.6 ইউরো, 2:12-2:16
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
স্থানীয় এবং আঞ্চলিক ট্রেন (শহরতলিসুলভ ট্রেন, Lahiji বা taajamaj), ধীর: 21 ইউরো, 2:03
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya tren
হেলসিঙ্কি রেলওয়ে স্টেশন. ফিনল্যান্ড পরিবহন.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
আন্তঃ-শহরের বাস কোম্পানী Matkahuolto ব্যাপক অভিযান করছেন. এছাড়াও ডিসকাউন্ট থেকে উপকৃত হতে পারেন বিদেশী ছাত্র. আপনার আইএসআইসি কার্ড বা Matkahuolto করা 5 ছাত্র ইউরো কার্ড গ্রহণ করা প্রয়োজন. ভ্রমণ কার্ড কোম্পানীর buspass 150 ইউরো 1 সপ্তাহ, 250 ইউরো 2 সপ্তাহের ট্রিপ সীমাহীন সুযোগ দেয়. অমনিবাস বলা একটু সস্তা বাস কোম্পানী আছে.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya gezi
ফিনল্যান্ড ভ্রমণ নোট.

ফিনল্যান্ড শহর

ফিনল্যান্ড শহর অত্যন্ত নিরাপদ, পরিষ্কার এবং সুন্দর. দূরে দেখাচ্ছে কিন্তু মার্জিত থেকে মানুষের চরিত্র সমান্তরাল মজা.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
হেলসিঙ্কি – রাজধানী ও ফিনল্যান্ড বৃহত্তম শহর
হেলসিংকি – দেশের মাঝখানে অবশিষ্ট, বিশ্ববিদ্যালয় শহর
Kuopio – Lake এ বিশ্ববিদ্যালয় শহর
Lappeenranta – লেক Saimaa এর shores উপর, রাশিয়া সঙ্গে সীমানা কাছাকাছি, বিশ্ববিদ্যালয় শহরের দক্ষিণ
Oulu – একটি শহর প্রযুক্তি কেন্দ্র
Rovaniemi – উত্তর, ল্যাপ্ল্যাণ্ড যাও বন্ধ
Savonlinna – অপেরা ফেস্টিভাল এবং বিখ্যাত দুর্গ, হ্রদ কাছাকাছি ছোট শহরে
সেইনাজকি – উৎসব হোস্ট করে অনেক শহর
বিমানবন্দরের – সংস্কৃতি, সঙ্গীত, শিল্প, জাদুঘর এবং শিল্প শহর
Turku – বিখ্যাত দুর্গ এবং ক্যাথেড্রাল সাবেক রাজধানী
বাসা – দক্ষিণ সুইডেনে একটি ছোট শহরে প্রভাব অনুভূত
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya tatil
ফিনল্যান্ড ছুটির দিন

থিংস ফিনল্যান্ড মধ্যে কি যাও

থিংস ফিনল্যান্ড মধ্যে কি যাও আমাকে আপনার জন্য সাধারণ তথ্য দিতে.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

হেলসিঙ্কি

ফিনল্যান্ড এর রাজধানী হেলসিঙ্কি'টি আমি আপনি টাইপ পরিদর্শন করতে সুপারিশ. জাদুঘর, পার্ক, সুন্দর রাস্তায়, একটি শান্ত বায়ুমন্ডলে সঙ্গে একটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ শহর.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya resim
রাজধানীর স্নিগ্ধ ক্যাথিড্রাল (St.Nicholas চার্চ), 1852, C.the. দেবদূত.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

Suomenlinna

হেলসিঙ্কি কেন্দ্র থেকে 15 একটি নৌকা মিনিট এবং আমি Suomenlinna দ্বীপ দুর্গ গিয়েছিলাম সর্বাগ্রে চেনার মধ্যে.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
Suomenlinna finland
Suomenlinna দ্বীপ Alper Celebi.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

Turku

বন্ধুরা এবং Turku, Mikko Satun গ্রহণ করে এবং প্রায় আমরা একটি সুন্দর দিনে ছিল, তাছাড়া, আমি তুরস্ক-ফিনল্যান্ড বন্ধুত্ব এসোসিয়েশন নির্বাহী এক সঙ্গে দেখা. রাজধানীর 150km পশ্চিম, Matkahuolto বাস বা intercity2 (30-40 ইউরো) আপনি ট্রেনে যেতে পারেন.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
turku gezi
Turku
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

Porvoo

আমি Porvoo দেশের দ্বিতীয় প্রাচীনতম শহর কাঠের ঘর পছন্দ. Porvoo হেলসিঙ্কি Kamppi বাস টার্মিনাল রাজধানী শহর 50km পূর্ব, বা বাজার স্কয়ার থেকে PLL. নৌকা মাল্টিকালার বা royalcat দ্বারা পৌঁছানো.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
porvoo
Porvoo
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

গল

ফিনস তিন তলা ফিনিশ Kotka দেশ শৈলী কাঠের ঘর থাকতে আমার বন্ধুদের যেতে, এটা উত্সব ঘড়ি ছিল মহান. আমরা পরিবার বাড়িতে স্টীম বাথ মধ্যে ঘাম গ্রহণ. আমি অন্য বানান আপনাকে বলতে হবে. আমার Kotka পার্ক এই ছবির.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
kotka gezi
গল, ফিনল্যান্ড.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

লেক ডিস্ট্রিক্ট

ফিনল্যান্ড হ্রদ অঞ্চল পূর্ব 60.000 হ্রদ কাছাকাছি এবং দ্বীপ আছে, খুব সুন্দর. বন, একটি হ্রদ যাচ্ছে ছাড়া কাজ ফিনল্যান্ড ট্রিপ অনুপস্থিত থাকে.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finland
ফিনিশ হ্রদ এবং দ্বীপপুঞ্জ খুব সুন্দর.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

Savonlinna

Savonlinna অপেরা Olavinlinna কাসল, বিশেষ করে উৎসবের সময়, ভাল পায়. দূরে বাস করে রাজধানী থেকে হেলসিংকি শহরে 330km 5 ঘন্টা (48 ইউরো), Mikkeli'den 1,5 ঘন্টা (20 ইউরো) পৌঁছানো. হেলসিংকি থেকে ট্রেনে পাঁচ ঘন্টা (48 ইউরো) Savonlinna যেতে পারেন বাস বা লোকাল ট্রেন চলে যেতে Parikkala.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
Savonlinna travel
Olavinlinna কাসল, Savonlinna.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

Hämeenlinna

Hämeenlinna দুর্গ এবং দেশের প্রাচীনতম দুর্গ 13. শতাব্দী. ট্রেনে হেলসিঙ্কি (8-15 ইউরো) 1 জ পৌঁছে যাবে. হেলসিঙ্কি-Tampere বাস এছাড়াও মধ্যে Hämeenlinna স্টপ.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya seyahat
ফিনল্যান্ড ভ্রমণ. Hämeenlinna কাসল.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

স্টীম বাথ

বিশেষ করে সাধারণত কাঠের ঘর একটি ফিনিশ স্টীম বাথ অভিজ্ঞতা,, স্টীম বাথ দেশে ছিল মহান.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
fin sauna
শেষ Saunası
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

সুমেরু প্রভা

অনেক মানুষ সুমেরু প্রভা স্বপ্ন, Saariselka দেখা.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
kuzey ışıklar northern lights
সুমেরু প্রভা
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

Linnanmäki

ঐতিহাসিক কাঠের বেলন বন্দরে বন্দরে যাতায়াতকারী জাহাজ, শুধুমাত্র পাগল মাধ্যাকর্ষণ প্রভাব অধীন দাঁড়িয়েছে. ব্রেক টান প্রতিটি কামরা উপর একটি গার্ড নেই.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiyada yapilacak şeyler
জন্ম বেলন Coster.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

পালতোলা

আপনি হেলসিংকি থেকে আমাকে যথেষ্ট সময় মত হয়, তাহলে স্টকহোম বা তাল্লিন আপনি একটি সুন্দর সমুদ্রযাত্রা করতে পারেন. বানান উপর বিশদ বিবরণ.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya gezi
যাব থেকে জাহাজ দ্বারা ট্রিপ সময় হেলসিঙ্কি, ফিনল্যান্ড.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

ফিনল্যান্ড আহার

ফিনিশ রান্না প্রধান উপাদান আলু এ জন্যে, রুটি (Leipä), মাছ, এবং, দুধ এবং ক্রিম স্ট্যান্ড. আমার বন্ধুদের জন্য প্রত্যেক খাবার দুধ পান করা হয়.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

ফিনল্যান্ড সীফুড খাবারের

বাল্টিক হেরিং – বাল্টিক হেরিং. ক্ষুদ্র ও সুস্বাদু মাছ জরান, সামুদ্রিক, tütsülü, কাবাব করছেন.
স্মোকড স্যামন – Tütsülü স্যামন.
Vendace – ভাজা ছোট মাছ খাওয়া.
Gravlax – কাঁচা স্যামন নুন (স্যামন).
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya yemek
Gravlax – লবণাক্ত স্যামন (স্যামন). ফিনল্যান্ড খাবারের.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

ফিনল্যান্ড মাংসল খাবারের

কারেলিয়ান গরম পাত্র – গরুর মাংস বা শুয়োরের, গাজর ও পেঁয়াজ স্ট্যু থেকে তৈরি করা.
সসেজ – মজা sinapp সরিষা ও বিয়ার খাওয়া সসেজ রিং সঙ্গে.
বিল – Sautéed বলগা হরিণ মাংস.
সসেজ – “ফিনিশ পুরুষদের শাকসবজি” ঐতিহ্যগত ফিনিশ সসেজ বলা.
লিভার বক্স – তন্দুর মধ্যে সূক্ষ্ম Gras, চাল ও কিশমিশ.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya mutfağı
লিভার বক্স, ফিনিশ রান্না.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

অন্যান্য ফিনিশ খাবারের

Karjalanpiirakka – শস্যবিশেষের, চাল MASAS, আলু ম্যাশ, মাখনের প্যাস্ট্রি.
জাউ – জই, বার্লি এবং রাইয়ের থেকে তৈরি ব্রেকফাস্ট জাউ.
মটর স্যুপ – বিশেষ করে বৃহস্পতিবার খাওয়া প্রথাগত মটরশুঁটির স্যুপ.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya yemeği
Hernekeitto স্যুপ, ফিনল্যান্ড খাবারের.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

ফিনল্যান্ড পানীয়

নরম পানীয় ফিনল্যান্ড

বিশ্বের সেরা কফি ফিনস (কফি) গ্রাসকারী পাবলিক. আমি দুধ বলেন (দুধ) তারা খুব ভালোবাসি. জল এছাড়াও ব্ল্যাকবেরি বৈচিত্র্যের (বেরি রস), Viilor অনুরূপ প্রবন্ধ থেকে, সর-তোলা দুধ (দুধ) içiyorlar এর.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya içecek
Viili, পানীয় ফিনল্যান্ড.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

ফিনল্যান্ড মদ্যপ পানীয়

শুধুমাত্র ফিনল্যান্ড বিয়ার বিক্রি দোকান থেকে যে সমস্ত হার্ড মদের রাষ্ট্র alkon বলা. একটি পানীয় সঙ্গে একটি বিখ্যাত দেশের খরচ. বাজারে বিয়ার 1 ইউরো কাছাকাছি, বার 3-5 ইউরো. বাজার ঘন্টা 21:00'বিয়ার এবং বয়স সীমা পর্যন্ত গ্রহণ করা যেতে পারে 18, Alkon থেকে অন্যান্য পানীয় জন্য 20.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
বিয়ার (থেকে OLUT বা Kalju) – ল্যাপ্ল্যাণ্ড গোল্ড, Karelia, Olvi, Koff এবং Karhu beers, সাধারণ.
সিডার (সিডার, সিডার) – Flavour, মিষ্টি পানীয় বিয়ার মত.
Finlandia – %40 মদ্যপ বিখ্যাত ফিনিশ ভদকা.
Koskenkorva (kossu) – ভদকা অনুরূপ কিন্তু একটু যোগ চিনি, %38 মদ্যপ পানীয়.
Salmiakki-Kossu (Cupboards) – ফিনল্যান্ড এর বিখ্যাত নিমকি কালো যষ্টিমধু মিছরি অদ্ভুত একটা ড্রিংক ধারণকারী যে salmiak.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
finlandiya içkileri
ফিনল্যান্ড পানীয় salmiakki.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
আমি এটা দেশের ফিনল্যান্ড আগ্রহী তাদের জন্য একটি ভ্রমণ গাইড না আশা করি. আমি লিখেছি যখন সংঘটনের পরে বোধোদয় এবং অভিজ্ঞতা কি কি
LINK

ছোট কিন্তু সুন্দর দেশ

ঋতু রাণী শরতের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। এর সঙ্গে ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে গরম। গরমের দিন অনেকেই বেশ অস্বস্তিতে থাকেন। কেউ কেউ এসি ছেড়ে ঘরের মধ্যে বসে থাকেন। তাই গরম চলে যাওয়ার পর কোথাও বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা করুন। আজকের এ অনুষ্ঠানে আমরা বিশ্বের বেশ কয়েকটি ছোট ছোট, কিন্তু সুন্দর দেশে বেড়াতে নিয়ে যাবো আপনাদেরকে, কেমন? তাহলে আসুন শুরু করা যাক আজকের অনুষ্ঠান।
সারা বিশ্বে অনেকগুলো ছোট ছোট দেশ আছে। সে দেশগুলোর সবগুলোই যে আলাদা এবং অখণ্ড ভৌগোলিক সীমায় অবস্থিত তা কিন্তু নয়। কিছু ছোট দেশ আছে যে দেশগুলোর অবস্থান বড় দেশের ভৌগলিক সীমার মধ্যে। দেশ ছোট হলেও এ সব দেশে রয়েছে মনমাতানো আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পদ।
সান মারিনো
প্রথমেই চলুন, আমরা সান মারিনো দেশটিতে বেড়াতে যাই। সান মারিনো ১৫৯৯ সালে স্বাধীন হয়েছে। পুরো দেশটির অবস্থান ইতালির ভৌগলিক সীমানার মধ্যে। এর আয়তন মাত্র ৬২ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ৩০০০। এ দেশে রয়েছে বহু পাহাড় এবং মধ্য শতাব্দী ও রেনেসাঁ সময়ের ক্যাসল বা দুর্গ। প্রকৃতি এবং ঐতিহ্যের এই মহামিলন সত্যিই অভূতপূর্ব অনুভূতির সৃষ্টি করে। পর্যটকরা এখানে বেড়াতে খুব পছন্দ করেন। আপনি শুনে অবাক হবেন যে, গত বছর এই ছোট্ট সুন্দর দেশটিতে ২০ লাখেরও বেশি পর্যটক ভ্রমণ করেছিলেন।

ব্রুনেই
ব্রুনেই মালয়েশিয়ার পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত। সেখানে রয়েছে সমৃদ্ধ মত্স্য এবং জাহাজ শিল্প। এছাড়া দেশটিতে রয়েছে বিপুল তেল সম্পদ। গত ৬শ' বছর ধরে ব্রুনেই একটি পরিবারের নেতৃত্বে চলে আসছে। কিন্তু বর্তমানে ব্রুনেইয়ের রাজপ্রাসাদ ও পার্লামেন্টের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। তবুও রাজ পরিবারটি ৪ লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত দেশটিতে এখনও সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী। ব্রুনেইয়ের তেল সম্পদের স্তর সমুদ্রের নিচে। সেজন্য দেশটির অনেক দ্বীপের কোনো উন্নয়ন হয়নি। প্রকৃতি, বন-জঙ্গল, রঙিন ডুবো পাহাড়, সুন্দর নদনদী, আধুনিক স্থাপত্য এবং মালয়েশিয়া ও চীনা সংস্কৃতির সম্প্রীতির সহাবস্থানে ব্রুনেই পরিণত হয়েছে এক ভিন্ন দৃশ্য ও গল্পের রাজ্যে।
লেসোথো রাজ্য
লেসোথো রাজ্যটি দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত। এটি হচ্ছে অন্য দেশের ভিতরে অবস্থানকারী বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ। দেশটির অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮০০ মিটার উপরে। সেজন্য দেশটি আকাশ রাজ্য হিসেবে খ্যাতি লাভ করে। শীতকালে দেশটি বরফের চাদর মুড়ি দিয়ে থাকে। এখানে আপনি হাইকিং, অশ্বারোহণ, স্কিইং করতে পারেন। আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে লেসোথো হচ্ছে একমাত্র অঞ্চল, যেখানে স্কিইং করা যায়। লেসোথার একটি ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস রয়েছে। গত ৬২০ শতাব্দীর ৬০-এর দশকে লেসোথো স্বাধীন হয়। লোসোথা দক্ষিণ আফ্রিকার ভৌগলিক সীমানার মধ্যে থেকেও দক্ষিণ আফ্রিকার অন্তর্গত না হতে বা তার স্বাধীন অস্তিত্ব বিলীন না করতে ব্রিটেনের কাছে সহায়তা চেয়েছিল। এর ফলে, বিগত শতাব্দী জুড়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের সর্বব্যাপী কালো থাবা লেসোথোর ওপর কোনোই প্রভাব ফেলতে পারেনি।

লিচেনস্টাইন
লিচেনস্টাইন যেটি রয়েছে অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ডের মাঝখানে। দেশটিতে জার্মান ভাষায় কথা বলা হয়। লিচেনস্টাইনও একটি সুন্দর পাহাড়ি দেশ। প্রতি বছর অনেক পর্যটক এখানে স্কিইং করতে যান। সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে দেশটির ব্যাপক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে। সেজন্য দেশটিতে সুইস ফ্রান্ক মুদ্রার প্রচলন রয়েছে। দেশটির রাজধানীতে অনেক সুন্দর ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য এবং নামি দামি শপিং মল রয়েছে। লিচেনস্টাইন ১০ম শতাব্দিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর জনসংখ্যা মাত্র ৩০০০০।
লুক্সেমবার্গ
লুক্সেমবার্গ ইউরোপের আরেকটি ছোট দেশ। দেশটি ফ্রান্স, জার্মানি ও বেলজিয়ামের মাঝখানে রয়েছে। যেখানে আছে সুন্দর প্রাসাদ, দুর্গ আর গ্রাম। দেশটির রাজধানী লুক্সেমবার্গ সিটি। অধিকাংশ নাগরিক উপকণ্ঠে থাকেন। সুন্দর উপত্যকা আর রূপকথার মতো ক্লাসিক এবং মার্জিত দৃষ্টিনন্দন শহরের টানে প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক ছুটে যান ছোট্ট সুন্দর দেশটিতে। সেখানকার উন্নত ব্যাংকিং, প্রযুক্তি ও ইস্পাত শিল্পের কারণে লুক্সেমবার্গ বর্তমানে ইউরোপের সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর অন্যতম। বর্তমানে দেশটির জনসংখ্যা ৫ লাখ। আয়তন ২৫৯০০বর্গকিলোমিটার।
2014-08-21
MAIN LINK

আমার ভিয়েনা ভ্রমণ নোট

অস্ট্রিয়া'এস রাজধানী ভিয়েনা, অনেক জন্য ইউরোপ শিল্প রাজধানী. যা ভিয়েনা একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্র, আমি Habsburg রাজবংশের শতাব্দী যখন বাড়িতে এই সম্পত্তি বাছাই করা. বুদাপেস্ট-ভিয়েনা-প্রাগ আমার ভ্রমণ সময় আমি কারণে আমি আমার পায়ের উপর অবতরণ করেছে, তারপর অন্য দুটি শহরে আরামে থাকতে হবে দীর্ঘ উচ্চ মূল্য কয়েক দিনের জন্য ভিয়েনা পরিদর্শন করেন কিন্তু আমি জায়গা অধিকাংশ যান জলের যেতে সক্ষম ছিল, উভয় সম্পূর্ণভাবে পাদদেশ. কাজ আমার ভিয়েনা ভ্রমণ নোট ve bir Viyana turu için gezilecek yerler listesi ve rehberi, ulaşım ve yemek bilgileri.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
avusturya gezi
আমি Graben রাস্তার. ভিয়েনা ভ্রমণ নোট, অস্ট্রিয়া.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
ভিয়েনা এবং বুদাপেস্ট VOLANBUSZ কোম্পানি Nepligeti মধ্যে Eurolines বাস টার্মিনাল থেকে বাস আছে. টিকিটের দাম 10-20 ইউরো এবং রাস্তা মধ্যে পরিবর্তিত হয় 3.5 ড্রাইভিং ঘন্টা. ভিএনা ইস্তানবুল থেকে Varan এমনকি দুই দিন সপ্তাহে বাস ছিল, টিকেট 100 ইউরো কাছাকাছি. আপনি ভিয়েনা পোস্ট বাস বাস শহর থেকে এয়ারপোর্ট থেকে প্লেনে যান, আপনি S-Bahn ট্রেন বা বিড়াল দ্রুত ট্রেন পৌঁছাতে পারেন. আপনি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট যেতে চান একটি ট্যাক্সি হয় না 2 তা না হয় 30 ইউরো.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
viyana
দানিউব নদীর তীরে.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

থিংস ভিয়েনা মধ্যে কি যাও

Şehir turu için kentte bulunan থিংস এবং তথ্য.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
1. আজিজ স্টেফান ক্যাথিড্রাল
ভিয়েনা কেন্দ্রে 1365 বছর সেন্ট স্টিফেন এর ক্যাথিড্রাল নির্মিত (সেন্ট স্টিফেন এর ক্যাথিড্রাল, Domkirche সেন্ট. ভিয়েনা থেকে স্টেফান), ভিয়েনা এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইকন. Stephansplatz স্কয়ার, গোথিক আর্কিটেকচার এবং চতুর্থ সঙ্গে রোম শহর হৃদয়, অস্ট্রিয়া ডিউক উপর ক্যাথিড্রাল. এটা রুডলফ দ্বারা নির্মিত ছিল.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
stephens
স্টেফান ক্যাথিড্রাল.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
স্টিফেন এর ক্যাথিড্রাল মিনার যেতে 7x7x7 = 373 পদক্ষেপ গিয়েছিলাম. ক্যাথিড্রাল এর ঘণ্টা মিনার 1534 পাবলিক অবহিত নির্ধারিত এক বছর কর্মকর্তা রাং অটোমান হানাদারদের পদ্ধতির দেখতে এবং এটি সিভিল সার্ভিস শতাব্দী লাগে. 1956'এটা দেয় (!) ভিয়েনা শহরের সমাবেশ এখন একটি অটোমান বিপদ রয়ে গেছে, এবং টাস্ক মুছে ফেলা হবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
avusturya
ছবির আমি সেন্ট স্টিফেন এর ক্যাথিড্রাল টাওয়ার থেকে গ্রহণ.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
2. Hofburg প্রাসাদ
Hofburg ইম্পেরিয়াল প্রাসাদ, অস্ট্রিয়া এর রাজধানী ভিয়েনা, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ভবন এক. টিকেট অডিও গাইড অন্তর্ভুক্ত 11.5 ইউরো.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
hofburg
Hofburg প্রাসাদ
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
Saray başta Habsburg hanedanlığı olmak üzere Avusturya-Macaristan İmparatorluğu’nun birçok yöneticisine ve hanedanına ev sahipliği yaptı. Hofburg Sarayı daha çok kışlık malikane olarak kullanılırken, birazdan bahsedeceğim Schönbrunn Sarayı yazlık olarak tercih edildi. Sarayda 4.659.852 tane tarihi eser var.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
Hofburg-Habsburg Sarayi
Hofburg প্রাসাদ
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
Ünlü Fransız Kraliçesi Marie Antoinette, Hofburg Sarayı’nda dünyaya geldi. 1654 yılında yapılan saray, mutlaka gezilmesi gereken bir yer. Fotoğraf çekmek fazladan ücretliydi ve ben ödemedim, bunu çaktırmadan çektim.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
habsburg saray
Hofburg Sarayı’nda toplantı salonu.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
3. Schönbrunn Sarayı

Viyana’daki Schönbrunn Sarayı (Schloss Schönbrunn), প্রাসাদ যেখানে অস্ট্রিয়া এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক মিনার, দেশের সবচেয়ে পরিদর্শন জায়গা. Schönbrunn প্রাসাদ ইউরোপ এর সবচেয়ে সুন্দর প্রাসাদ এক পরিদর্শন করার জন্য টিকেট বিক্রি, আপনি করে দেখতে পারেন 8.5 – 18 ইউরো মধ্যে বিন্যাস.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
schonbrunn saray
Schönbrunn Sarayı, ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
সপ্তদশ শতাব্দীতে, সম্রাট. Leopold, বারোক স্থপতি বার্নহার্ড ফিসার ভন Erlach রাজকীয় পরিবারের জন্য একটি গ্র্যান্ড শিকার বীবর নির্মাণ tasked হয়. 1683এতে ২. ভিয়েনা অবরোধ, এটা বলা হয় যে পার্শ্ববর্তী ভবন ধ্বংস. বাড়ী এবং বাগান নির্মাণ 1744-1749 বছর সম্রাগ্গী মারিয়া থেরেসা দ্বারা সম্পন্ন হয় মধ্যে. সম্রাট ২. কার্ল, 1918'ইঙ্গিত যে বাম এবং এখানে আধিপত্য শেষ Habsburg বংশের সিংহাসন লক্ষণ চুক্তি. আজ, উভয় সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক অস্ট্রিয়া এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
Schönbrunn
প্রাসাদ থিয়েটার, Schönbrunn Sarayı, ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
4. প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর
প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর (Naturhistorisches যাদুঘর) ধরনের বৃহত্তম এবং ইউরোপ এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাদুঘর থেকে. 39 এবং বিশ্ব সম্পর্কে প্রদর্শনের বস্তু হাজার হাজার হল বাস. মূল্যবান ধাতু, বিরল জীবাশ্ম, আছে দৈত্য ডাইনোসর এবং প্রাগৈতিহাসিক অনন্য খুঁজে বের করে. Burgring রাস্তার 7 সংখ্যা জাদুঘর থেকে অনুপ্রবেশ টিকেট: সেখানে 10 ইউরো, বৃদ্ধ 8 ইউরো, ছাত্র 5 ইউরো. (আপনি নিচের ছবির মধ্যে আমাকে খুঁজে পেতে পারেন)
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
avusturya
এর প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর, ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
5. ভিয়েনা রাজ্য অপেরা
On dokuzuncu yüzyılın ortasında inşa edilen Devlet Operası (Wiener Staatsoper), sanat dünyasına göre dünya operasının merkezi. Herbert von Karajan buranın yöneticiliğini yaptığı dönemde operaların kendi dillerinde sergilenmesini başlattı, ondan önce tümü Almanca gösteriliyordu. Viyana’da yapılacak şeylerin başında klasik müzik konserine gitmek geliyor.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
viyana operasi
ভিয়েনা রাজ্য অপেরা / Staatsoper
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
6. Albertina Müzesi
Albertina Müzesi Avusturya’nin baskenti Viyana’nın önemli sanat müzelerinden biri. 65.000’den fazla çizimin yanı sıra ağaçbaskı, প্রস্তর হইতে মুদ্রণ এবং বিশ্বের গ্রাফিক কাজ বৃহত্তম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রহে এক সঙ্গে কাজ করার একটি সংগ্রহ সঙ্গে যেমন শিল্পকর্মের হিসাবে কৌশল এবং তাই আধুনিক গ্রাফিক্স দ্বারা তৈরি একাধিক মিলিয়ন মুদ্রণ কাজ. স্কয়ার যাদুঘর এ Albertinaplatz পূর্ণ টিকেট 12 ইউরো, ছাত্র টিকেট 8.5 ইউরো.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
viyana muze
Albertina Müzesi, ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
7. Kunsthistorisches যাদুঘর
শিল্প ইতিহাস যাদুঘর (Kunsthistorisches যাদুঘর) আলংকারিক শিল্প ও চারুকলা এলাকায় বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা আছে. কাছাকাছি 700.000 মানুষ যদি আপনি সম্পূর্ণ টিকেট আছে যেখানে যাদুঘর পরিদর্শন করেন 14 ইউরো 19 কম বয়সী যারা বিনামূল্যে.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
viyana müze
Kunsthistorisches যাদুঘর / Kunsthistorisches যাদুঘর
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
8. মারিয়া VOM নিরোধ চার্চ
ভিয়েনা Fünfhas এর আশেপাশে বেল্ট রাস্তার 1875 মারিয়া VOM নিরোধ চার্চ সম্পন্ন নির্মাণ 68 মিটার উঁচু টাওয়ার নব্য গোথিক শৈলী. অন্ধকার এবং গথ বহি ভবন বিপরীতে, উজ্জ্বল অভ্যন্তর এবং নব্য বাইজেন্টাইন শৈলী.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
Maria Vom Siege Viyana
মারিয়া VOM নিরোধ চার্চ, পাঁচ হাউস, ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
9. সেন্ট. পিটার এর চার্চ
আজ শহরের প্রাচীনতম গির্জা স্থানে, মধ্যযুগ, সেন্ট পিটার্স চার্চ নির্মিত (Peterskirche), একটি বারোক রোমান ক্যাথলিক চার্চ.

viyana kilise
সেন্ট পিটার্স চার্চ, ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
10. Mariahilfe চার্চ
এই গির্জা ভিয়েনা এর ষষ্ঠ জেলা Mariahilfe হিসাবে একই নাম আছে. 1689 Sebastiano মধ্যে কার্লো দ্বারা নির্মিত ছিল, 1715 ফ্রানজ Janggl দ্বারা পুনঃডিজাইন মধ্যে. ফ্রেস্কো চার্চ ছয় chapels আমরা আজ Mariahilfe দেখতে 1760 যোহান ফ্রানজ জাভার Hauzing এবং করেনি. মধ্যে 1763 বছর একটি মহান অঙ্গ থেকে ডেটিং.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
viyana kilise
Mariahilfe চার্চ, ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
আপনি সময় ভিয়েনা বুরূজ প্রাসাদ আছে, Biblioteka, অপসরণ Jugendstil শিল্প ঘর, প্র্যাটার চিত্তবিনোদন পার্ক এবং চিত্তবিনোদন এলাকা, Augarten প্রাসাদ এবং পার্ক, এছাড়াও আপনি Stadtpark নামে শহর পার্ক পরিদর্শন করতে পারেন.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
viyana biblioteka
Bibliothek ভিয়েনা, Prunksaal.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

ভিয়েনা আরবান ট্রান্সপোর্ট

প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
ভিয়েনা আরবান ট্রান্সপোর্ট বিনামূল্যে স্থানান্তর সহ একক টিকেট, জন্য 2 ইউরো. 24 সীমাহীন ভ্রমণ টিকেট প্রস্তাব ঘন্টা 6.70 ইউরো, 48 প্রতি ঘণ্টায় 11.7 ইউরো, 72 টিকেট ঘন্টা 14.5 ইউরো. বিভাগ আইকন দ্বারা নির্দেশিত 5 মেট্রো লাইন, 100 কাছাকাছি বাস লাইন, 29 ট্রাম লাইন এবং কমিউটার ট্রেন (S-Bahn) শহুরে পরিবহন প্রদান. শুক্রবার এবং শনিবার রাত মেট্রো লাইন 24 ভজনা ঘন্টা, রাতে সময় হিসেবে যে রাতে নাইট লাইন বাস ও মিনিবাস নির্দিষ্ট বিন্দুর মধ্যে চলমান সপ্তাহের সব দিন (ASTAX) ছিল.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
ভিয়েনা একটি সুবিধাজনক শহর সাইকেল যাত্রায়. সাইকেল ভাগ CityBike সিস্টেম শহর অনেক পয়েন্ট আছে 1 আপনার ক্রেডিট কার্ড বা ইউরো বিনিময়ে 2 আপনি ইউরো Touristcard করে রেজিস্টার করতে পারেন. প্রথম ঘন্টা আপনার সাইকেল থেকে পেতে সর্বদা বিনামূল্যে. পরবর্তী ঘন্টা 1 ইউরো, üçüncü মুহূর্ত 2 ইউরো হিসাবে যাচ্ছে. কিন্তু আপনার সাইকেল শপিং থেকে প্রতিটি ফিরে 15 সিস্টেম রিসেট এবং এখনও বিনামূল্যে পর মিনিট 1 ঘড়ি যাচ্ছে. সুতরাং, এর শহর 1 আপনি ইউরো সাইকেল পরিদর্শন করতে পারেন.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
viyana avusturya
ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন

ভিয়েনা খেতে কি? অবশ্যই, শনিটসল!

প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
ভিয়েনা şinitzel খাওয়া এবং গরুর মাংস দিয়ে তৈরি করা হয়, না মুরগির মাংস হিসাবে আমরা জানি. Wollzeile রাস্তার 5 Figlmüller রেষ্টুরেন্ট শনিটসল সংখ্যা জন্য বিখ্যাত, দাম অনুসারে হয়: আলু স্যুপ 4 ইউরো, şinitzel 14 ইউরো, লিভার ভাজা 12 ইউরো, মুরগির মাংস 11 ইউরো, গোলাস 14 ইউরো, এই দেশীয় সেদ্ধ করা গরুর মাংস 16 ইউরো. Schnitzelwirt একটি রেস্টুরেন্ট নামক একটি সালাদ সঙ্গে বরাবর শনিটসল বৃহৎ অংশ 10 ইউরো. প্র্যাটার রাস্তার 116 সংখ্যায় Schweizerhaus বলা অস্ট্রিয়ান রান্না রেস্টুরেন্ট জন্য আদর্শ; সূপ 3-4 ইউরো, মাংস প্রধান খাবারের 7-12 ইউরো, স্যালাডে 3.5 ইউরো. Burggarten রাস্তার 1 আড়ম্বরপূর্ণ Palmenhaus 'সংখ্যা শনিটসল 18 হিসাবে এটি হওয়া উচিত ইউরো কিন্তু, গরুর মাংস থেকে তৈরি করা হয়, কিন্তু আজ শুয়োরের মাংস শনিটসল অনেক রেস্টুরেন্ট সঙ্গে কাজ করা হয়, সবচেয়ে বিখ্যাত Figmül সহ. Schnitzelhaus রেস্টুরেন্ট নামক শুয়োরের মাংস শনিটসল মধ্যে 5.5 ইউরো, এখানে সস্তা না.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
gercek sinitzel viyana
Viyana’da gerçek şinitzel. অস্ট্রিয়া.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
Ucuz yemek isterseniz benim gibi ara sokaklarda rastlayabileceğiniz küçük bir aile lokantasına gidebilirsiniz. Wienerwald adlı lokanta zincirini Viyana’nın her yerinde görebilirsiniz. Örneğin tam merkezde, সেন্ট. Stephan Katedrali’nin karşısındaki Goldschmiedgasse’de bir tane var. Burada ucuz ve yöresel Avusturya yemekleri yiyebilirsiniz. Birkaç tabaktan oluşan bir yemek 15 Avro civarında tutuyor.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
Viyana’nın tipik ucuz yemeği sosis. Kentin her yerindeki Würstlstand adlı büfe-kafelerden sosisli sandviç yiyebilirsiniz. Tahmin edersiniz ki Viyana’da Türk dönerci çok, ve bunların birçoğu dilim pizza da satıyor. Kebapçıların en iyileri Naschmarktএর '. বাজার নীচে, অন্য যে শেষ তুলনায় সস্তা শহর কেন্দ্র Karlsplatz বন্ধ না হয়, যে ভাবে হাঁটুন. Naschmarkt আছে শুধু একটি স্থানীয় কাবাব রেস্টুরেন্ট নয়.
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
প্রাক্প্রচার পরীক্ষা ডাউনলোড করুন
viyana gezi
একটি ব্যাংক বিল্ডিং মধ্যে স্টক তোমার দর্শন লগ করা Eisen স্কয়ার, ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া.
MAIN LINK

সেনজেন ভিসার বিস্তারিত!

ইউরোপীয় দেশগুলোকে নিয়ে একটি একীভূত অঞ্চল তৈরি করে দেশগুলোর মধ্যে মানুষের যাতায়াত সহজ করা লক্ষ্য নিয়ে ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের সেনজেন শহরে একটি চুক্তি সাক্ষর করে কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ। বলা যায় সেই চুক্তির ধারাবাহিকতাতেই সৃষ্টি হয়েছে সেনজেন এলাকা এবং সেনজেন ভিসা। ইউরোপের অধিকাংশ এলাকা এই সেনজেন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং কেবল সেনজেন ভিসা নিয়েই ৯০ দিনের জন্য বেড়ানো বা ব্যবসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে ইউরোপ ঘুরে আসা যায়।
সেনজেন ভিসার আওতাভুক্ত দেশগুলো:
  • অস্ট্রিয়া
  • আইসল্যান্ড
  • ইতালি
  • এস্তোনিয়া
  • গ্রিস
  • চেক রিপাবলিক
  • জার্মানি
  • ডেনমার্ক
  • নেদারল্যান্ড
  • নরওয়ে
  • পোল্যান্ড
  • পর্তুগাল
  • ফ্রান্স
  • ফিনল্যান্ড
  • বেলজিয়াম
  • মাল্টা
  • লুক্সেমবার্গ
  • লাতভিয়া
  • লিথুয়ানিয়া
  • স্পেন
  • স্লোভাকিয়া
  • স্লোভেনিয়া
  • সুইজারল্যান্ড
  • সুইডেন
  • হাঙ্গেরি
এই সবগুলো দেশেই বেড়ানো বা ব্যবসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে সেনজেন ভিসা নিয়ে যেতে পারেন বাংলাদেশিরা। সেনজেন ভিসা নিয়ে সর্বোচ্চ ৯০ দিন ইউরোপে অবস্থান করা যায় এবং ভিসার মেয়াদ ছয় মাস। ভিসার মেয়াদ থাকাকালীন সময়ে একই ভিসা ব্যবহার করে বারবার সেনজেন এলাকার দেশগুলোতে প্রবেশ করা যায় তবে সব মিলিয়ে ৯০ দিনের বেশি সেখানে অবস্থান করা যাবে না।
ভিসা নেয়ার সময় গন্তব্য উল্লেখ করতে হয়। বাংলাদেশি ভ্রমণকারীরা ঢাকার যেসব কূটনৈতিক মিশন থেকে ভিসা সংগ্রহ করতে পারেন:
  • ফ্রান্স দূতাবাস: ফ্রান্সের ওভারসীজ টেরিটরি মনাকো এবং এন্ডোরা এবং বুরকিনা ফাসো, মধ্য আফ্রিকা, ডিজিবুতি, গ্যাবন, আইভরি কোস্ট, মৌরিতানিয়া, সেনেগাল, টগো এসব দেশে মূল গন্তব্য হলেও ফ্রান্স দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
  • চেক রিপাবলিক: চেক রিপাবলিকে ফ্যামিলি ও ভিজিট ভিসার জন্য দিল্লীতে চেক রিপাবলিকের হাই কমিশনে যোগাযোগ করতে হবে।
  • জার্মান দূতাবাস: জার্মানি ও এস্তোনিয়া ভ্রমণের জন্য জার্মান দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
  • ইতালি দূতাবাস: ইতালি, গ্রিস ও মাল্টা ভ্রমণের জন্য ইতালি দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
  • সুইডেন দূতাবাস: সুইডেন, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, পোল্যান্ড, লাতভিয়া, নেদারল্যান্ড এবং স্লোভেনিয়া ভ্রমণের জন্য সুইডেন দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
  • সুইজারল্যান্ড দূতাবাস: সুইজারল্যান্ড ভ্রমণের জন্য সুইজারল্যান্ড দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
  • স্পেন দূতাবাস: স্পেন ভ্রমণের জন্য স্পেন দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে।
ভিসা আবেদন যেভাবে করতে হবে:
ভিসা আবেদন ফরমের দু’পাশে প্রতিটি ঘর পূরণ করতে হবে। কোন ঘর ফাঁকা থাকলে বা ভুল তথ্য থাকলে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয় না। আবেদন ফরমের এক কপি জমা দিলেই চলবে আর তাতে অবশ্যই তারিখসহ সাক্ষর থাকতে হবে।
আবেদন ফরমের সাথে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
  • সাম্প্রতিক তোলা দুই কপি ছবি। সাদা পটভূমিতে ছবি তুলতে হবে, চোখে কালো চশমা বা মাথায় টুপি জাতীয় কিছু রাখা যাবে না আর ছবিতে অবশ্যই পুরো মুখমণ্ডল আসতে হবে।
  • ভ্রমণ শেষ হওয়ার পরও অন্তত ছয় মাস মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।
  • পাসপোর্টের ডাটা পেজগুলোর পরিষ্কার ফটোকপি যুক্ত করতে হবে।
  • সবগুলো সেনজেন দেশে প্রযোজ্য এবং অন্তত ৩০ হাজার ইউরো মূল্যমানের স্বাস্থ্য বীমা প্রয়োজন হবে।
  • জমা দেয়া প্রতিটি কাগজের মূলকপির সাথে একটি করে ফটোকপিও দিতে হবে।
  • কোন কাগজ বাংলায় থাকলে সেটার সাথে ইংরেজি বা জার্মান অনুবাদও যুক্ত করতে হবে।
বিজনেস ভিসার জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
  • ভ্রমণকারী যে দেশে যেতে চাইছেন সে দেশের কোম্পানির পাঠানো আমন্ত্রণপত্রের মূলকপি প্রয়োজন হবে। এই আমন্ত্রণপত্র অবশ্যই ইংরেজি বা জার্মান ভাষায় হতে হবে।
  • ভ্রমণকারী বাংলাদেশের যে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে ভ্রমণে যাচ্ছেন সে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের তরফে ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে লেখা চিঠি জমা দিতে হবে। প্রতিষ্ঠানের মালিকের জন্যও একই নিয়ম প্রযোজ্য।
  • বিগত তিন মাসে কোম্পানির ব্যাংক হিসাব বিবরণী।
  • কোম্পানির সার্টিফিকেট অফ ইনকর্পোরেশন অথবা মেমোরেন্ডাম এন্ড আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ট্রেড লাইসেন্স
  • বাংলাদেশে এবং বাইরে লেনদেনের তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
সেনজেন দেশগুলো আয়োজিত বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে আরও অতিরিক্ত কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
  • হোটেলের ঠিকানাসহ হোটেল রিজার্ভেশন এবং
  • স্টল বরাদ্দ হয়ে থাকলে এক্সিবিটর পাস।
বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সদস্যের সাথে দেখা করতে যেতে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
  • যার সাথে দেখা করতে যাওয়া হচ্ছে তার সাক্ষরিত গ্যারান্টর ফরম,
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে),
  • হোটেল বুকিং (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। হোটেল বুকিং কনফার্মেশনের ই-মেইল প্রিন্ট আউট গৃহীত হয় না।
  • অন্তত বিগত তিন মাস সময়কালে ব্যক্তিগত হিসাব বিবরণী,
  • ভ্রমণকারী যার সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন তার সাথে সম্পর্কর প্রমাণপত্র এবং
  • ফ্লাইট রিজার্ভেশন কপি।
ভ্রমণ ভিসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
  • হোটেল বুকিং (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। হোটেল বুকিং কনফার্মেশনের ই-মেইল প্রিন্ট আউট গৃহীত হয় না।
  • ভ্রমণকারী কোন কোন জায়গায় ভ্রমণ করতে চলেছেন তার বিস্তারিত।
  • ম্যারেজ সার্টিফিকেট, বার্থ সার্টিফিকেট এবং সন্তান সন্ততির তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  • অন্তত বিগত তিন মাস সময়কালে ব্যক্তিগত হিসাব বিবরণী।
শিশুদের ক্ষেত্রে:
বাবা-মা বা বৈধ অভিভাবকের অনুমতিপত্র জমা দিতে হবে। এছাড়া শিশুদের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে বাবা-মা বা অভিভাবকে অবশ্যই দূতাবাসে উপস্থিত থাকতে হবে।
এয়ারপোর্ট ট্রানজিট ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
  • সেনজেন এলাকা ছাড়ার পর ভ্রমণকারী যে দেশে যাচ্ছেন সে দেশের ভিসা,
  • ফ্লাইট রিজার্ভেশন,
  • প্রথমবার ভ্রমণের ক্ষেত্র বিজনেস ভিসা সংক্রান্ত সব ধরনের কাগজপত্র প্রয়োজন হবে,
  • ট্রানজিট ভিসার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবীমা প্রয়োজন হয় না।
প্রয়োজনীয় তথ্য
  • ভ্রমণের নির্ধারিত তারিখের চার থেকে ছয় সপ্তাহ আগে ভিসা আবেদনপত্র জমা দেয়া উচিত।
  • সাধারণত ৭ কর্মদিবসের মধ্যেই সেনজেন ভিসা ইস্যু হয়ে যায়। তবে কাগজপত্র যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত লাগতে পারে।
  • ভিসা ইস্যু হওয়ার পর পাসপোর্ট সংগ্রহের সময়ই ভিসা কিভাবে দেয়া হয়েছে সেটা দেখে নেয়া উচিত। কোন সমস্যা থাকলে সাথে সাথেই ভিসা কাউন্টারে জানাতে হবে।
  • নকল বা জালিয়াতি করা পাসপোর্ট জমা দিলে সেগুলো জব্দ করে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
  • শুধু ভিসা আবেদনের সময়ই নয়, সেনজেন এলাকার দেশগুলোতে প্রবেশের সময়ও আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দেখাতে হয়। সেনজেন ভিসাই সেনজেন এলাকায় প্রবেশের একমাত্র নিশ্চয়তা নয়।
  • প্রতিটি ভিসার জন্য ৬০ ইউরো সমপরিমাণ টাকা এডমিনিস্ট্রেশন ফি হিসেবে জমা দিতে হয়। ভিসা সাক্ষাতকারের পরপরই এই ফি দিতে হয়।
  • দূতাবাসে ভ্রমণের আমন্ত্রণপত্র না পাঠিয়ে ভিসা আবেদনকারীর কাছে আমন্ত্রণপত্র পাঠাতে হবে এবং তিনি ভিসা আবেদনের সাথে আমন্ত্রণপত্র জমা দেবেন।
উল্লেখ্য ইউরোপের সেনজেন ভিসা তথা Visa Information System কিভাবে কাজ করে? এই লেখাটি পরতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।
এবং ইউরোপের সেনজেন ভুক্ত বিভিন্ন দেশ গুলোর ডকুমেন্টস গুলো দেখতে কেমন? এই লেখাটি পরতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।
আবার যারা ইতিমধ্যে ইউরোপের সেনজেন ভিসা নিয়ে ইউরোপে প্রবেশ করে বর্তমানে অবৈধ রয়েছেন? এবং কিভাবে পর্তুগাল গিয়ে বৈধ হবেন!! তথা পর্তুগালের কাগজ পাবেন? এই লেখাটি পরতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।
এবং ইউরোপের মাইগ্রেশন থেকে শুরু করে যেকোনো বিষয়ে যেকোনো ধরনের সাহায্য ও সহযোগিতার জন্য সরাসরি আমিওপারি টিম এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমাদের সাথে যোগাযোগ করার বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
আর যারা আপনাদের ফেসবুকে আমিওপারির প্রতিটি লেখা পেতে চান তারা এখানে ক্লিক করে আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে গিয়ে লাইক দিয়ে রাখতে পারেন। তাহলে আমিওপারিতে প্রকাশিত প্রতিটি লেখা আপনার ফেসবুক নিউজ ফিডে পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ।

by Lesar on মার্চ ১৮, ২০১৫

ভ্রমণ- 'আমার দেখা নরওয়ে'

আমার মেয়ে-জামাই মধ্য সুইডেনের সটিনাস নামক স্থানে বসবাস করে।
সটিনাস সুইডেনের এয়ার বেস এলাকা। জামাই আবহাওয়াবিদ এখানকার। নতুন নাতি হয়েছে আমার।
তাকে দেখার জন্য আমি ব্যাকুল হয়ে উঠেছি। তাই ছুটে গেলাম সটিনাসে নাতিকে দেখতে। কয়দিন আনন্দ-উল্লাসের মধ্যে কেটে গেল আমার। কিন্তু জনমানবহীন নির্জনতা আস্তে আস্তে আমাকে বিষণœ করে তোলে। আমি হাঁপিয়ে উঠলাম। জামাই-মেয়ে টের পেল আমার বিষণœতার কারণ। তারাও উদ্বিগ্ন হয়ে আছে আমাকে নিয়ে। মাঝে মাঝে আমার মেয়ে বের হয় প্যারামবুলেটারে বেবিকে নিয়ে আমাকে সঙ্গ দিতে এয়ারবেসের ভেতরে হেঁটে বেড়াতে। একদিন গথেনবর্গ থেকে ওর এক সুইডিশ বান্ধবী এলো স্বামীসহ ওর বাচ্চাকে দেখতে। সঙ্গে অনেক উপহার। তারা দুইদিন থাকলোÑ বাড়ির লনে তাঁবু গেড়ে। আমি তাজ্জব বনে গেলাম। এটা নাকি নিয়ম। ওরা কারো ঘরের শৃঙ্খলা নষ্ট করে না। খাওয়া-দাওয়া অবশ্য ঘরেই খায়।

ওদের কাছে রুবা আমার মনের অস্থিরতার কথা বলে হাসতে হাসতে বললোÑ তুমি একবার আমার মাকে পার্শ্ববর্তী নরওয়ে দেশটা দেখিয়ে আন। নরওয়ে তো তোমার মায়ের দেশ। বলা মাত্র ওর বন্ধু রাজি হয়ে গেল। খাওয়ার সময় বলে গেল দুই-একদিনের মধ্যে সে ও তার মা নরওয়ে যাবে। আমি যেন তৈরি থাকি।

২১ জুলাই ১৯৮৭ সাল। খুব ভোরে হঠাৎ ফোন বেজে ওঠে। উলফ এসে ফোন ধরলো। ফোন করেছেন পিয়ার মা। পথেনবর্গ থাকতে পিয়ার মা আমাকে কথা দিয়েছিলেন- সময় ও সুযোগ মতো আমাকে নরওয়ে বেড়িয়ে আনবেন। তিনি তার সেই প্রতিশ্রুতি ভুলেননি। এখন তার সেই সময় ও সুযোগ এসেছে। তিন দিনের জন্য তার ব্যবসাসংক্রান্ত কাজকর্ম তদারকির দায়িত্ব নিয়েছেন তার বাবা। পিয়া ও পিয়ার মা আমাকে নরওরয়ে নিয়ে যাবেন। আগামীকাল সকালে ওরা আমাকে নিতে আসবেন। খবরটা পেয়ে আমার খুব সুবিধা হলো। নিজেকে গুছিয়ে নিতে পারলাম। রুবাও খুশি। পরদিন ঠিক সময় ওরা গাড়ি নিয়ে হাজির।

ভিনদেশী অত্যাধুনিক দুই সুইডিশ মহিলার সঙ্গে আমি বেড়াতে যচ্ছি। তাও আবার যেখানে সেখানে নয়, বাংলাদেশের মানুষের কল্পনার দেশ, স্বপ্নের দেশ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের শেষ প্রান্তের চির তুষারের দেশ নরওয়েতে। কিছুটা ভয়ও হচ্ছে আমার। ভয় হবারই কথা, কী জানি কোথায় যাচ্ছি। এমনিতেই অজানা জিনিসের শঙ্কায় আমি নার্ভাস হয়ে পড়ি। এবার নার্ভাসের মাত্রাটা একটু বেশি এই যা।

পিয়াকে রুবা বারবার সাবধান করে দিয়ে বলে- আমার মা বাংলাদেশের মেয়ে। তোমাদের সাথে একাকী বেড়াতে যাচ্ছেন। তার সুবিধা-অসুবিধার দিকে খেয়াল রেখ।
পিয়া হাসিমুখে রুবার কাছ থেকে সব দায়িত্ব বুঝে নেয়। রুবা দু’দিনের আন্দাজ খাবার-দাবার ছোট একটা থার্মোফাক্স জাতীয় বাক্সে ভরে দেয়। অল্প-স্বল্প কাপড়-চোপড় ছোট একটা ব্যাগে করে দিয়ে দেয় ওখানে ব্যবহারের জন্য। মা যেমন ছেলে-মেয়েকে পরম যতনে প্রবাসে পাঠান, তেমনি আমার মেয়ে আজ আমাকে নরওয়েতে বেড়াতে পাঠাচ্ছে।
আজ ২২ জুলাই সকাল ১০টা। চারদিকে রোদ হাসছে। পিয়া গাড়ি চালাচ্ছে। পিয়ার মা তার পাশে বসে আছেন। আমি পেছনের সিটে একা। সটিনাস থেকে পাঁচ মাইল দূরে গ্রাস নামে ছোট একটা শহরে এসে একটা পেট্রল পাম্পের কাছে গাড়ি থামালো। গাড়ি থেকে নামলো পেট্রল নেয়ার জন্য। পেট্রল পাম্পে কোন কর্মচারী চোখে পড়লো না। প্রয়োজনীয় তেল কেনার জন্য পয়সা ফেলার ব্যবস্থা আছে। পয়সা অনুযায়ী তেল ভরে নিতে হয়। কেউ চুরি করে তেল বেশি নেয় না। পয়সা ফাঁকি দেয়ার বদ মতলব এদের জানা নেই। সটিনাস থেকে নরওয়ের দূরত্ব প্রায় পাঁচ শ’ কিলোমিটার। ট্রেনে এই দূরত্ব পার হতে সময় লাগে ৪ ঘণ্টা। আর গাড়িতে লাগে ৮ ঘণ্টা। পেট্রল ভরা শেষ। এবার গাড়ির স্টিয়ারিং হুইল হাতে নিলেন পিয়ার মা। গাড়ি চলছে অপার্থিব এক জগতের দিকে। রাস্তার দু’ধারে গহিন ঘন ওক, পাইন, বিচ গাছের দিগন্ত জোড়া বর্ণ আমাকে বারবার বিমুগ্ধ করে ফেলছে। পিয়ার মা মাঝে মাঝে সুইডেনের ম্যাপ দেখে নিচ্ছেন। আমাকেও বুঝাতে চেষ্টা করছেন- আমরা কোন দিক দিয়ে নরওয়ে যাচ্ছি। আমি যে খুব বুঝতে পারছি তা নয়, তবুও কিছুটা আন্দাজ করতে হচ্ছে। মধ্যবিত্ত বাঙালি মুসলমান ঘরের মেয়ে আমি। অত্যন্ত সাদামাটা জীবন আমাদের। সুইডেন, নরওয়ে এসব দেশে আমার আসার বিষয়টি স্বপ্নে ছিলো এই সেদিনও। আল্লাহর অপার মহিমায় আমি এই দেশে এসেছি, আবার নরওয়েতেও যাচ্ছি। এটা অবিশ্বাস্য ঠেকছে আমার নিজের কাছেই। কিন্তু স্বপ্ন এখন বাস্তব হয়ে আমার জীবনে ধরা দিয়েছে। এই সত্যকে অস্বীকার করি কেমন করে? পরম করুণাময়ের কাছে লাখ শোকরিয়া এমন সুন্দর দেশটা দেখার সৌভাগ্য হয়েছে বলে।

ঘণ্টা দু’য়েক বিরতিহীন গাড়ি চালিয়ে পিয়ার মা ঝড়ঃধপধহধষ নামে একটি জায়গায় এসে গাড়ি থামিয়ে বললেন- এখানে একটু নামেন। সুইডেনের খুব সুন্দর জায়গা এটা। টুরিস্টরা সব সময় এখানে ভিড় করে থাকে। পিয়ার মায়ের কথায় আমি যেন সম্বিৎ ফিরে পেলাম। এতক্ষণ আমি আরেক জগতে বিচরণ করছিলাম। গাড়ি থেকে নেমে এসে আমরা একটা পুলের ওপর দাঁড়ালাম। এই পুলের একটু নিচ দিয়ে দেখলাম ট্রেন লাইন চলে গেছে। আরও নিচ দিয়ে খাল প্রবাহিত হচ্ছে। খালের মূল মুখে পানির স্বাভাবিক স্রোতের গতি রুদ্ধ করে অন্য দিক দিয়ে প্রবাহিত করানো হয়েছে। যেদিকে খালের পানি যাবার কথা, সেখানে সৃষ্টি করা হয়েছে মনোহর জনপদ। মানুষের চিন্তা, কর্ম, সততা ও পরিশ্রমের সঠিক প্রয়োগে দেশকে যে কী অসামান্য উন্নতির পথে এগিয়ে নিতে পারেÑ এসব দেশে না এলে তা বোঝানো সম্ভব নয়। আমরা হালকা কিছু খাবার খেয়ে আবার গাড়িতে গিয়ে বসলাম।
গাড়ি চলছে নরওয়ে সীমানা লক্ষ্য করে। রাস্তার দু’ধারে কখনো বা চোখে পড়ছে শিলাময় নাতিউচ্চ পাহাড়শ্রেণী, কখনো বা নীল পানির লেক, মাঝে মাঝে ছবির মতো সাজানো জনপদ। সর্বোপরি বড় বড় গাছের সুবিশাল অরণ্য। সব দেখতে দেখতে এক সময় নরওয়ে সীমানায় এসে পৌঁছলাম। চালকের সিট থেকে পিয়া সরে বসলো। এবার পিয়ার মা গাড়ির হুইল ধরে বসলেন। চেক পোস্ট বরাবার এসে পিয়ার মা গাড়ির গতি একটু কমিয়ে দিলেন। কিন্তু না কেউ গাড়ি থামানোর নির্দেশ দিলো না। যদিও দু’জন পুলিশ নির্বিকারভাবে চেকপোস্টে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

গাড়ি এখন নরওয়ে সীমানায় ঢুকে পড়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিক দিয়ে এখনো নরওয়েকে আমি সুইডেন থেকে আলাদা চোখে দেখতে পাচ্ছি না। কারণ আমি যাচ্ছি সুইডেনের এক গ্রামীণ এলাকা থেকে। শহর থেকে দূরে এসব গ্রাম ও এলাকার প্রকৃতি সর্বত্র আমার কাছে একরকম মনে হয়। গাড়ি নরওয়ের দিকে একটু এগিয়ে যেতে ভূগোলে পড়া তুন্দ্রা অঞ্চলের দেখা মিললো। নরওয়েকে সুইডেন থেকে আলাদা করার সুযোগ পেলাম। এখন আমার চোখ দূরে ছোট ছোট গাছের দিকে। রাস্তার দু’ধারে দেখা যাচ্ছে একই রকমের দৃশ্য। স্কুলে ভূগোলে ম্যাপ আঁকতে গিয়ে আমরা পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের শেষ মাথায় তুন্দ্রা অঞ্চলকে সবুজ রঙে ছোট ছোট গাছ এঁকে দেখাতাম, দেখাতাম পানির নিশানা। এই সেই তুন্দ্রা অঞ্চল, যাকে আল্লাহ আমাকে চোখে দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন। মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতায় আমার চোখ পানিতে ভরে আসে।
আমরা রওনা দিয়েছিলাম সেই সকাল ১০টায়। এখন বেলা তিনটা। আমরা প্রায় এসে পড়েছি নরওয়ের রাজধানী অসলোর কাছাকাছি। অসলোতে ঢুকতে ঢুকতে চারটা বেজে গেল। অসলোর সেন্ট্রাল রেল স্টেশনের সামনে গাড়ি থামালেন পিয়ার মা। এখানে টুরিস্ট ইনফরমেশন সেন্টার রয়েছে। হোটেল, রেল, বাস এবং সকল দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়। প্রথমে আমাদের একটি মাঝারি রেটের হোটেল প্রয়োজন, পরে অন্য কিছুর ব্যবস্থা। স্টেশনের কাছাকাছি একটা হোটেলে সিট পাওয়া গেল। কিন্তু গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা পাওয়া গেল না। ঠিক হলো স্টেশনে গাড়ি পার্কিংয়ে গাড়ি রেখে আমরা হেঁটে হোটেলে আসা-যাওয়া করবো। মুশকিল হলো হোটেলে ঢুকে। আমরা সিট পেয়েছি আট তলায়। অথচ ওঠার এলিভেটর অচল। সঙ্গিনী পিয়ার মা কিছুতেই এই হোটেলে থাকতে রাজি হলেন না। প্রায় ঘণ্টাখানেক চেষ্টা তদবির করে আর একটা হোটেল পাওয়া গেলো। শহর থেকে বেশ দূরে। তবে দামে একটু সস্তা। হোটেলের নাম হলতি শিলেন সামার হোটেল (ঐড়ষঃবশরষবহ ংঁসসবৎ যড়ঃবষ). এই হোটেলটির একটি বৈশিষ্ট্য আছে। এখানে সতের বছরের ঊর্ধ্ব বয়সী ছেলেদের বিভিন্ন বিষয়ে ৩৩ সপ্তাহের একটি প্রশিক্ষণ কোর্স চালু আছে। এই কোর্স প্রায় সারা বছর চালু থাকে। কেবল ১ জুন থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য হোটেল করে দেয়া হয়। নরওয়েতে এ ধরনের আশিটি হোটেল আছে। সব ক’টি ব্যক্তিগত মালিকানায় পরিচালিত হয়।
আমরা দোতলায় ৩০৫ নং কক্ষে জায়গা পেলাম। তিন বেডের একটি রুম। আমাদের দেশের হোস্টেলের ঢঙে করা। দু’দিকে অনেক রুম, মাঝখানে বারান্দা।

হোটেলে ঢুকতে ঢুকতে প্রায় রাত আটটা বেজে গেল। আমরা তিন জনই শ্রান্ত-কান্ত। পৃথিবীর আরেক প্রান্তের দুই বিদেশিনীর সঙ্গে আমি একা এক বাংলাদেশী প্রৌঢ়া মহিলা। কেমন যেন সঙ্কোচ বোধ করছি। ওরা কিন্তু খুব সহজভাবে আমার সাথে আলাপ-সালাপ চালিয়ে যাচ্ছে। রুমে ঢুকেই পিয়ার মা আমাকে জিজ্ঞেস করলেন- কোন সিট আপনার পছন্দ। আমি জানালার পাশের সিট দেখিয়ে দিলাম। ভদ্র মহিলা সঙ্গে সঙ্গে অষষ ৎরমযঃ বলে আমার মাল-সামানগুলো আমার বেডের সঙ্গে লাগোয়া কাবাডে ঢুকিয়ে রাখলেন। পিয়া মাঝখানের বেডে জুতাসহ ধুম করে শুয়ে পড়লো। কিছুক্ষণ পর উঠে মা-মেয়ে বের হয়ে গেলেন বাথরুমের দিকে।

কিছুক্ষণ পর তারা রুমে ফিরলেন। আমি জানালা দিয়ে তাকিয়ে রহস্যময়ী অসলো নগরীর রাতের রূপ দেখছি। গোটা নগরীটাকে মনে হচ্ছে পাহাড়ের ওপর। পাহাড়গুলো সব বড় বড় পাথুরের চাঁইয়ে ঠাসা। এরপর তিনজনে সঙ্গে আনা খাবার খেলাম। পিয়ার মাও অনেক খাবার সঙ্গে এনেছেন। আমার বিছানার পাশে টেবিলে টিফিন ক্যারিয়ার  থেকে তিনি নামালেন- স্ট্রবেরি, আপেল, কেক, কোল্ড ড্রিঙ্কসের বোতল। সবাই খেয়ে শুয়ে পড়লাম যে যার বিছানায়। পরদিন সকালে রুবার দেয়া নাস্তা করলাম রুমে বসে। পিয়া ও তার মা চলে গেলেন নিচের ক্যাফেটেরিয়াতে নাস্তা করতে। ওরা ফিরে এলে আমরা বেরিয়ে পড়লাম অসলো নগরী দেখার জন্য।

অসলো নগরী আগাগোড়া পাহাড়ে ঠাসা। মাঝে মাঝে পাহাড় কেটে রাস্তা চলে গেছে এদিক-ওদিক। সুন্দর ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কোনটার কমতি নেই। রাস্তাঘাটে মেরামতকাজ চলছে। মানুষজনের চলাচল খুব কম। অনেক দূরে দেখা যাচ্ছে হিমালয়ের মতো পর্বতশ্রেণী। পিয়ার মা প্রথমে নিয়ে গেলেন অসলোর গেট হারবারে। অসংখ্য বোট গেট হারবারে পড়ে রয়েছে। তার পরে নিয়ে গেলেন ১৩০০ শতাব্দীতে তৈরি একটি দুর্গ দেখাতে। এই দুর্গ সতের শ’ শতাব্দীতে পুনর্নির্মাণ করা হয়। ইদানীং এই দুর্গ সরকারি প্রয়োজনে ব্যবহৃত হচ্ছে। ওখান থেকে আমরা অসলো টাউন হলে গেলাম।
বিখ্যাত এই টাউন হলের সামনে রয়েছে অসলো হ্রদ। একদিকে হারবার অন্যদিকে ব্যস্ত নগরী। লাল ইটের দু’টি স্তম্ভ নগরীর শোভা বাড়িয়ে দিয়েছে অনেক।

অসলো টাউন হলের স্থাপত্য শিল্পের অসাধারণ কারুকার্য মেয়র হিরোনিমাস হায়ার ডেল (ঐরবৎড় ঘরসড়ঁং ঐবুবৎ উধযষ)-এর অবিনশ্বর কীর্তি। ১৯১৭ সালে নগরের সিটি ফাদার টাউন হলের জন্য একটা নকশা অনুমোদন করেন। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ১৯২০ সালে শিল্পী আর্নস্টেইন (অৎহংঃবরহ অৎহবনবৎম) আর্নবার্গ ও গধমযঁং চড়ঁষংংড়হ টাউন হলের ভেতরের নকশা আঁকার অনুমতি লাভ করেন। নানা কারণে টাউন হলের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ বাধাপ্রাপ্ত হয়। শেষ পর্যন্ত অসলোর প্রতিভাধর শিল্পীদের রাত দিন পরিশ্রমের ফলশ্রুতিস্বরূপ সম্পূর্ণ নরওয়েজিয়ান শৈল্পিক মাধ্যমে টাউন হলের গায়ে ১৯৪৫ সালের শেষ নাগাদ সম্পূর্ণ কাজ করা হয়। এখন এই টাউন হল সমস্তÍ নরওয়েনবাসীর জন্য একটা গর্বের বস্তু এবং নরওয়েজিয়ান সংস্কৃতিকে দেখার একটা জায়গা। এই হলে একটা মিউজিয়াম রয়েছে। বিদেশী রাজ অতিথিদের দেয়া সামগ্রী এখানে থরে থরে সাজানো। বাংলাদেশ ছাড়া প্রায় সব দেশেরই কিছু না কিছু দেশীয় উপহার সামগ্রী এখানে দেখতে পেলাম। শ্বেত পাথরের একটা ছোট তাজমহলও দেখলাম।

টাউন হলে গেলাম নরওয়েজিয়ানদের তৈরি প্রাচীনতম নৌকা দেখতে। এই নৌকা প্যাপিরাস পাতার তৈরি। নৌকাটি পাঁচ হাজার মাইল সাগর পাড়ি দিয়েছিলো বলে গাইড বুকে লেখা রয়েছে। অসলো নদীর বাঁকে একটি মিউজিয়াম বানিয়ে এই নৌকাটিকে জনসাধারণকে দেখানোর জন্য রাখা হয়েছে। প্রতিদিন চার-পাঁচশত দর্শক স্পিড বোটে চেপে এই ঐতিহাসিক নৌকাখানা দেখতে যান। মিউজিয়ামের নাম ঞযব কড়হ-ঞরশর গঁংবঁস. দ্বীপের মধ্যে এই মিউজিয়ামের অবস্থান। এখানে এলে বেড়ানো ও ঐতিহাসিক জিনিস দুটোরই স্বাদ পাওয়া যায়।
মিউজিয়াম দেখতে দেখতে প্রায় তিনটা বাজে। পিয়ার মা বললেন, মিসেস চেমন আরা, চলেন এবার ফেরা যাক। সন্ধ্যার পর আবার বেরুনো যাবে। তথাস্তু বলে আমিও সম্মতি জানালাম। সন্ধ্যার কিছু সময় আগে আমরা বের হলাম গাসটভ ভিজি ল্যান্ডের তৈরি ভাস্কর্যে সজ্জিত ভিজিল্যান্ড কালচার পার্ক দেখার জন্য। আশি একর জমির ওপর ভাস্কর্য শিল্পের চরম নিদর্শন নিয়ে এই পার্কটি অবস্থিত। এই ভাস্কর্যগুলোর মধ্য দিয়ে ভিজিল্যান্ড স্তরে স্তরে মানবজীবনের ক্রমপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়ার ধারাবাহিক চিত্র তুলে ধরেছে। পিতা-মাতার সাথে সন্তানের সম্পর্ক, বড়দের সাথে ছোটদের সম্পর্ক এবং বাস্তব পৃথিবীর সঙ্গে হৃদয়ের সংঘাতÑ এসবও তার ভাস্কর্যের মাঝে ঠাঁই নিয়েছে।

এই পার্কে পৌঁছে এই সব অবিশ্বাস্য পাথর-শিল্পের নৈপুণ্য দেখতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গেলো। সন্ধ্যা হলেও রোদ এখনো চারিদিক ঝলমল করছে। পিয়ার মা বললেন- আর একটা জায়গা আপনাকে দেখানো যায়। আমি বললাম- চলেন। শুধু শুধু হোটেলে গিয়ে বসে থেকে তো লাভ নেই। এবার আমাকে নিয়ে গেলেন পৃথিবীর বিখ্যাত স্কি প্রতিযোগিতার জায়গায়। এই জায়গায় নাম- হলমেন কোলেন (ঐড়ষষসবহ কড়ষবহ), এখানে একটা মিউজিয়ামও রয়েছে। এই মিউজিয়ামে আড়াই হাজার বছরের পুরনো স্কি প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার জন্য ক্রীড়ামোদীরা এখানে শীতকালে আসতেন। এখানকার গৌরবোজ্জ্বল কাহিনী বর্ণনা করতে গিয়ে সঙ্গিনী পিয়ার মা আনন্দে গৌরবে উল্লসিত হয়ে ওঠেন। গাড়ি থেকে নেমে এই জায়গার খবর শুনতে শুনতে আমার স্কি প্রতিযোগিতা যেই পাহাড়ের ওপর থেকে শুরু হয় সেখানে এসে পড়লাম। এই পাহাড়টি আবার এখান থেকে আরও ১৬৫ ফিট ওপরে। মূল জায়গায় ওঠার জন্য কিছু সিঁড়ির ব্যবস্থা রয়েছে। পিয়ার মা বললেন, ওপরে উঠলে সমগ্র অসলো শহরের দৃশ্য দেখা যায়। আপনি কি উঠতে পারবেন? পিয়ার মার কথার মধ্যে আমার শক্তিমত্তার ওপর কেমন একটা সংশয় লক্ষ করলাম। ফলে আমার জেদ চেপে গেল। বললাম- অবশ্যই পারবো। পিয়া গিয়ে ওপরে ওঠার টিকিট কিনে নিয়ে এলো। আমরা লিফ্টের ঘরে গিয়ে লাইন করে দাঁড়ালাম। সত্তর বছরের বুড়োরাও দেখলাম ওপরে যাওয়ার জন্য লাইন ধরেছেন। সাহসে বুক বেঁধে আল্লাহর নাম নিয়ে সত্যি সত্যি আমি লিফ্ট পাড়ি দিয়ে আরো আড়াই শ’ সিঁড়ি ভেঙে উঠে গেলাম স্কি প্রতিযোগিতার মূল জায়গায়। এখান থেকে প্রতিযোগীরা খেলা শুরু করে। নেমে যায় প্রায় আড়াই শ’ মিটার নিচে গভীর খাদে। নিচের দিকে তাকাতেই আমাদের মত মানুষ ভয় পায়। ওখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে চারদিকে অসলো নগরীর শোভা দেখলাম। বিজ্ঞান প্রযুক্তি, বুদ্ধি, আধুনিকতা ও প্রকৃতিÑ হাত ধরাধরি করে এখানে অবস্থান করছে। পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ নদী প্রতিযোগিতার স্থান দেখে সে দিনের মতো ফিরে এলাম হোটেলে একরাশ আনন্দ ও অভিজ্ঞতা নিয়ে।
পরদিন সুইডেনে ফিরে আসার পালা। উত্তর গোলার্ধের শেষ দেশ নরওয়ে। আর নরওয়ের রাজধানী হচ্ছে অসলো। দ্বীপ, নদী, পাহাড়, সবুজ, বিজ্ঞান আর প্রযুক্তি মিশে সুন্দর মনোহর অসলো নগরী।
শহরের কোন কোন স্থান থেকে অসলো নগরীকে মনে হয় অনেক নিচে, কোন সময় মনে হয় যেন অনেক ওপরে পাহাড়ের গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে। কৈশোরের স্মৃতি জড়িয়ে আছেÑ ভূগোলে পড়া তুন্দ্রা অঞ্চলের ম্যাপ। সেই ম্যাপ আমার সামনে মেলে ধরেছে অসংখ্য রূপরেখা। মেহেরবান আল্লাহকে হাজার শোকরিয়া।
২৪ জুলাই সকাল ১০টার দিকে আমি রওনা দিলাম সটিনাসের পথে, রুবার বাড়ির দিকে। পথে নরওয়ে ছাড়ার আগে পিয়ার মা আমাকে নিয়ে গেলেন ভাইকিং জাহাজ দেখতে। হাজার বছর আগে নিমজ্জিত তিনটি কাঠের জাহাজকে ধরে রাখা হয়েছে ঠিক তার নিজস্ব অবয়বে।

এই তিন জাহাজকে রাখা হয়েছে ভাইকিং শিপ মিউজিয়ামে দর্শকদের দেখার জন্য। ভেতরে তাদের ব্যবহারের দ্রব্যসামগ্রীও দেখলাম। ওদের খাবার জিনিসের মধ্যে একটা মিষ্টি কুমড়া দেখলাম।
এবার অসলো থেকে আমাদের বিদায়ের পালা। অসলো শহরের মধ্যে যতক্ষণ গাড়ি ছিল ততক্ষণ ড্রাইভ করলেন পিয়ার মা। শহর ছাড়লে পিয়ার মা হুইল ছেড়ে দিলেন। পিয়া গিয়ে বসলো মার জায়গায়। দু’ধারে সীমাহীন দিগন্ত জুড়ে তুন্দ্রা অঞ্চল। সামনে বিসর্পিল- সুন্দর রাস্তা আমরা তার অভিযাত্রী। পাহাড়, হ্রদ, নদী, অরণ্য রাস্তার দু’ধারে ফেলে ফেলে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি সামনে আরও সামনে। মনে হচ্ছে অনন্তের পথে বুঝি আমাদের অভিযাত্রা। এই অভিযাত্রার শেষ নেই, বিরাম নেই।
এক সময় যাত্রার বিরতি ঘটলো। সটিনাসে ফিরে এলাম। পিয়া ও পিয়ার মা আমাকে উলফের বাড়িতে নামিয়ে দিয়ে পথেনবর্গের পথে রওনা দিলেন।
এখানে দু’দিন বিশ্রাম শেষে এবার আমার দেশে ফিরে যাবার পালা। পুরনো রাস্তা ধরে গহিন বনের মধ্য দিয়ে গাড়ি চালিয়ে উলফ আমাকে নিয়ে এলো। ট্রেনের স্টেশন ফলশপিং। রুবা, নাভিদও আমার সঙ্গে আছে। মনটা সবার ভারাক্রান্ত। মাস দেড়েক রুবার সঙ্গে ছিলাম। এখানে-ওখানে বেড়াতে গেলেও মনে হতো রুবা আমার সঙ্গে আছে। ওর কাছে আবার আমি ফিরে আসব। এবারের যাওয়া সে রকম নয়। দেশের উদ্দেশে রওনা দেবার জন্য স্টকহলম যাওয়া।
রুবা, উলফ, আমি সবাই চুপচাপ। কারো মুখে কথা নেই। সবাই যেন কেমন আড়ষ্ট হয়ে গেছি। রুবাকে ও ওর ছোট ছেলে নাভিদকে ফেলে আসতে আমার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। অতি কষ্টে চোখের পানি গোপন করে ওদের বিদায় জানিয়ে ট্রেনে উঠে বসলাম। কিভাবে রাস্তা পাড়ি দিলাম জানি না। সারাক্ষণ মনের মধ্যে জড়িয়ে আছে রুবা, নাভিদ ও উলফকে ছেড়ে আসার বেদনাবোধ। স্টকহলম স্টেশনে ট্রেন এসে থামার সঙ্গে সঙ্গে দেখলাম- ছাত্রী মমতাজের স্বামী এসে দাঁড়িয়েছে ট্রেনের কামরার দোরগোড়ায়। ওকে দেখে আমি যেন সম্বিৎ ফিরে পেলাম।

ও হেসে বলল, আপা ভয় পেয়েছিলেন পথে? মুখটা এত শুকনো শুকনো কেন? আমার উত্তরের অপেক্ষা না করে আমাকে নামতে বলে, আমার মাল-সামান সমেত নেমে এলো ট্রেন থেকে। এবার স্কেলেটারে চেপে ভূতলের ট্রেনে উঠতে যাবে। আমি কিছুতেই স্কেলেটারে যেতে রাজি হলাম না। ফলে বেচারার খুব কষ্ট হলো। লট-বহরসহ সিঁড়ি বেয় নিচে নামতে সময়ও গেল অনেক। বাঙালিদের লটবহর সে তো আর কাঁধের ছোট ব্যাগ নয়। বড় আকারের স্যুটকেস, মাঝারি গোছের দুটো ব্যাগ, ফাক্স, টিফিন ক্যারিয়ার। ভদ্রলোক একাই সব সামলালেন। আমাকে ধরতেও দিলেন না। একেবারে অদেখা অচেনা একটা লোক। ছাত্রীর স্বামী সম্পর্কের সূত্র ধরে আমার জন্য এত কিছু করবে, ভাবাও যায় না। আমি লজ্জিত। নিচে এসে মেট্রো ট্রেনে উঠলাম। এবার আমরা একেবারে চলে এলাম মমতাজের বাড়ির দোরগোড়ায়। ওখান থেকে লিফটে চড়ে চার তলায় মমতাজের ঘরের সামনে এসে কলিং বেল টিপতেই মমতাজ আমাকে হাসিমুখে অভ্যর্থনা জানালো। স্বামী-স্ত্রীর আন্তরিকতায়, অতিথিপরায়ণতায় আমি মুগ্ধ, কৃতজ্ঞ। আমি জানি না ছাত্রীরা আমাকে কেন এত ভালোবাসে। ছাত্রীদের জন্য আমি যা করেছি তা নিছক কর্তব্যবোধে করেছি। কিন্তু ছাত্রীদের কাছ থেকে আমি পেয়েছি অনেক বেশি। ওদের প্রেম-প্রীতি, অঢেল ভালোবাসার ফুলডোরে আমি বাঁধা পড়ে আছি।

সারাদিন হইচই, হট্টগোল, আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়ে কাটিয়ে ফিরে আসার সময় ছেলেদের বৌরা ধরে বসলো ওদের সমিতির পত্রিকার জন্য একটা কবিতা দিতে হবে। ওখানে বাঙালি মেয়েদের একটা সমিতি আছে। এই সমিতির মেয়েরা একটা পত্রিকাও বের করে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে। জানতে পেরে অনেক খুশি হলাম।

by অধ্যাপিকা চেমন আরা